ওয়েবডেস্ক: এক সপ্তাহ পর অবশেষে উঠে গেল জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি। এই ঘটনাক্রমের যাবতীয় লাইভ আপডেট দেখুন এখানে।

==========================================

১৭ জুন, সাড়ে ৮টা

সাত দিন পর উঠে গেল জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি। ডাক্তারদের মারধর করা যাবে না, স্পষ্ট করে দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

১৭ জুন সন্ধ্যা ৭:৫০

এই মুহূর্তে এনআরএস জিবি বৈঠক চলছে। এই বৈঠকের পরেই উঠতে চলেছে কর্মবিরতি। ইতিমধ্যে পরিবহকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।

১৭ জুন সন্ধ্যা ৬টা

কিছুক্ষণের মধ্যেই উঠে যেতে চলেছে কর্মবিরতি। প্রতিনিধিরা এনআরএসে পৌঁছলে তবে সরকারি ভাবে ঘোষণা করা হবে সিদ্ধান্ত।

১৭ জুন, বিকেল ৫:৪০

নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী-জুনিয়র ডাক্তার বৈঠক শেষ

১৭ জুন, বিকেল ৫:১৫

নবান্নে বৈঠক চলছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জুনিয়র ডাক্টারদের মধ্যে। রাজ্য তো বটেই, এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। ইতিমধ্যে জুনিয়র ডাক্তাররা বেশ কিছু প্রস্তাব মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রেখেছেন। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীও জুনিয়র ডাক্তারদের নিরাপত্তার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা বলেছেন।

**** ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডে কোলাপ্সবল গেট লাগানো হবে

**** রোগীর দু’জন পরিজনের বেশি যাতে এমার্জেন্সি ওয়ার্ডে না ঢুকতে পারে, সেটা নিশ্চিত করা হবে

**** কারো মৃত্যু হলে সেটা সঠিক পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে জানাতে হবে

**** রাতে পুলিশ নিয়োগ করা হবে।

১৭ জুন বিকেল ৩.০৫

বৈঠকের লাইভ কভারেজের দাবি মুখ্যমন্ত্রী মেনে নেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর জুনিয়র ডাক্তাররা বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছেন। তাঁদের প্রতিনিধিরা এখন নবান্নের পথে।

১৭ জুন দুপুর ২-৫৫

শেষ পর্যন্ত প্রতিবাদী ডাক্তারদের দাবি মেনে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলনরত ডাক্তাররা চেয়েছিলেন, নবান্নে সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক মিডিয়ার উপস্থিতিতে ক্যামেরার সামনে প্রকাশ্যে হোক। মুখ্যমন্ত্রী এই দাবি গোড়ায় মানেননি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই দাবি মেনে নিয়েছেন বলে নিউজ১৮ জানিয়েছে।  

এন আর এস মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তারদের উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে বলেছেন, “রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব মেডিক্যাল এডুকেশনের ডিরেক্টরের মাধ্যমে আমাকে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন যে, নবান্নে আপনাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর যে বৈঠক হওয়ার কথা আছে তার লাইভ কভারেজে তিনি সম্মতি জানিয়েছেন।”

১৭ জুন দুপুর ১টা

এবার কি অচলাবস্থা কাটতে চলেছে। জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দিল স্বাস্থ্যভবন

১৭ জুন, বেলা ১২টা

একবার জট খোলার সম্ভাবনা তৈরি হলেও, ফের আরও বেশি করে জট তৈরি হয়ে যাচ্ছে। প্রথমে মনে করা হচ্ছিল সোমবার বিকেল ৩টেয় নবান্নে বৈঠকের মধ্যে দিয়ে অচলাবস্থা কাটতে চলেছে, কিন্তু সেটা আবার বিশ বাঁও জলে। এই প্রসঙ্গে জুনিয়র ডাক্তার প্রকাশিত সর্বশেষ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কাল থেকে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে আজ দুপুরে বৈঠক। কিন্তু কীসের বৈঠক? কে ডেকেছেন? আমরা তো কিছুই জানি না। আমাদের কাছে কোনো প্রেস বিবৃতি বা অফিসিয়াল ইনভিটেশন আসেনি। কোনো চিঠি পাইনি আমরা। আমরা আমাদের দাবিতে অনড়, নবান্নের বন্ধ ঘরে কোনো বৈঠক হবে না।”

১৭ জুন, সকাল ৯টা

সোমবার দুপুর ৩টের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। তখনই নবান্নে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৪টি মেডিক্যাল কলেজের মোট ২৮ জন প্রতিনিধি এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও এই বৈঠকে থাকতে পারেন রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তা-সহ একাধিক সরকারি আধিকারিক।

১৬ জুন, রাত ১০টা

মিডিয়ার উপস্থিতিতে ক্যামেরার সামনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসার যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রতিবাদী জুনিয়ার ডাক্তাররা, তাতে রাজি নয় সরকার। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্টে জানা গেছে, জুনিয়ার ডাক্তারদের প্রস্তাবমতো মিডিয়ার উপস্থিতিতে বৈঠকে আপত্তি আছে সরকারের।

১৬ জুন, বেলা ৩.৪৫টা

শেষ হল এনআরএসে জুনিয়র ডাক্তারদের জেনারেল বডির বৈঠক। সাংবাদিক বৈঠকে আন্দোলনকারীরা জানান, “মুখ্যমন্ত্রী আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। গত শনিবার তাঁর সাংবাদিক বৈঠকের পর আমরা আজ বৈঠকে বসেছিলাম। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরা চাই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসতে। তবে সেটা বন্ধ ঘরে নয়। সেটা হোক মিডিয়ার সামনে জনসমক্ষে। স্থান তিনিই স্থির করে দিন। আমরা চাই সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবা অব্যাহত রাখতে দ্রুত কাজে যোগ দিতে। আমরা আশাবাদী, তিনি আমাদের দাবিকে মান্যতা দেবেন”। আরও পড়ুন এখানে ক্লিক করে

১৬ জুন, বেলা সাড়ে তিনটে

এনআরএসে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের জেনারেল বডির বৈঠক চলছে। বৈঠকে রয়েছেন এনআরএসের অধ্যক্ষ-সহ অন্যান্য মেডিক্যাল কলেজের প্রতিনিধিরা। রয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ শিক্ষা অধিকর্তাও। সূত্রের খবর, বৈঠকে স্থির হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি তাঁরা। ওই বৈঠকে থাকতে হবে রাজ্যপালকেও। তবে বৈঠক নবান্নে নয়, অন্য কোথাও আয়োজনের দাবি থাকতে পারে।

১৬ জুন, বেলা সাড়ে ১১টা

রবিবার সকালে আবারও আলোচনায় বসতে চলেছেন এনআরএস-এর আন্দোলনকারীরা। জুনিয়র চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, একাধিক বিষয়ে আলোচনা করা হবে আজকের মিটিং-এ। পাশাপাশি রাজ্য মনে করছে, আজকের পরই আন্দোলনের ভবিষ্যত কিছুটা স্পষ্ট হতে পারে। এনআরএস, নবান্ন নাকি অন্য কোথাও আলোচনা তাও জানা যেতে পারে বলেই মনে করছেন বিভিন্ন মহল।

১৬ জুন, সকাল ৯টা

ষষ্ঠ দিনে পড়ল জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি। এখনও রফাসুত্রের কোনো ইঙ্গিত নেই।

১৫ জুন, সন্ধ্যা ৬টা

চিকিৎসকদের কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের হাজার হাজার রোগীর কথা ভেবে অবিলম্বে কাজে যোগ দিতে বললেন তিনি

১৫ জুন, বিকেল ৫টা

পাঁচ সিনিয়র চিকিৎসককে নিয়ে ফের নবান্নে বৈঠকে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্যে অচলাবস্থা কাটাতে উদ্যোগী হয়েছেন তিনি। নবান্ন সূত্রে খবর, এ দিন সন্ধ্যা ৬টায় সাংবাদিক বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৫ জুন, বিকেল ৪টে

নবান্নে যাচ্ছেন না সিনিয়র চিকিৎসকেরা। এনআরএসের আন্দোলনকারীরা নবান্নে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় তাঁরাও আর যাচ্ছেন না।

১৫ জুন, দুপুর সাড়ে ১২টা

এ বার চরম হুঁশিয়ারি দিলেন এমসের চিকিৎসকরা। বিস্তারিত পড়ুন এখানে

১৫ জুন, দুপুর ১২টা

অচলাবস্থা কাটাটে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএমএ) প্রতিনিধি দল। বৈঠকে থাকতে পারেন সর্বভারতীয় সভাপতি শান্তনু সেন। জানা যাচ্ছে, জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি নিয়ে আলোচনা করা হবে এই বৈঠকে।
এরপর আন্দোলনকারীদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন আইএমএর প্রতিনিধিরা। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবরে দুপুরেই হবে সেই বৈঠক।

১৫ জুন, সকাল সাড়ে দশটা

পাঁচ দিনের পড়ল জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি। জরুরী বিভাগ খোলা থাকলেও, এখনও বন্ধ আউটডোর। এরই মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছেন আন্দোলনকারীরা। নবান্নে না যাওয়ার কথা ঘোষণা করলেও, নতুন করে এই বৈঠক অন্য কিছু ইঙ্গিত দিচ্ছে কি? নবান্নে জুনিয়র ডাক্তাররা যাবেন কি না, ঠিক হবে এই বৈঠকে।

১৪ জুন, রাত ১০টা

মুখ্যমন্ত্রীর ডাক ফিরিয়ে দিলেন আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁরা বলেছেন, নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকেই তাঁদের কাছে আসতে হবে আলোচনার জন্য।

১৪ জুন, রাত সাড়ে ৮টা

এনআরএস-এ যান রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা। এর পরই মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় থেকে ফোন যায় আন্দোলনকারীদের কাছে। তাঁদের নবান্নে ডেকে পাঠানো হয়। জানা গিয়েছে, আগামী শনিবার বিকেল ৫টায় বৈঠক হতে পারে। আন্দোলনকারীদের চার প্রতিনিধিকে ডেকে পাঠানো হয়েছে বৈঠকে।

১৪ জুন, সন্ধ্যে সাড়ে ৬টা

নবান্নে সিনিয়র ডাক্তারদের ডেকে পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে নবান্নে যাচ্ছেন পাঁচ বিশিষ্ট চিকিৎসক। রয়েছেন সুকুমার মুখোপাধ্যায়, এম এল সাহা, অলকেন্দু ঘোষ, অভিজিত চৌধুরীরা।

১৪ জুন, সন্ধ্যে ৬টা

এনআরএস-কাণ্ডের জেরে রাজ্যের প্রায় সমস্ত মেডিক্যাল কলেজে গণইস্তফা জারি রয়েছে। এরই মধ্যে এসএসকেএম হাসপাতালের চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত আরও সংকটে ফেলে দিল স্বাস্থ্য পরিষেবাকে। হাসপাতালের তরফে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে জানানো হল, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত ঘোষিত না-হলে এসএসকেএমের সমস্ত চিকিৎসক ইস্তফা দেবেন। উল্লেখ্য, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, এসএসকেএমের ১৭৫ জন চিকিৎসক ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন।

১৪ জুন, বিকেল সাড়ে ৪টে

এনআরএস থেকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ পর্যন্ত মিছিলে পা মেলালেন কয়েক হাজার মানুষ। মিছিলে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। তবে শুধু চিকিৎসক নন, এই মিছিলে অংশ নিয়েছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। চিকিৎসক নিগ্রহের প্রতিবাদে মিছিলে শামিল হয়েছেন অপর্ণা সেন, বিনায়ক সেন, সুজাত ভদ্র, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, অনুপম রায়, রূপম ইসলাম প্রমুখ। তাঁদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলুন।

১৪ জুন, বিকেল ৪টে

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন নির্মল মাজি। বর্তমানে তিনি রাজ্যের মন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিলের সভাপতি। মেডিক্যালে গিয়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলতে ঢুকতেই বাইরে আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। কোনো রকমে পিছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে পুলিশের হস্তক্ষেপে হাসপাতাল চত্বর ছাড়েন নির্মল। এর আগে গত মঙ্গলবার এনআরএসে গিয়েও একই ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে।

১৪ জুন, বেলা ৩.৩৫

সাংবাদিক বৈঠকে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের পাশে থাকার বার্তা দিল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)। এ দিন সংগঠনের তরফে জানানো হয়, “চিকিৎসকদের মারধর অনৈতিক। এনআরএসের আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে রয়েছে আইএমএ। আমাদের সংগঠনের অধীনে সাড়ে তিন লক্ষ চিকিৎসক রয়েছেন। তাঁরা প্রত্যেকে পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসকদের পাশে রয়েছেন”।

১৪ জুন, বেলা ৩টে

“এনআরএস-এর আন্দোলনে বহিরাগতরা রয়েছে, তার প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে”, কাঁচরাপাড়ায় কর্মিসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৪ জুন, দুপুর ২:৫০

গণইস্তফার পালা এনআরএসেও। বিভিন্ন দফতর থেকে মোট ৬৯জন চিকিৎসক ইস্তফা দিয়েছেন।

১৪ জুন, দুপুর ১:৫০

এনআরএস কাণ্ডের প্রতিবাদে ইস্তফার পালা চলছে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ৮২ জন চিকিৎসক। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালেও ইস্তফা দেওয়া হয়েছে। পদত্যাগ করেছেন মেডিকেল কলেজের মনোরোগ বিভাগের প্রধান ডক্টর নির্মল বেরা ও মনোরোগ বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডক্টর উত্তম মজুমদার।

১৪ জুন, দুপুর ১টা

“আপনি রোগীদের পাশাপাশি ডাক্তারদেরও মুখ্যমন্ত্রী। একবার ওদের কাছে এসে ওদের সঙ্গে কথা বলুন।” এনআরএসে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে এ ভাবেই বিশেষ আবেদন করলেন অপর্ণা সেন। তিনি আরও বলেন, ”
আপনি ওঁদের অভিভাবক, ওঁদের সমস্যাটা বোঝার চেষ্টা করুন। খুব ভালো ছাত্রছাত্রী না হলে, ডাক্তার হওয়া যায় না। ওরা যদি চলে যায়, তা হলে কি পশ্চিমবঙ্গের পক্ষে ভালো হবে?” অপর্ণা সেনের পাশাপাশি এ দিন এনআরএসে যান কৌশিক সেনও।

পাশাপাশি গণইস্তফার ঘটনাও অব্যাহত। শুক্রবার সকালে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজেও একাধিক চিকিৎসকের ইস্তফা দেওয়া খবর পাওয়া গিয়েছে।

১৪ জুন, দুপুর সাড়ে বারোটা

আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে দাঁড়াতে এনআরএসে গেলেন কৌশিক সেন, অপর্ণা সেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গতকালের অবস্থান নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন অপর্ণা।

১৪ জুন, দুপুর বারোটা

এনআরএস কাণ্ডের প্রতিবাদে শামিল হয়েছে গোটা দেশ। দিল্লি, জয়পুর, মুম্বই, নাগপুর, বিভিন্ন জায়গা থেকেই প্রতিবাদের খবর পাওয়া যাচ্ছে। দেখে নিন কোথায় কী ভাবে প্রতিবাদ হচ্ছে।

কেরলের তিরুঅনন্তপুরমে প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন আইএমএর সদস্যরা।

রাজস্থানের জয়পুরে কালো ব্যাজ করে রোগী দেখছেন চিকিৎসকরা।

মহারাষ্ট্রের নাগপুরে ‘সেভ দ্য সেভিয়র’ এবং ‘স্ট্যান্ড উইথ এনআরএসএমসিএইচ’ পোস্টারে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন চিকিৎসকরা।

‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগান তুলে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন রায়পুরের চিকিৎসকরা।

১৪ জুন, সকাল সাড়ে ১১টা

এনআরএস কাণ্ডের ছায়া এ বার এমআর বাঙুর হাসপাতালে। ‘গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর’ অভিযোগে জুনিয়র ডাক্তারদের উপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ উঠল মৃতের পরিজনদের বিরুদ্ধে। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, টালিগঞ্জের বাসিন্দা বছর পঞ্চান্নর মোহন ঘোড়ুই বৃহস্পতিবার সন্ধে নাগাদ শ্বাসকষ্ট নিয়ে এম আর বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি হন। এর পর রাত ৯টা নাগাদ মারা যান মোহন বাবু। এর পরেই জুনিয়র ডাক্তারদের ঘিরে ধরে রোগীর আত্মীয়রা। যদিও কোনো গাফিলতি ছিল না বলেই সাফ দাবি চিকিৎসকদের।

১৪ জুন, সকাল ১০:৪৫

স্বস্তির খবর সিউড়িতে। শুক্রবার সকালে গণইস্তফার সিদ্ধান্ত বদল করেছেন সিউড়ি হাসপাতালের ৬৭ জন চিকিৎসক। ফলে ক্রমশ স্বাভাবিক হচ্ছে চিকিৎসা পরিষেবা। অন্য দিকে কালো ব্যাজ করে অন্য রকম প্রতিবাদে শামিল আলিপুরদুয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

১৪ জুন, সকাল ১০:৪০

এনআরএস কাণ্ডের প্রতিবাদে দেশ জুড়ে বিক্ষোভ চিকিৎসকদের। দিল্লিতে পথে নেমেছেন এমসের চিকিৎসকরা। পাশাপাশি মিছিল করছেন সফদরজং হাসপাতালের চিকিৎসকরাও।

১৪ জুন, সকাল ১০টা

বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে জরুরী বিভাগ খুলেছে। তবে চিকিৎসকের সংখ্যা হাতে গোনা। এই কারণে সমস্যায় পড়ছেন রোগীরা। কিন্তু এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে বাঙুর হাসপাতালে রোগীর আত্মীয়দের হাতে চিকিৎসকদের নিগ্রহ হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

১৪ জুন সকাল ৮:৪৫

জট কাটার কোনো ইঙ্গিতই নেই। বৃহস্পতিবার রাতভর বিক্ষোভ হয়েছে এনআরএস হাসপাতালে। তবে এনআরএসে জরুরী বিভাগ খুলেছে। কিন্তু রোগীর সংখ্যা কার্যত হাতে গোনা। এরই মধ্যে এনআরএসের চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে গোটা দেশে আজ চিকিৎসকদের কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে। এনআরএসের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থার সভাপতি বলেন,”স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে হিংসার প্রবণতা রয়েছে বিশ্ব জুড়ে। এই ধরনের ঘটনার নিন্দা করা উচিত। ভারতে সম্প্রতি যা ঘটেছে, তা কাম্য নয়। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনকে সমর্থন করছি।” সাধারণ সম্পাদকের কথায়, “স্বাস্থ্য পরিষেবা ক্ষেত্রে হিংসা প্রত্যাশিত নয়। এতে সুচিকিৎসা মেলে না। হাসপাতালকে হিংসামুক্ত করতে হবে। সবরকম নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার। হাসপাতালে কোনওরকম হিংসা কাম্য নয়।”

এ দিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চিকিৎসকদের গণইস্তফা সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলেছে। বৃহস্পতিবার গণ ইস্তফার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সিউড়ি হাসপাতালের ৬৭জন চিকিৎসক। একই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আলিপুরদুয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরাও।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here