গোসাবায় আর্তের সেবায় এগিয়ে এলেন কচুয়া লোকনাথ মিশনের সদস্যরা

0

শুভদীপ রায় চৌধুরী

লোকহিতৈষী কাজে যিনি সব সময় রয়েছেন, তিনিই তো লোকনাথ। কচুয়ার সেই ছোট্ট লোকনাথ একদিন হয়ে উঠলেন ভক্তের ভগবান। তাই রণে বনে জলে জঙ্গলে যেখানেই মানুষ বিপদে পড়বে, তাঁকে স্মরণ করবে, এমনটাই বলেছিলেন ত্রিকালজ্ঞ  লোকনাথ ব্রহ্মচারী।

Loading videos...

বাবা লোকনাথ নিজ লীলায় সব সময় মানুষের পাশে ছিলেন। ডেঙ্গু কর্মকার থেকে শুরু করে বিভিন্ন মানুষ যখনই বিপদে পড়েছেন তখনই ছুটে গিয়েছেন বাবার কাছে। বাবার আশীর্বাদে তাঁরা মুক্তিও পেয়েছেন নানা বিপদ থেকে। সাধনায় থাকাকালীন এবং সিদ্ধিলাভের পর বারদির আশ্রমে থাকাকালীন মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োগ করেছিলেন। লীলাসংবরণের পরও বলে গিয়েছিলেন সবার পাশে থাকার কথা।

পূর্ণিমার রাতে ঘুর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে যখন বাংলার উপকূলবর্তী অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত, ঠিক তখনই মানুষের পাশে এসে দাঁড়াল কচুয়া লোকনাথ মিশন। কলকাতার ৩/২ রায়বাগান স্ট্রিটে লোকনাথ মিশনের কেন্দ্রীয় শাখা রয়েছে। সেখান থেকেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।

তুলে দেওয়া হল রান্না করা খাবার।

কথা হল লোকনাথ মিশনের সদস্য সুব্রত কুমার দের সঙ্গে। তিনি জানালেন, তাঁদের কচুয়া, কলকাতা, গঙ্গাসাগর ইত্যাদি অঞ্চলে শাখা রয়েছে। তাঁদের স্বেচ্ছাসেবকরা এগিয়ে এসে এই উদ্যোগ নিয়েছেন গত ৬ জুন।

দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার গোসাবায় কুমিরমারি গ্রামে ২৫০ জন মানুষকে তাঁরা তুলে দিয়েছেন চাল, ডাল, তেল, মশলা, দুধ, সবজি ইত্যাদি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস। শুধু তা-ই নয় দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার নামখানা, নারায়ণপুর, চরঘেরি ফ্লাড সেন্টারে দুপুরবেলা ৫০০ জন মানুষকে বিনামূল্যে খাবার বিতরণ করা হয়। ভাত, ডাল, সবজি ইত্যাদি রান্না করা হয় সেখানে। এ ছাড়া ৫০ জন মহিলাকে কাপড় দেওয়া হয়। বাবা লোকনাথের বাণী এবং আদর্শই যে তাঁদের জীবনে একমাত্র লক্ষ্য, তা বারবার প্রমাণ করছে লোকনাথ মিশন।

আরও পড়ুন: ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কমিউনিটি কিচেন চালু হল জলপাইগুড়িতে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.