দোরগোড়ায় ডিসেম্বর, অথচ শীতের দেখাই নেই!

0

ওয়েবডেস্ক: আর মাত্র পাঁচ দিন পরেই ডিসেম্বর পড়ে যাবে, অথচ গোটা রাজ্যের কোথাওই শীতের দেখা নেই। পারদ যাও বা নামতে শুরু করেছিল, তা আবার বাড়ছে। এর ফলে এখন শীতপ্রত্যাশীরা চিন্তায়। কবে শীত পড়বে, সেই নিয়ে চিন্তা ক্রমশ বাড়ছে।

মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২০ ডিগ্রি। তাপমাত্রাটি স্বাভাবিকের থেকে দু’ ডিগ্রি বেশি। আপাতদৃষ্টিতে স্বাভাবিকের থেকে খুব একটা বেশি না হলেও, এখন ২০ ডিগ্রি থাকাটা বাঞ্ছনীয় নয়।

এ বার নভেম্বরে এখনও ১৮ ডিগ্রির নীচে নামেনি কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। শেষ বার এই রকম উষ্ণ আগমন শীতের হয়েছিল ২০১৫ সালে। সে বারও ১৮ ডিগ্রির নীচে নামেনি পারদ।

শুধু কলকাতাই নয়, পশ্চিমাঞ্চল হোক, উত্তরবঙ্গের সমতল হোক বা পাহাড়, কোথাওই শীতের কোনো লক্ষ্মণ নেই।

সব থেকে অবাক করে দিচ্ছে দার্জিলিংয়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। সমুদ্রতল থেকে সাত হাজার ফুট উচ্চতায় থাকা এই শৈলশহরে মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে বাকি জায়গায় কী রকম তাপমাত্রা থাকবে তা বোঝাই যাচ্ছে।

উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে এ দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ১৫ ডিগ্রি, ১৭ ডিগ্রি আর ১৬ ডিগ্রি।

তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় সান্দাকফু-ফালুট অঞ্চলে তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমা। উত্তর ভারত থেকে এগিয়ে আসা পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং আরব সাগর থেকে জলীয় বাষ্পের জোগানের জন্য এই তুষারপাত হতে পারে।

আরও পড়ুন আজ সুপ্রিম কোর্টে মহারায়, তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল

এ দিকে দক্ষিণবঙ্গেও পারদ পতন থমকে গিয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের শীতলতম জায়গাগুলি, অর্থাৎ পানাগড়, পুরুলিয়ায় পারদ উঠে গিয়েছে ১৬ ডিগ্রির ঘরে। আর বাঁকুড়া-বর্ধমানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রিতে উঠে গিয়েছে।

আসলে এ বার নভেম্বরে উত্তর ভারতে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝার আগমন হচ্ছে। যার ফলে উত্তরের রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে ব্যাপক তুষারপাত হচ্ছে। আবার সেই কারণেই বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে উত্তুরে হাওয়া। যার ফলে পশ্চিমবঙ্গে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমার বেশি লক্ষ্মণ নেই।

নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে তাপমাত্রা বেশি কমবে না বলেই জানিয়ে দিচ্ছে ওয়েদার আল্টিমা। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রির কাছে ঘোরাফেরা করবে। তবে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের শেষ দিক থেকে ভালো শীত পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.