দুই বিরোধী দলের প্রার্থী এক ব্যক্তিই, জানাজানি হতেই একটি মনোনয়ন প্রত্যাহার

0
1962
bjp-cpim

ওয়েবডেস্ক: পৃথক দলের জন্য পৃথক প্রার্থী কি কম পড়িয়াছিল?

হাওড়ার বাগনান-১ ব্লকের কল্যাণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে জমা পড়া প্রার্থী তালিকা নিয়ে উঠল তেমনই প্রশ্ন। ওই পঞ্চায়েতের মনোনয়ন তালিকায় বিজেপি এবং সিপিএম উভয় দলের প্রার্থী এক জন মহিলাই। যা জানাজানি হতেই তড়িঘড়ি সিপিএমের হয়ে জমা পড়া মনোনয়নটি প্রত্যাহার করার আবেদন জানিয়ে ফেললেন জ্যোৎস্না সেনাপতি। তবে এই ঘটনায় মুখে কুলুপ এঁটেঁছেন দু’দলেরই উচ্চ নেতৃত্ব।

যদিও এই ঘটনায় সব থেকে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে নির্বাচন আধিকারিকদের ভূমিকা। বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা করার পরে তাঁরা মনোনয়নগুলি খতিয়ে দেখেছেন। সেখানে কোনো রকমের ত্রুটি ধরা পড়েনি। দুই দলের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পেশ করেও উতরে গিয়েছেন জ্যোৎস্নাদেবী। প্রাথমিক ভাবে রাজনৈতিক দলগুলি তো বটেই, নির্বাচন মনোনয়ন খতিয়ে দেখায় যুক্ত আধিকারিকরাও জ্যোৎস্নাদেবীর দু’বার মনোনয়ন জমা নিয়ে টু-শব্দটি করেননি। তবে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর নির্বাচন আধিকারিকরা অনিচ্ছাকৃত ভুল হিসাবেই বর্ণনা করছেন।

স্থানীয় মানুষের বক্তব্য় থেকে জানা গিয়েছে, বাগনানের ওই এলাকায় জ্যোৎস্নাদেবীকে লোকে সিপিএম সমর্থক হিসাবেই চিনতেন। স্বাভাবিক ভাবে তিনি যদি সিপিএমের হয়ে মনোনয়ন জমা করে থাকেন, তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। কিন্তু বিকল্প ভাবে বিজেপির হয়ে মনোনয়ন দাখিল করতে গেলেন কেন, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছিল। তবে সিপিএমের হয়ে জমা করা মনোনয়নটি প্রত্য়াহার করে নেওয়ায়, তিনি বর্তমানে সরকারি ভাবে ওই আসনের বিজেপি প্রার্থী হিসাবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

আগামী সোমবার পঞ্চায়েত-মনোনয়ন মামলার শুনানি হতে চলেছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। যেখানে রাজ্য নির্বাচন কমিশন আদালতকে যাবতীয় তথ্য জমা দিতে পারে। ফলে গত শুক্রবার জ্যোৎস্নাদেবী সিপিএমের হয়ে জমা করা মনোনয়নটি প্রত্য়াহার করে নেওয়ায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে তাঁকে সমস্যায় পড়তে হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here