অর্ণব রায়

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, জয়নগর: দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা কংগ্রেসে বড়োসড়ো ভাঙন। জেলা কংগ্রেস সভাপতি অর্ণব রায় শুক্রবার তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন।

এ দিন ২১ জুলাই শহিদ দিবসের সমর্থনে বারুইপুর নিউ ইন্ডিয়ান মাঠে তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের বিশাল জনসভা। এই সভায় রাজ্যের মন্ত্রী পাথ চট্টোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দোপাধ্যায়-সহ একাধিক নেতা-মন্ত্রীরা উপস্তিত থাকবেন। আর সেখানেই তাঁদের হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা তুলে নেবেন বহু বছরের পোড় খাওয়া কংগ্রেস নেতা অর্ণব রায়। তিনি দীঘ ৩৪ বছর ক্যানিংয়ের দীঘিরপাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের কংগ্রেসের প্রধান ছিলেন।

Arnab Roy 1

গত ২০১৩ সালে তার স্ত্রী শেফালি রায় প্রধান হন। কিন্তু গতবছর তাঁদের হাত থেকে তৃণমূল পঞ্চায়েত দখল নেয়। এ বারের ভোটে তৃণমূল এই পঞ্চায়েতে ক্ষমতা পেয়েছে। তাঁর অনুগামীদের বক্তব্য, অর্ণববাবু প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তৃণমূল নেত্রী চেয়েছিলেন, গত বিধানসভা নির্বাচনেই বাসন্তী থেকে তৃণমূল প্রার্থী হোন অর্ণব। কিন্তু তখন তিনি  রাজি হননি। বিগত ২০১৬ সালের বিধানসভার ভোটে তিনি বাসন্তী থেকে প্রাথী হন। এবং তৃণমূলের কাছে পরাজিত হন।ওই ভোটের প্রচারে সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীরা আসেন।

নতুন দলে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে অর্ণববাবু  বলেন, “এলাকার উন্নয়নের প্রয়োজনে আমি তৃণমূলে যোগ দিচ্ছি। এখন কংগ্রেসে থেকে সে ভাবে আর উন্নয়ন করা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উন্নয়নে শামিল হতে আমি তৃণমূলে যোগ দিচ্ছি”।

তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, অর্ণববাবু  শুক্রবার বারুইপুরে হাজারের বেশি কংগ্রেস কর্মীকে নিয়ে তৃনমূলে যোগ দেবেন।রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আগামী লোকসভা ভোটে সম্ভবত তিনি জয়নগর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী হতে পারেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here