Connect with us

রাজ্য

সাত দিন পর অবশেষে উঠল ডাক্তারদের কর্মবিরতি

ওয়েবডেস্ক: এক সপ্তাহ পর অবশেষে উঠে গেল জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি। এই ঘটনাক্রমের যাবতীয় লাইভ আপডেট দেখুন এখানে।

==========================================

১৭ জুন, সাড়ে ৮টা

সাত দিন পর উঠে গেল জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি। ডাক্তারদের মারধর করা যাবে না, স্পষ্ট করে দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

১৭ জুন সন্ধ্যা ৭:৫০

এই মুহূর্তে এনআরএস জিবি বৈঠক চলছে। এই বৈঠকের পরেই উঠতে চলেছে কর্মবিরতি। ইতিমধ্যে পরিবহকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।

১৭ জুন সন্ধ্যা ৬টা

কিছুক্ষণের মধ্যেই উঠে যেতে চলেছে কর্মবিরতি। প্রতিনিধিরা এনআরএসে পৌঁছলে তবে সরকারি ভাবে ঘোষণা করা হবে সিদ্ধান্ত।

১৭ জুন, বিকেল ৫:৪০

নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী-জুনিয়র ডাক্তার বৈঠক শেষ

১৭ জুন, বিকেল ৫:১৫

নবান্নে বৈঠক চলছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জুনিয়র ডাক্টারদের মধ্যে। রাজ্য তো বটেই, এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। ইতিমধ্যে জুনিয়র ডাক্তাররা বেশ কিছু প্রস্তাব মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রেখেছেন। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীও জুনিয়র ডাক্তারদের নিরাপত্তার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা বলেছেন।

**** ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডে কোলাপ্সবল গেট লাগানো হবে

**** রোগীর দু’জন পরিজনের বেশি যাতে এমার্জেন্সি ওয়ার্ডে না ঢুকতে পারে, সেটা নিশ্চিত করা হবে

**** কারো মৃত্যু হলে সেটা সঠিক পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে জানাতে হবে

**** রাতে পুলিশ নিয়োগ করা হবে।

১৭ জুন বিকেল ৩.০৫

বৈঠকের লাইভ কভারেজের দাবি মুখ্যমন্ত্রী মেনে নেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর জুনিয়র ডাক্তাররা বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছেন। তাঁদের প্রতিনিধিরা এখন নবান্নের পথে।

১৭ জুন দুপুর ২-৫৫

শেষ পর্যন্ত প্রতিবাদী ডাক্তারদের দাবি মেনে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলনরত ডাক্তাররা চেয়েছিলেন, নবান্নে সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক মিডিয়ার উপস্থিতিতে ক্যামেরার সামনে প্রকাশ্যে হোক। মুখ্যমন্ত্রী এই দাবি গোড়ায় মানেননি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই দাবি মেনে নিয়েছেন বলে নিউজ১৮ জানিয়েছে।  

এন আর এস মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তারদের উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে বলেছেন, “রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব মেডিক্যাল এডুকেশনের ডিরেক্টরের মাধ্যমে আমাকে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন যে, নবান্নে আপনাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর যে বৈঠক হওয়ার কথা আছে তার লাইভ কভারেজে তিনি সম্মতি জানিয়েছেন।”

১৭ জুন দুপুর ১টা

এবার কি অচলাবস্থা কাটতে চলেছে। জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দিল স্বাস্থ্যভবন

১৭ জুন, বেলা ১২টা

একবার জট খোলার সম্ভাবনা তৈরি হলেও, ফের আরও বেশি করে জট তৈরি হয়ে যাচ্ছে। প্রথমে মনে করা হচ্ছিল সোমবার বিকেল ৩টেয় নবান্নে বৈঠকের মধ্যে দিয়ে অচলাবস্থা কাটতে চলেছে, কিন্তু সেটা আবার বিশ বাঁও জলে। এই প্রসঙ্গে জুনিয়র ডাক্তার প্রকাশিত সর্বশেষ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কাল থেকে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে আজ দুপুরে বৈঠক। কিন্তু কীসের বৈঠক? কে ডেকেছেন? আমরা তো কিছুই জানি না। আমাদের কাছে কোনো প্রেস বিবৃতি বা অফিসিয়াল ইনভিটেশন আসেনি। কোনো চিঠি পাইনি আমরা। আমরা আমাদের দাবিতে অনড়, নবান্নের বন্ধ ঘরে কোনো বৈঠক হবে না।”

১৭ জুন, সকাল ৯টা

সোমবার দুপুর ৩টের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। তখনই নবান্নে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৪টি মেডিক্যাল কলেজের মোট ২৮ জন প্রতিনিধি এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও এই বৈঠকে থাকতে পারেন রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তা-সহ একাধিক সরকারি আধিকারিক।

১৬ জুন, রাত ১০টা

মিডিয়ার উপস্থিতিতে ক্যামেরার সামনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসার যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রতিবাদী জুনিয়ার ডাক্তাররা, তাতে রাজি নয় সরকার। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্টে জানা গেছে, জুনিয়ার ডাক্তারদের প্রস্তাবমতো মিডিয়ার উপস্থিতিতে বৈঠকে আপত্তি আছে সরকারের।

১৬ জুন, বেলা ৩.৪৫টা

শেষ হল এনআরএসে জুনিয়র ডাক্তারদের জেনারেল বডির বৈঠক। সাংবাদিক বৈঠকে আন্দোলনকারীরা জানান, “মুখ্যমন্ত্রী আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। গত শনিবার তাঁর সাংবাদিক বৈঠকের পর আমরা আজ বৈঠকে বসেছিলাম। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরা চাই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসতে। তবে সেটা বন্ধ ঘরে নয়। সেটা হোক মিডিয়ার সামনে জনসমক্ষে। স্থান তিনিই স্থির করে দিন। আমরা চাই সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবা অব্যাহত রাখতে দ্রুত কাজে যোগ দিতে। আমরা আশাবাদী, তিনি আমাদের দাবিকে মান্যতা দেবেন”। আরও পড়ুন এখানে ক্লিক করে

১৬ জুন, বেলা সাড়ে তিনটে

এনআরএসে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের জেনারেল বডির বৈঠক চলছে। বৈঠকে রয়েছেন এনআরএসের অধ্যক্ষ-সহ অন্যান্য মেডিক্যাল কলেজের প্রতিনিধিরা। রয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ শিক্ষা অধিকর্তাও। সূত্রের খবর, বৈঠকে স্থির হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি তাঁরা। ওই বৈঠকে থাকতে হবে রাজ্যপালকেও। তবে বৈঠক নবান্নে নয়, অন্য কোথাও আয়োজনের দাবি থাকতে পারে।

১৬ জুন, বেলা সাড়ে ১১টা

রবিবার সকালে আবারও আলোচনায় বসতে চলেছেন এনআরএস-এর আন্দোলনকারীরা। জুনিয়র চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, একাধিক বিষয়ে আলোচনা করা হবে আজকের মিটিং-এ। পাশাপাশি রাজ্য মনে করছে, আজকের পরই আন্দোলনের ভবিষ্যত কিছুটা স্পষ্ট হতে পারে। এনআরএস, নবান্ন নাকি অন্য কোথাও আলোচনা তাও জানা যেতে পারে বলেই মনে করছেন বিভিন্ন মহল।

১৬ জুন, সকাল ৯টা

ষষ্ঠ দিনে পড়ল জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি। এখনও রফাসুত্রের কোনো ইঙ্গিত নেই।

১৫ জুন, সন্ধ্যা ৬টা

চিকিৎসকদের কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের হাজার হাজার রোগীর কথা ভেবে অবিলম্বে কাজে যোগ দিতে বললেন তিনি

১৫ জুন, বিকেল ৫টা

পাঁচ সিনিয়র চিকিৎসককে নিয়ে ফের নবান্নে বৈঠকে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্যে অচলাবস্থা কাটাতে উদ্যোগী হয়েছেন তিনি। নবান্ন সূত্রে খবর, এ দিন সন্ধ্যা ৬টায় সাংবাদিক বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৫ জুন, বিকেল ৪টে

নবান্নে যাচ্ছেন না সিনিয়র চিকিৎসকেরা। এনআরএসের আন্দোলনকারীরা নবান্নে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় তাঁরাও আর যাচ্ছেন না।

১৫ জুন, দুপুর সাড়ে ১২টা

এ বার চরম হুঁশিয়ারি দিলেন এমসের চিকিৎসকরা। বিস্তারিত পড়ুন এখানে

১৫ জুন, দুপুর ১২টা

অচলাবস্থা কাটাটে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএমএ) প্রতিনিধি দল। বৈঠকে থাকতে পারেন সর্বভারতীয় সভাপতি শান্তনু সেন। জানা যাচ্ছে, জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি নিয়ে আলোচনা করা হবে এই বৈঠকে।
এরপর আন্দোলনকারীদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন আইএমএর প্রতিনিধিরা। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবরে দুপুরেই হবে সেই বৈঠক।

১৫ জুন, সকাল সাড়ে দশটা

পাঁচ দিনের পড়ল জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি। জরুরী বিভাগ খোলা থাকলেও, এখনও বন্ধ আউটডোর। এরই মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছেন আন্দোলনকারীরা। নবান্নে না যাওয়ার কথা ঘোষণা করলেও, নতুন করে এই বৈঠক অন্য কিছু ইঙ্গিত দিচ্ছে কি? নবান্নে জুনিয়র ডাক্তাররা যাবেন কি না, ঠিক হবে এই বৈঠকে।

১৪ জুন, রাত ১০টা

মুখ্যমন্ত্রীর ডাক ফিরিয়ে দিলেন আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁরা বলেছেন, নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকেই তাঁদের কাছে আসতে হবে আলোচনার জন্য।

১৪ জুন, রাত সাড়ে ৮টা

এনআরএস-এ যান রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা। এর পরই মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় থেকে ফোন যায় আন্দোলনকারীদের কাছে। তাঁদের নবান্নে ডেকে পাঠানো হয়। জানা গিয়েছে, আগামী শনিবার বিকেল ৫টায় বৈঠক হতে পারে। আন্দোলনকারীদের চার প্রতিনিধিকে ডেকে পাঠানো হয়েছে বৈঠকে।

১৪ জুন, সন্ধ্যে সাড়ে ৬টা

নবান্নে সিনিয়র ডাক্তারদের ডেকে পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে নবান্নে যাচ্ছেন পাঁচ বিশিষ্ট চিকিৎসক। রয়েছেন সুকুমার মুখোপাধ্যায়, এম এল সাহা, অলকেন্দু ঘোষ, অভিজিত চৌধুরীরা।

১৪ জুন, সন্ধ্যে ৬টা

এনআরএস-কাণ্ডের জেরে রাজ্যের প্রায় সমস্ত মেডিক্যাল কলেজে গণইস্তফা জারি রয়েছে। এরই মধ্যে এসএসকেএম হাসপাতালের চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত আরও সংকটে ফেলে দিল স্বাস্থ্য পরিষেবাকে। হাসপাতালের তরফে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে জানানো হল, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত ঘোষিত না-হলে এসএসকেএমের সমস্ত চিকিৎসক ইস্তফা দেবেন। উল্লেখ্য, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, এসএসকেএমের ১৭৫ জন চিকিৎসক ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন।

১৪ জুন, বিকেল সাড়ে ৪টে

এনআরএস থেকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ পর্যন্ত মিছিলে পা মেলালেন কয়েক হাজার মানুষ। মিছিলে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। তবে শুধু চিকিৎসক নন, এই মিছিলে অংশ নিয়েছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। চিকিৎসক নিগ্রহের প্রতিবাদে মিছিলে শামিল হয়েছেন অপর্ণা সেন, বিনায়ক সেন, সুজাত ভদ্র, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, অনুপম রায়, রূপম ইসলাম প্রমুখ। তাঁদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলুন।

১৪ জুন, বিকেল ৪টে

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন নির্মল মাজি। বর্তমানে তিনি রাজ্যের মন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিলের সভাপতি। মেডিক্যালে গিয়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলতে ঢুকতেই বাইরে আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। কোনো রকমে পিছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে পুলিশের হস্তক্ষেপে হাসপাতাল চত্বর ছাড়েন নির্মল। এর আগে গত মঙ্গলবার এনআরএসে গিয়েও একই ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে।

১৪ জুন, বেলা ৩.৩৫

সাংবাদিক বৈঠকে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের পাশে থাকার বার্তা দিল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)। এ দিন সংগঠনের তরফে জানানো হয়, “চিকিৎসকদের মারধর অনৈতিক। এনআরএসের আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে রয়েছে আইএমএ। আমাদের সংগঠনের অধীনে সাড়ে তিন লক্ষ চিকিৎসক রয়েছেন। তাঁরা প্রত্যেকে পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসকদের পাশে রয়েছেন”।

১৪ জুন, বেলা ৩টে

“এনআরএস-এর আন্দোলনে বহিরাগতরা রয়েছে, তার প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে”, কাঁচরাপাড়ায় কর্মিসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৪ জুন, দুপুর ২:৫০

গণইস্তফার পালা এনআরএসেও। বিভিন্ন দফতর থেকে মোট ৬৯জন চিকিৎসক ইস্তফা দিয়েছেন।

১৪ জুন, দুপুর ১:৫০

এনআরএস কাণ্ডের প্রতিবাদে ইস্তফার পালা চলছে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ৮২ জন চিকিৎসক। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালেও ইস্তফা দেওয়া হয়েছে। পদত্যাগ করেছেন মেডিকেল কলেজের মনোরোগ বিভাগের প্রধান ডক্টর নির্মল বেরা ও মনোরোগ বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডক্টর উত্তম মজুমদার।

১৪ জুন, দুপুর ১টা

“আপনি রোগীদের পাশাপাশি ডাক্তারদেরও মুখ্যমন্ত্রী। একবার ওদের কাছে এসে ওদের সঙ্গে কথা বলুন।” এনআরএসে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে এ ভাবেই বিশেষ আবেদন করলেন অপর্ণা সেন। তিনি আরও বলেন, ”
আপনি ওঁদের অভিভাবক, ওঁদের সমস্যাটা বোঝার চেষ্টা করুন। খুব ভালো ছাত্রছাত্রী না হলে, ডাক্তার হওয়া যায় না। ওরা যদি চলে যায়, তা হলে কি পশ্চিমবঙ্গের পক্ষে ভালো হবে?” অপর্ণা সেনের পাশাপাশি এ দিন এনআরএসে যান কৌশিক সেনও।

পাশাপাশি গণইস্তফার ঘটনাও অব্যাহত। শুক্রবার সকালে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজেও একাধিক চিকিৎসকের ইস্তফা দেওয়া খবর পাওয়া গিয়েছে।

১৪ জুন, দুপুর সাড়ে বারোটা

আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে দাঁড়াতে এনআরএসে গেলেন কৌশিক সেন, অপর্ণা সেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গতকালের অবস্থান নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন অপর্ণা।

১৪ জুন, দুপুর বারোটা

এনআরএস কাণ্ডের প্রতিবাদে শামিল হয়েছে গোটা দেশ। দিল্লি, জয়পুর, মুম্বই, নাগপুর, বিভিন্ন জায়গা থেকেই প্রতিবাদের খবর পাওয়া যাচ্ছে। দেখে নিন কোথায় কী ভাবে প্রতিবাদ হচ্ছে।

কেরলের তিরুঅনন্তপুরমে প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন আইএমএর সদস্যরা।

রাজস্থানের জয়পুরে কালো ব্যাজ করে রোগী দেখছেন চিকিৎসকরা।

মহারাষ্ট্রের নাগপুরে ‘সেভ দ্য সেভিয়র’ এবং ‘স্ট্যান্ড উইথ এনআরএসএমসিএইচ’ পোস্টারে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন চিকিৎসকরা।

‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগান তুলে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন রায়পুরের চিকিৎসকরা।

১৪ জুন, সকাল সাড়ে ১১টা

এনআরএস কাণ্ডের ছায়া এ বার এমআর বাঙুর হাসপাতালে। ‘গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর’ অভিযোগে জুনিয়র ডাক্তারদের উপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ উঠল মৃতের পরিজনদের বিরুদ্ধে। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, টালিগঞ্জের বাসিন্দা বছর পঞ্চান্নর মোহন ঘোড়ুই বৃহস্পতিবার সন্ধে নাগাদ শ্বাসকষ্ট নিয়ে এম আর বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি হন। এর পর রাত ৯টা নাগাদ মারা যান মোহন বাবু। এর পরেই জুনিয়র ডাক্তারদের ঘিরে ধরে রোগীর আত্মীয়রা। যদিও কোনো গাফিলতি ছিল না বলেই সাফ দাবি চিকিৎসকদের।

১৪ জুন, সকাল ১০:৪৫

স্বস্তির খবর সিউড়িতে। শুক্রবার সকালে গণইস্তফার সিদ্ধান্ত বদল করেছেন সিউড়ি হাসপাতালের ৬৭ জন চিকিৎসক। ফলে ক্রমশ স্বাভাবিক হচ্ছে চিকিৎসা পরিষেবা। অন্য দিকে কালো ব্যাজ করে অন্য রকম প্রতিবাদে শামিল আলিপুরদুয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

১৪ জুন, সকাল ১০:৪০

এনআরএস কাণ্ডের প্রতিবাদে দেশ জুড়ে বিক্ষোভ চিকিৎসকদের। দিল্লিতে পথে নেমেছেন এমসের চিকিৎসকরা। পাশাপাশি মিছিল করছেন সফদরজং হাসপাতালের চিকিৎসকরাও।

১৪ জুন, সকাল ১০টা

বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে জরুরী বিভাগ খুলেছে। তবে চিকিৎসকের সংখ্যা হাতে গোনা। এই কারণে সমস্যায় পড়ছেন রোগীরা। কিন্তু এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে বাঙুর হাসপাতালে রোগীর আত্মীয়দের হাতে চিকিৎসকদের নিগ্রহ হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

১৪ জুন সকাল ৮:৪৫

জট কাটার কোনো ইঙ্গিতই নেই। বৃহস্পতিবার রাতভর বিক্ষোভ হয়েছে এনআরএস হাসপাতালে। তবে এনআরএসে জরুরী বিভাগ খুলেছে। কিন্তু রোগীর সংখ্যা কার্যত হাতে গোনা। এরই মধ্যে এনআরএসের চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে গোটা দেশে আজ চিকিৎসকদের কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে। এনআরএসের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থার সভাপতি বলেন,”স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে হিংসার প্রবণতা রয়েছে বিশ্ব জুড়ে। এই ধরনের ঘটনার নিন্দা করা উচিত। ভারতে সম্প্রতি যা ঘটেছে, তা কাম্য নয়। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনকে সমর্থন করছি।” সাধারণ সম্পাদকের কথায়, “স্বাস্থ্য পরিষেবা ক্ষেত্রে হিংসা প্রত্যাশিত নয়। এতে সুচিকিৎসা মেলে না। হাসপাতালকে হিংসামুক্ত করতে হবে। সবরকম নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার। হাসপাতালে কোনওরকম হিংসা কাম্য নয়।”

এ দিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চিকিৎসকদের গণইস্তফা সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলেছে। বৃহস্পতিবার গণ ইস্তফার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সিউড়ি হাসপাতালের ৬৭জন চিকিৎসক। একই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আলিপুরদুয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরাও।

রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে নতুন নিম্নচাপ, তবুও এখনই টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে

সপ্তাহের শেষের দিকে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ওই সময়ে ঝাড়খণ্ড লাগোয়া দক্ষিণবঙ্গে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে পারে।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রবিবার বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) তৈরি হচ্ছে নতুন নিম্নচাপ। কিন্তু তার খুব একটা প্রভাব দক্ষিণবঙ্গে পড়বে না। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টি হলেও, মোটের ওপরে বিক্ষিপ্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিই হবে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে।

এই সপ্তাহের শুরুতে যে নিম্নচাপটির দৌলতে দক্ষিণবঙ্গে মোটের ওপরে ভালোই বৃষ্টি হল, সেটি তৈরি হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ঘেঁষে। কিন্তু রবিবার নিম্নচাপটি তৈরি হবে দক্ষিণ ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল ঘেঁষে। ফলে নিম্নচাপটির মূল বৃষ্টি ওড়িশা আর মধ্য ভারত নিজের দিকে টেনে নেবে।

তবে দক্ষিণবঙ্গ যে একদম বঞ্চিত থাকবে, সেটাও নয়। নিম্নচাপটির দৌলতে মেঘলা আকাশ থাকবে। ফলে গত সপ্তাহে কয়েক দিন যে প্রবল অস্বস্তিকর গরম দক্ষিণবঙ্গে পড়েছিল, সে রকম পরিস্থিতি তৈরি নাও হতে পারে।

আগামী দু’দিন বিক্ষিপ্ত ভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই মেদিনীপুর আর ঝাড়গ্রাম জেলায়। কলকাতা-সহ অন্য জেলাগুলিতে বৃষ্টি হতে হালকা থেকে মাঝারি।

তবে সামনের সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমা জানাচ্ছে, মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে মুর্শিদাবাদ, নদিয়া প্রভৃতি জেলায়। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি দাপট ফের বাড়তে পারে পশ্চিমের জেলাগুলিতে।

সপ্তাহের শেষের দিকে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ওই সময়ে ঝাড়খণ্ড লাগোয়া দক্ষিণবঙ্গে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে পারে। ওই ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই এই বৃষ্টি হতে পারে।

অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে আগামী কয়েকদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির অভাবে গত কয়েক দিন উত্তরবঙ্গে প্রবল গরম পড়েছিল। সেই গরম থেকে এখন কিছুটা রেহাই মিললেও, বৃষ্টি বাড়ার ফলে আবার অন্য বিপদ দেখা দিতে পারে উত্তরবঙ্গে।

যদিও মঙ্গলবারের পর উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Continue Reading

জলপাইগুড়ি

গাছের ঝরা পাতা, ছোলায় বাজিমাত জলপাইগুড়ির শুভ্রা মণ্ডলের

ইতিমধ্যে ছোলার ওপর ভারতের মানচিত্র, পৃথিবীর মানচিত্র, চার্লি চ্যাপলিন থেকে শুরু করে জগন্নাথ-সুভদ্রা-বলরাম পর্যন্ত এঁকেছেন শুভ্রা।

অর্ণব দত্ত

বাংলার এই প্রান্তে প্রকৃতি অপূর্ব হলেও মানুষজন এখানে আজও বেশ কষ্ট করেই বাঁচে। সবুজ বন, দিগন্তে হারিয়ে যাওয়া মেঠো পথ, তাজা বাতাস দারিদ্র্য মোচন করে না। কিন্তু চোখের ওপর স্বপ্ন মেলে ধরে। সেই স্বপ্নের ডানায় ভর করে শৈশব থেকেই ছবি আঁকেন জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ঘুঘুডাঙার মেয়ে শুভ্রা মণ্ডল (Shuvra Mondal)।

ন্যাশনাল বুক অব রেকর্ডস (National Book of Records) এবং ইন্টারন্যাশনাল বুক অব রেকর্ডস (International Book of Records) নামে দু’টি সংস্থা কলেজছাত্রী শুভ্রার প্রতিভাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ছোলার ডালের ওপর এক মিনিটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতি এঁকে রেকর্ড করেছেন শুভ্রা।

গাছের পাতায় বিদ্যাসাগর।

জলপাইগুড়ির প্রসন্নদেব মহিলা মহাবিদ্যালয়ে তৃতীয় বর্ষে ইংরেজি নিয়ে পড়ছেন শুভ্রা। বাড়ি থেকে দেড় ঘণ্টার পথ পেরিয়ে কলেজে যেতে হয়। 

শুভ্রা জানালেন, ক্লাস ফাইভ থেকে এইট পর্যন্ত ছবি আঁকা শিখেছেন। এর পর পড়াশোনার চাপে ছবি আঁকা শেখা ছেড়ে দেন। ছবি আঁকা না শিখতে পারার আরও এক অন্যতম কারণ ছিল অর্থাভাব। 

গ্রামেই বাবার একটি স্টেশনারি দোকান রয়েছে। শুভ্রার মা শিখাদেবী বললেন, “ওর বাবার দোকানটা তখন খুবই ছোট। টাকাপয়সার টানাটানি চলছিল। তাই ছবি আঁকাটা শেখাতে পারিনি।”

ছোলায় চার্লি চ্যাপলিন।

শুভ্রাও এক কথায় ছবি আঁকা ছেড়ে দিয়েছিলেন। লেখাপড়া নিয়েই দিন কাটছিল। বাবার দোকান এখন আগের তুলনায় চলনসই। বোন পায়েল আগামী বছর উচ্চ মাধ্যমিক দেবে। বাবার আয়ের ওপরই গোটা সংসারটা নির্ভর করছে।

অর্থাভাবে ছবি আঁকা ছেড়ে দিলেও তাই অভিমান হয়নি শুভ্রার। লকডাউন শুভ্রাকে ফের নতুন করে পুরোনো ভালোবাসা প্রসঙ্গে ভাবিয়েছে।

শুভ্রা বললেন, “লকডাউনে টানা কলেজের ছুটি। ভাবলাম ছবি আঁকি। কাগজ আর রং কিনে ছবি আঁকা এখন সম্ভব না। তাতে বাবার ওপর চাপ পড়বে। এ দিকে ইচ্ছাটাও বাড়ছিল। তাই গাছের ঝরে পড়া পাতার ওপর ছবি আঁকতে শুরু করলাম। বট, অশ্বত্থ, কদমপাতার ওপর বল পেন দিয়ে এঁকেছি। এর পর ব্লেড দিয়ে কেটে নিয়েছি। আকাশের আলোর দিকে পাতাটা রাখলে ছবিটা পরিষ্কার দেখতে পাবেন।”

পৃথিবীকে সবুজময় করার আহ্বান।

এ ভাবে কাগজ কেটে শুভ্রা বানিয়েছেন মনীষীদের অবয়বও।

শুভ্রা বললেন, “লকডাউনে একঘেয়েমি কাটাতে ঠিক করি মাইক্রোআর্টের কাজ করব। প্রথমে বাদামের ওপর রবীন্দ্রনাথ আঁকতে চেয়েছিলাম। কিন্তু হচ্ছিল না। বরং বাদামগুলো আমিই খেয়ে নিচ্ছিলাম। তার পর ছোলার ওপর চেষ্টা করে সফল হলাম।”

ন্যাশনাল বুক অব রেকর্ডস এবং ইন্টারন্যাশনাল বুক অব রেকর্ডস শুভ্রার নাম রেকর্ডধারী হিসেবে নথিভুক্ত করে তাঁকে সার্টিফিকেট পাঠিয়েছে চলতি লকডাউন পর্বেই। 

ইতিমধ্যে ছোলার ওপর ভারতের মানচিত্র, পৃথিবীর মানচিত্র, চার্লি চ্যাপলিন থেকে শুরু করে জগন্নাথ-সুভদ্রা-বলরাম পর্যন্ত এঁকেছেন শুভ্রা। শুভ্রা জানালেন, পুরো কাজটাই তিনি খালি চোখে করছেন। মাইক্রোস্কোপের সাহায্য নেননি। আর এঁকেছেন বল পেনে।

ছোলায় বিশ্ব, ভারত ও পশ্চিমবঙ্গ।

মা শিখাদেবী মেয়ের ভূয়সী প্রশংসা করলেন। তিনি বললেন, “শুভ্রা ছোটোবেলা থেকে পড়াশোনাতেও ভালো। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক দু’টো পরীক্ষাতেই ভালো ফল করেছিল। খরচ জোগাতে পারব না বলে বিজ্ঞান পড়াতে পারিনি।”

এ সব নিয়ে কোনো খেদ নেই শুভ্রার। বরং ছবি আঁকা আর মাইক্রোআর্টের কাজ চালিয়ে যেতে চান। ভবিষ্যতে শিক্ষিকা হওয়ার স্বপ্ন আছে শুভ্রার।

Continue Reading

রাজ্য

টেস্ট বাড়লেও অল্প কমল নতুন আক্রান্তের সংখ্যা, রাজ্যে কমল মৃত্যুর হারও

খবরঅনলাইন ডেস্ক: টেস্টের সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও বৃহস্পতিবারের থেকে শুক্রবার রাজ্যে নতুন কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমল। সুস্থতার হার অপরিবর্তিত রয়েছে। সেই সঙ্গে কিছুটা কমল মৃত্যুর হার।

রাজ্যের করোনা-তথ্য

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৯১২ জন। এর ফলে রাজ্যে এখন মোট করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৯,৬৬৬। ৫২ জনের মৃত্যু হওয়ায় রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১,৯৫৪। মৃত্যুহার বর্তমানে ২.১৭ শতাংশে নেমে এসেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ২,০৩৭ জন। এর ফলে এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৩,০৬০ জন। রাজ্যে বর্তমানে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২৪,৬৫২। রাজ্যে সুস্থতার হার বর্তমানে রয়েছে ৭০.৩৩ শতাংশ।

কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী জেলার পরিস্থিতি স্থিতিশীল

কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী চার জেলার করোনা পরিস্থিতি মোটের ওপরে স্থিতিশীলই রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭৫ জন। এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৫৯৭ জন।

কলকাতায় এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৬,৫৫৭। সুস্থ হয়েছেন ১৮,৭০৬। মৃত্যু হয়েছে ৯০৭ জনের। শহরে বর্তমানে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৬,৯৪৪ জন।

৫৭৩ জন নতুন করে আক্রান্ত হওয়ায় উত্তর ২৪ পরগণায় বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯,৩১৪। তবে এর মধ্যে এই জেলায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৩,২৫৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৪৪ জনের। এই জেলায় বর্তমানে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৫,৬১১ জন।

এ দিন দক্ষিণ ২৪ পরগণায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২০২ জন। অন্য দিকে হাওড়া আর হুগলিতে আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ২১৩ আর ২৩৯ জন। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে এ দিন রেকর্ড করেছে হুগলি।

মুর্শিদাবাদে আক্রান্ত শতাধিক

এই প্রথম এক দিনে একশো জন আক্রান্তের খোঁজ মিলল মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে। তার পড়শি নদিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯৮ জন। অন্যদিকে পূর্ব মেদিনীপুরে এ দিন আক্রান্ত হয়েছেন ১০৭ জন

অন্যদিকে পূর্ব বর্ধমান (৮১), পশ্চিম মেদিনীপুর (৬৪), পশ্চিম বর্ধমান (৫৯), বীরভূমেও (৫৬) আক্রান্তের সংখ্যায় বড়ো রকমের বৃদ্ধি এসেছে। বেশ কয়েকদিন পর কোনো রোগীর সন্ধান মেলেনি ঝাড়গ্রামে।

মালদা-কোচবিহারে ফের বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা

মালদা আর কোচবিহারে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৮ জন করে। দার্জিলিংয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩।

তবে স্বস্তির খবর যে উল্লিখিত তিনটে জেলা ছাড়া কোনো জেলাতেই আক্রান্তের সংখ্যায় বড়ো রকমের কোনো বৃদ্ধি আসেনি। দার্জিলিং ছাড়াও জলপাইগুড়ি আর কালিম্পংয়ে কমেছে সক্রিয় রোগী।

নমুনা পরীক্ষার তথ্য

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ২৫,২৫৮টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এর ফলে রাজ্যে মোট ১০ লক্ষ ৫৪ হাজার ৫০৯টি নমুনা পরীক্ষা হল। রাজ্যে বর্তমানে প্রতি দশ লক্ষ মানুষে ১১,৭১৭ জনের করোনা পরীক্ষা হচ্ছে।

রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের হার কিছুটা কমে ১১.৫৭ শতাংশ হয়েছে। বৃহস্পতিবার এটা ছিল ১১.৭১ শতাংশ।

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
রাজ্য1 min ago

বঙ্গোপসাগরে নতুন নিম্নচাপ, তবুও এখনই টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে

coronavirus
দেশ23 mins ago

অমিত শাহ, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পর কোভিডে আক্রান্ত আরও এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

বিনোদন46 mins ago

২৮দিন পর করোনা মুক্ত অভিষেক বচ্চন

দেশ47 mins ago

পাখির সঙ্গে সংঘর্ষ, উড়তে গিয়ে রাঁচি বিমানবন্দরে ফিরল এয়ারএশিয়ার বিমান

কলকাতা1 hour ago

অক্সিজেন সিলিন্ডার দিয়ে জানলার কাচ ভেঙে মেডিক্যালের কার্নিশে করোনা রোগী!

দেশ2 hours ago

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক লক্ষ কোটি টাকার কৃষি-কাঠামো তহবিল চালু করবেন রবিবার

দেশ3 hours ago

মুদি দোকানের মালিক-কর্মীদেরও পরীক্ষা করাতে হবে, রাজ্যগুলিকে চিঠি কেন্দ্রের

গাড়ি ও বাইক4 hours ago

করোনা মোকাবিলায় বিশেষ ভাবে তৈরি ‘ফার্স্ট রেসপন্ডার ভেহিকল’ তুলে দিল হিরো মোটোকর্প

রবিবারের খবর অনলাইন

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 days ago

ঘর ও রান্নাঘরের সরঞ্জাম কিনতে চান? অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ৫০% পর্যন্ত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্ক : অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ঘর আর রান্না ঘরের একাধিক সামগ্রিতে প্রচুর ছাড়। এই সেলে পাওয়া যাচ্ছে ওয়াটার...

কেনাকাটা2 days ago

এই ১০টির মধ্যে আপনার প্রয়োজনীয় প্রোডাক্টটি প্রাইম ডে সেলে কিনতে পারেন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : চলছে অ্যামাজনের প্রাইমডে সেল। প্রচুর সামগ্রীর ওপর রয়েছে অনেক ছাড়। ৬ ও ৭  তারিখ চলবে এই সেল।...

কেনাকাটা3 days ago

শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল, জেনে নিন কোন জিনিসে কত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্: শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল। চলবে ২ দিন। চলতি মাসের ৬ ও ৭ তারিখ থাকছে এই অফার।...

things things
কেনাকাটা1 week ago

করোনা আতঙ্ক? ঘরে বাইরে এই ১০টি জিনিস আপনাকে সুবিধে দেবেই দেবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে এবং বাইরে নানাবিধ সাবধানতা অবলম্বন করতেই হচ্ছে। আগামী বেশ কয়েক মাস এই নিয়মই অব্যাহত...

কেনাকাটা2 weeks ago

মশার জ্বালায় জেরবার? এই ১৪টি যন্ত্র রুখে দিতে পারে মশাকে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: একে করোনা তায় আবার ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হয়েছে। এই সময় প্রতি বারই মশার উৎপাত খুবই বাড়ে। এই বারেও...

rakhi rakhi
কেনাকাটা2 weeks ago

লকডাউন! রাখির দারুণ এই উপহারগুলি কিন্তু বাড়ি বসেই কিনতে পারেন

সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে মনের মতো উপহার কেনা একটা বড়ো ঝক্কি। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধান করতে পারে অ্যামাজন। অ্যামাজনের...

কেনাকাটা3 weeks ago

অনলাইনে পড়াশুনা চলছে? ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ৪০ হাজার টাকার নীচে ৬টি ল্যাপটপ

ইনটেল প্রসেসর সহ কোন ল্যাপটপ আপনার অনলাইন পড়াশুনার কাজে লাগবে জেনে নিন।

কেনাকাটা3 weeks ago

করোনা-কালে ঘরে রাখতে পারেন ডিজিটাল অক্সিমিটার, এই ১০টির মধ্যে থেকে একটি বেছে নিতে পারেন

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বুঝতে সাহায্য করে এই অক্সিমিটার।

কেনাকাটা3 weeks ago

লকডাউনে সামনেই রাখি, কোথা থেকে কিনবেন? অ্যামাজন দিচ্ছে দারুণ গিফট কম্বো অফার

খবরঅনলাইন ডেস্ক : সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে দোকানে গিয়ে রাখি, উপহার কেনা খুবই সমস্যার কথা। কিন্তু তা হলে উপায়...

laptop laptop
কেনাকাটা3 weeks ago

ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ২৫ হাজার টাকার মধ্যে এই ৫টি ল্যাপটপ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : কোভিভ ১৯ অতিমারির প্রকোপে বিশ্ব জুড়ে চলছে লকডাউন ও ওয়ার্ক ফ্রম হোম। অনেকেই অফিস থেকে ল্যাপটপ পেয়েছেন।...

নজরে

Click To Expand