nomination

কলকাতা: আগামী শনিবার বিকাল তিনটের মধ্যেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের কাজ শেষ করতে হবে রাজনৈতিক দলগুলিকে। তবে মনোনয়ন জমা করতে না পারার অভিযোগে সরব হওয়া বিরোধী দলগুলি এ বিষয়ে যতটা না ভাবিত, তার থেকে অনেকগুণ বেশি চিন্তায় পড়েছে শাসক দল।

প্রথমপর্বে মনোনয়ন স্ক্রটিনির পর তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছিল, অতিরিক্ত মনোনয়ন নিয়ে দল সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করেছে। বাড়তি মনোনয়ন প্রত্যাহারের ব্যাপারে দলীয় স্তরে বিশদ আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা মিটিয়ে নেওয়া হবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য আগামী ২৮ এপ্রিল নির্দিষ্ট করার পরেও অসংখ্য আসনে একাধিক তৃণমূল প্রার্থী বহাল তবিয়তে রয়ে গিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের কাছে থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যের ৮২৫টি জেলা পরিষদ আসনে তৃণমূলের মনোনয়ন জমা পড়েছে ১০০০টি। অর্থাৎ অতিরিক্ত মনোনয়নের সংখ্যা ১৭৫টি। আবার ৯২১৭টি পঞ্চায়েত সমিতি আসনে তৃণমূলের মনোনয়ন জমা রয়েছে ১২৫৯০টি। অর্থাৎ বাড়তি মনোনয়নের সংখ্যা ৩,৩৭৩টি। অন্য দিকে ৪৮৬৫০টি গ্রাম পঞ্চায়েতে ৫৮৯৭৮টি মনোনয়ন জমা পড়েছে তৃণমূলের তরফে। এই হিসাবে গ্রাম পঞ্চায়েতে বাড়তি মনোনয়নের সংখ্যা ১০,৩২৮টি।

এই মাত্রাতিরিক্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের কাজটি যে মোটেই সুবিধার নয়, তা শেষলগ্নে এসে ভালোই টের পাচ্ছেন শাসক দলের নেতারা। এক আসনে একাধিক তৃণমূল প্রার্থী রুখতে গিয়ে তৈরি হচ্ছে নির্দলের। যা ভোটবাক্সে বহুবিধ জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। আবার, নির্দলকে সমর্থনের ব্যাপারে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট বার্তা জানিয়ে দিয়েছেন। ফলে রাখলে যে বিপদ, ফেললেও সেই একই বিপদের মুখোমুখি হতে পারে তৃণমূল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here