Connect with us

উঃ ২৪ পরগনা

সুন্দরবনে ঘূর্ণিঝড়-দুর্গতদের পাশে শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগ ও ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টর’স ফোরাম

দীপঙ্কর ঘোষ

আয়লা, বুলবুল, ফণী – এই তালিকায় শেষতম সংযোজন উম্পুন (amphan)। এর আগে নাম-না-জানা বহু ঘূর্ণিঝড় এসে আছড়ে পড়েছে সাগর উপকূলে। ভেঙে গিয়েছে ঘরবাড়ি। ভেঙে গিয়েছে নদীবাঁধ। সাগরের লোনা জল ঢুকে গিয়েছে চাষের খেতে। লোনা জলে মিশে গিয়েছে পুকুর খালবিল আর পানীয় জলে। চোখের লবণাক্ত জল আর সাগরের জল এক হয়ে গড়িয়ে গিয়েছে বছর সাল যুগ। সরকার কেবলমাত্র খরচ করার জন্যই খরচ করেছে বলা যায়। দায়সারা বাঁধ মেরামত। বাঁশ আর টিন দিয়ে বাড়ি বাঁধা।

এ বার এক পাশে করোনা অতিমারির (covid 19 pandemic) আক্রমণে লকডাউনে কর্মহীন গৃহবন্দি মানুষ সব হারিয়ে বসে আছে জলের কিনারায়, অন‍্য পাশে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে মুছে গিয়েছে তাদের শস্যের খেত। লকডাউন আর প্রলয় ঝড়ে যোগাযোগ ব‍্যবস্থা বন্ধ –  এদের পালানোরও উপায় নেই। 

এদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বেশ কিছু সংস্থা। তার মধ্যে ‘শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ‍্যোগ’ (shramajibi swasthy udyog) একটি উল্লেখযোগ্য নাম। আয়লা থেকে উম্পুন – কেরল থেকে ওড়িশা – মালদহ থেকে সুন্দরবন (sundarban) – সর্বত্র এই সংস্থাটি ঝাঁপিয়ে পড়েছে তাদের ক্ষুদ্র সামর্থ্য নিয়ে।

শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ‍্যোগ – নামটা হয়তো চেনা। ১৯৯১-তে এদেরই উদ্যোগে হাওড়ার বেলুড়ে তৈরি হয় শ্রমজীবী হাসপাতাল এবং পরে উলুবেড়িয়ায় আরেকটি। এই প্রসঙ্গে বলে রাখি ছত্তীসগঢ়ের এক শ্রমিকনেতা শঙ্কর গুহনিয়োগীর স্বপ্ন ছিল শ্রমিক-কৃষকের সুস্বাস্থ‍্য। শ্রমজীবীদের ন্যায্য দাবি আদায় করতে গিয়ে তিনি খুন হয়েছিলেন। তাঁর ঐতিহ্য আর স্বপ্ন বয়ে নিয়ে চলেছেন ডাক্তার পুণ‍্যব্রত গুন আর তাঁর সহকর্মীরা। এই শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ‍্যোগের সঙ্গে রয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টর’স ফোরাম (west bengal doctors forum)।   

জলমগ্ন মীনা খাঁর হরিণহুলা।

এঁরা ছাড়াও উম্পুন-দুর্গতদের ত্রাণের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছে অগ্নিভ ফাউন্ডেশন (তরুণ চিকিৎসকদের সংস্থা), রাসবিহারী শৈলুষিক (নাটকের দল), ডক্টর ভাস্কর রাও জনস্বাস্থ্য কমিটি আর স্বাস্থ্য শিক্ষা নির্মাণ। এবং যথারীতি রয়েছেন রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসীরা।

উম্পুন রিলিফ নেটওয়ার্ক ইতিমধ্যে হাসনাবাদ গোসাবার প্রত‍্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে মানুষের কাছে খাদ্যসামগ্রী ও ন‍্যূনতম স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এতে শামিল হয়েছেন তরুণতম চিকিৎসক থেকে পক্ককেশ মানবতাবাদী – সকলেই। যদিও এ ক্ষেত্রে টাকার কথাটা বাহুল্য। তবুও এঁরা এঁদের সর্বস্ব দিয়ে ত্রাণের কাজ শুরু করেছেন। প্রথম দিনেই এক লাখ পাঁচ হাজার টাকার ত্রাণ বিলি হয়েছে। এঁদের স্বপ্ন অন্তত একটা গ্রামের বাসিন্দাদের পাকা বাড়ির ব‍্যবস্থা করা। সে সব স্বপ্ন এখন বহুদূর। আপাতত ওখানে চলছে শুধু বেঁচে থাকার লড়াই। এই মানবিক সংস্থাগুলো সেই বাঁচার লড়াইয়ে ওদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে গেছে।

উম্পুন রিলিফ নেটওয়ার্কের (amphan relief network) দু’টি দল পৌঁছে গিয়েছিল উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। উত্তরের দলটি গিয়েছিল হাসনাবাদ হিঙ্গলগঞ্জ ছাড়িয়ে সুন্দরবনের প্রত‍্যন্ত দ্বীপ যোগেশগঞ্জ-হেমনগরে। এই দ্বীপের সর্দারপাড়া ঘাটের কাছে মাধবকাঠি অঞ্চলে বাঁধ ভেঙে রায়মঙ্গলের জল ঢুকেছে। প্রায় আড়াইশো পরিবার বন্যার্ত। হিঙ্গলগঞ্জ-এর লাগোয়া রূপমারি এলাকাও সংকটাপন্ন।

দুর্গত এলাকায় স্বাস্থ্য শিবির।

সব থেকে খারাপ অবস্থা চোখে পড়েছে চকপাটলী, মহিষপুকুর, পাটলি খানপুর অঞ্চলটিতে। মাটির ঘর-বাড়ি ভেঙেছে। বিস্তীর্ন এলাকা জলের তলায়। বহু মানুষ উঁচু রাস্তার ওপর অথবা ফ্লাড-সেন্টারে আশ্রয় নিয়েছেন। ৪০০-৫০০ পরিবার এখানে দুর্গত।

দক্ষিণের দলটি গিয়েছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায়। গোসাবা ব্লকের অন্তত চারটে জায়গায় বাঁধ ভেঙেছে – পুঁইজালি, জটিরামপুর, রানিপুর, মন্মথনগর। নদীপথে মন্মথনগর পৌঁছোতে পেরেছিল দলটি। সেখানে বাঁধ ভেঙেছে এক কিলোমিটার জুড়ে। প্রায় ৬ হাজার বিঘে জমি জলমগ্ন। মানে নোনাজলের তলায়। ফসল নষ্ট হয়েছে, আগামী কয়েক বছর ফসলও হবে না। গরুবাছুর মারা গিয়েছে। পুকুর খালের মাছ মরে ভেসে উঠছে ব্যাপক হারে। আনুমানিক ৫০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত। সংখ্যাটা আরও বেশি হতে পারে। নদীর ঠিক পাড়েই যাঁদের বাস তাঁদের সর্বস্ব গিয়েছে। এ ছাড়াও যাঁদের ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়নি তাঁদের অন্যান্য ক্ষতিও কম নয়। গাছ পড়েছে, চাল উড়ে গিয়েছে, নৌকো ডুবে গিয়েছে, দোকানের জিনিস নষ্ট হয়েছে। কারও কারও ক্ষতি হয়েছে লক্ষাধিক টাকার।

কুলতলি, পারুলগ্রাম, পারুল আশ্রম, মীনাখাঁ – সর্বত্র এক‌ই চিত্র। সবখানেই এক‌ অবস্থা। পুকুরের জল লবণাক্ত। মরা মাছ গবাদি পশু ভেসে উঠেছে পুকুরে খালেবিলে। পানীয় জল নেই। একজন ভারতীয় নাগরিকের জীবনধারণের  প্রয়োজনীয় কোনো কিছুই নেই।

করোনার ভয়াল ভ্রুকুটি অগ্রাহ্য করে এর‌ই মধ‍্যে আরও বহু সংবেদী মানুষের সঙ্গে কাজ করে চলেছে উম্পুন রিলিফ নেটওয়ার্ক ও তার সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলো।

ছবি: সৌজন্যে উম্পুন রিলিফ নেটওয়ার্ক

উঃ ২৪ পরগনা

ডাক্তার দিবসে অশোকনগরে বৈশাখী উৎসব কমিটি তরফে স্বাস্থ্যশিবির

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বুধবার ডাক্তার দিবসে অশোকনগর কল্যাণগড় পৌরসভা এলাকার আশরফাবাদে মানবসেবার কর্মসূচি হাতে নিল বৈশাখী উৎসব কমিটি। করোনা পরিস্থিতিতে যে সকল মানুষজন অসুস্থ অথচ অর্থের অভাবে ডাক্তার দেখাতে যেতে পারছেন না, তাঁদের কথা চিন্তা করে এই কাজটি করল। সেই সঙ্গে প্রেসার টেস্ট, সুগার টেস্ট, ওজনও মাপা হয়।

আরও পড়ুন: ডাক্তার দিবসে করোনা যোদ্ধাদের সম্মান জানাল সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস, পাশে আইএমএ, এনআরএস

এ দিন প্রতিটি কাজ করা হয় পুরোপুরি সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে। প্রথমে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে, থার্মাল গান দিয়ে উষ্ণতা মেপে। তার পর একের পর টেস্ট ও ডাক্তার দেখানোর প্রক্রিয়া। প্রায় পঞ্চাশ জন মানুষকে এই পরিষেবা প্রদান করা হল। উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার হীরক রায়। এই অনুষ্ঠানটি আশফরাবাদ কমিউনিটি হলে করা হয়। পুরোপুরি নিখরচায় সাধারণ মানুষের জীবনের কথা চিন্তা করে।

বৈশাখী উৎসব কমিটি সংস্থা আহবায়ক দেবাশিস মজুমদারের কথায়, “আমরা সমাজে সকল মানুষের কথা চিন্তা করি। শুধুমাএ করোনা জনিত পরিস্থিতির জেরে লকডাউন ঘোষণার পর থেকেই খাদ্যসামগ্রী ও জীবনদায়ী ওষুধ বিতরণ করেছি। এমনকি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির করেছি পৌর এলাকার মধ্যে এই প্রথম।”

দেবাশিসবাবু আরও বলেন, আগামী প্রজন্মের কথা চিন্তা করে শিশুদের শিক্ষাসামগ্রী তুলে দেওয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আশফরাবাদের মানুষদের জীবনের কথা চিন্তা করে নিখরচায় শারীরিক পরীক্ষাশিবিরও আয়োজন করা হল।

দেবাশিসবাবু জানান, তাঁরা মানুষের জন্য সারা বছর ধরে কাজ করেন। কোনো রকম ব্যানার লাগে না তার জন্য। নীরবে নিঃশব্দেব্দে কাজ করতে বেশি পচ্ছন্দ করেন তারা।

Continue Reading

উঃ ২৪ পরগনা

‘পরিবেশ প্রভাব জরিপ ২০২০’ বাতিলের দাবিতে নৈহাটি স্টেশনে ‘ফ্রাইডে ফর ফিউচার’-এর জমায়েত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: কোনো বড়ো প্রকল্প স্থাপনের আগে সেখানকার পরিবেশের উপর তার কী প্রভাব পড়বে তা জরিপ করা হয়। একে বলা হয়  এনভায়রনমেন্টাল ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট (ইআইএ) (Environmental Impact Assesment, EIA) বা পরিবেশ প্রভাব জরিপ। এটি একটি আইনি বাধ্যবাধকতা।

এই ‘পরিবেশ প্রভাব জরিপ’ এড়িয়ে যাওয়ার জন্য এ সংক্রান্ত পুরোনো আইন সংশোধনের চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রক। এরই বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পরিবেশ আন্দোলন ‘ফ্রাইডে ফর ফিউচার’-এর (Friday For Future) নৈহাটি শাখার তরফে রবিবার প্রতিবাদ-বিক্ষোভ দেখানো হল নৈহাটি স্টেশন চত্বরে।

যে কোনো বড়ো প্রকল্প স্থাপনের আগে পরিবেশের উপর তার প্রভাব খতিয়ে দেখা বাধ্যতামূলক। এই মূল্যায়ন পদ্ধতির একটা অঙ্গ হল অঞ্চলের অধিবাসীদের নিয়ে গণশুনানি, যা গণতন্ত্রের পক্ষে খুবই স্বাস্থ্যকর। এই পদ্ধতিকে লঘু করার জন্য কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রক জোর চেষ্টা চালাচ্ছে বলে পরিবেশবাদীদের অভিযোগ। জনমত সংগ্রহের জন্য ইআইএ ২০২০ নামে একটি প্রস্তাবনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। এ ভাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক পুরোনো আইনটি সংশোধনের চেষ্টা করছে বলে পরিবেশবাদীরা বলছেন।

তাঁদের বক্তব্য, আইন হিসাবে এই খসড়া কার্যকর হলে পরিবেশ ধ্বংসের কাজ ত্বরান্বিত হবে। তাই এই খসড়া পুরোপুরি বাতিলের দাবি করেছে পরিবেশ সংগঠন ও অন্যান্য সামাজিক সংগঠন। এ নিয়ে লকডাউনের মধ্যেই তারা প্রচার আন্দোলন, গণস্বাক্ষর সংগ্রহ, প্রতিবাদী জমায়েত ইত্যাদি আয়োজন করছে এবং ক্রমশ তা বড়ো প্রতিরোধের রূপ নিচ্ছে।

বড়ো প্রকল্প স্থাপনের আগে এই পরিবেশ প্রভাব জরিপ এড়িয়ে যাওয়ার বিধান প্রস্তাবিত আইনে থাকায় কর্পোরেট সংস্থাগুলি এ দেশেরে জল-জঙ্গল-জমিকে নির্বিচারে লুঠ করবে বলে আশঙ্কা প্রতিবাদীদের।

২৮ জুন রবিবার ফ্রাইডে ফর ফিউচার-এর নৈহাটি শাখার পক্ষ থেকে নৈহাটি স্টেশন চত্বরে প্রতিবাদী জমায়েত করা হয় সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত। পোস্টার-ব্যানার নিয়ে যাঁরা সেই জমায়েতে যোগ দিয়েছিলেন তাঁদের বেশির ভাগই বিভিন্ন বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী। কয়েক জন শিক্ষক-শিক্ষিকাও ওই জমায়েতে যোগ দেন। ‘পরিবেশ প্রভাব জরিপ ২০২০’-এর খসড়াটি সম্পূর্ণ ভাবে অবিলম্বে বাতিলের দাবি ওঠে ওই জমায়েত থেকে।

Continue Reading

উঃ ২৪ পরগনা

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রচুর কড়াকড়ি সঙ্গী করে খুলল দক্ষিণেশ্বর মন্দির

দক্ষিণেশ্বর: চূড়ান্ত কড়াকড়ির মধ্যে শনিবার খুলে গেল দক্ষিণেশ্বরের (Dakshineswar) ভবতারিণী মন্দির। শারীরিক দূরত্ব মেনেই পুণ্যার্থীদের লাইন দিতে দেখা যায় সকাল থেকেই।

লকডাউনের (Lockdown) কারণে দীর্ঘ দু’মাস পর মন্দির খুললেও আগের মতো পরিস্থিতি এখন আর নেই। সব কিছুকে সম্পূর্ণ নতুন ভাবে সাজানো হয়েছে।

মন্দিরের প্রবেশদ্বারের আগে সুরক্ষা ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের থার্মাল স্ক্রিনিং করা হচ্ছে। এর পর দিতে হচ্ছে লাইন। বিধি মেনে নির্দিষ্ট দূরত্বে কেটে দেওয়া হয়েছে নীল গণ্ডি। তার মধ্যেই দাঁড়াতে হচ্ছে ভক্তদের।

লাইন কিছুটা এগোনোর পর আবারও চেকিং করা হচ্ছে মন্দিরের তরফ থেকে। জমা রাখা হচ্ছে মোবাইল-সহ যাবতীয় জিনিস।

পুজো দেওয়ার ক্ষেত্রেও জারি হচ্ছে একাধিক নিয়ম। গর্ভগৃহের বাইরেই দিতে হচ্ছে পুজো। পুজোর জন্যে ফুল অর্পণ করা যাচ্ছে না। চরণামৃত দিচ্ছেন না পুরোহিতরা। কেবলমাত্র প্রসাদি মিষ্টি দেওয়া হচ্ছে। পুরোহিত থেকে মন্দিরের নিরাপত্তাকর্মী, সবাই পিপিই কিট পরে রয়েছেন।

মন্দির চত্বরে কাউকে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি চত্বরে থাকা অন্যান্য ছোটো মন্দিরেও কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রতিদিন সকাল ৭ টা থেকে সকাল ১০টা ও বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মন্দির।

Continue Reading
Advertisement
বিদেশ15 mins ago

অনলাইনে ক্লাস করা ভিনদেশি পড়ুয়াদের আমেরিকা ছাড়তে হবে, নির্দেশ ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারের

দেশ51 mins ago

বিতর্ক বাঁধলেও ‘পতঞ্জলির করোনা ওষুধ’ অনলাইনে খোঁজের তালিকার শীর্ষস্থানে

অনুষ্ঠান1 hour ago

৮০-র পরেও নতুন অভিজ্ঞতার ‘শ্যামা’য় তিনি অভিভূত, বললেন সত্তরোর্ধ্ব নৃত্যশিল্পী পলি গুহ

drama
অনুষ্ঠান2 hours ago

শ্যামা ও বজ্রসেন চরিত্রের ফ্ল্যাশব্যাক, সম্পূর্ণ নতুন ভাবনা ‘শ্যামা’ নৃত্যনাট্যে

দেশ2 hours ago

অত্যাবশ্যক পণ্য তালিকা থেকে বাতিল মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার

বিদেশ3 hours ago

ভারতের পর আমেরিকায় চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ হওয়ার পথে

dhoni
ক্রিকেট6 hours ago

জন্মদিনে ফিরে দেখা মহেন্দ্র সিংহ ধোনির ম্যাচ জেতানো তিনটে সেরা ইনিংস

কলকাতা7 hours ago

দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই বা কলকাতা নয়, বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদের করোনা-পরিস্থিতি এখন চিন্তার কারণ

কেনাকাটা

কেনাকাটা23 hours ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা2 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা7 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

smartphone smartphone
কেনাকাটা1 week ago

লকডাউনের মধ্যে ফোন খারাপ? রইল ৫ হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের হদিশ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘরে বসে যতটা কাজ সারা যায় ততটাই ভালো। তাই মোবাইল ফোন খারাপ...

নজরে