কলকাতা: রীতি মেনেই চলছে মহানবমীতে দেবীর আরাধনা। দু’বছর পর মণ্ডপে-মণ্ডপে সেই চেনা ছবি। ও দিকে, মঙ্গলবার ভোর-সকাল থেকেই কলকাতা এবং শহরতলির মাংসের দোকানগুলিতেও উপচে পড়ল ক্রেতার ভিড়।

রাত পোহালেই মনখারাপের প্রহর শুরু। উমাকে বিদায় জানানোর বেলা। স্বভাবতই, হাতে যেটুকু সময় রয়েছে, পুজোর আনন্দে শামিল হতে কলকাতার রাজপথে ভিড় জমানোর শুরু। সকাল থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড় জমছে ঠাকুর দেখার। জেলাগুলোতেও একই ছবি।

হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস মতোই সকাল থেকেই রোদ ঝলমলে আকাশ। বৃষ্টির লেশমাত্র নেই। মাংসের দোকানগুলির সামনেও ঝলমল করছে ক্রেতার ভিড়।

নবমী মানেই তো পাঁঠার ঝোল মাস্ট! আর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ-যেন এক অলিখিত নিয়মই হয়ে উঠেছে। যাঁরা পাঁঠার মাংস খান না, তাঁরা মুরগির নানা পদ দিয়ে পাত সাজান। তবে অন্য বারের মতোই মুরগির মাংসের দোকানে ততটা ভিড় নেই। এ দিন কেজি প্রতি মুরগির মাংসের দাম ২২০-২৫০ টাকা। পাঁঠার মাংস কেজি প্রতি ৭২০-৮০০ টাকা

মাংসের দোকানের সামনে শ’য়ে-শ’য়ে লোকের লম্বা লাইন। রান্নাঘরের চাহিদা মেটাতে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হল কোনো কোনো ক্রেতাকে। এক ক্রেতা বললেন, গত দু’বছর ধরে করোনা পুজোর আনন্দ মাটি করলেও মাংসের দোকানের সামনে জনবিস্ফোরণের ছবি কখনোই অমিল ছিল না। এ বারেও তাই।

আরও পড়ুন: মহানবমীতে পেঁয়াজ, রসুন ছাড়া ‘নিরামিষ’ পাঁঠার মাংস

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন