কলকাতা: জাদুঘর চত্বরে এলোপাথাড়ি গুলি চালানোয় অভিযুক্ত সিআইএসএফের হেড কনস্টেবল অক্ষয় কুমার মিশ্র। একে-৪৭ দিয়ে সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান তিনি। ঘটনায় এক জনের মৃত্যু হয়েছে বলে এসএসকেএম হাসপাতাল সূত্রে খবর। গুলি চালনার ঘটনায় আরেক জন আহত হয়েছেন। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। কেন গুলি চালালেন ওই জওয়ান?

সূত্রের খবর, পুলিশের কাছে অক্ষয় দাবি করেছেন, দু’-আড়াই মাস ধরে ঊর্ধ্বতন অফিসারের হাতে হেনস্থার শিকার হচ্ছিলেন।

উল্লেখ্য, জাদুঘরের ভিতর আশুতোষ শতবার্ষিকী হলের কাছে রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ ক্যাম্প। শনিবার সন্ধ্যায় ডিউটি শেষ করে সেখানেই জড়ো হয়েছিলেন জওয়ানরা। সূত্রের দাবি, হঠাত্‍ই একে-৪৭ থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন হেড কনস্টেবল অক্ষয়। প্রায় ১৫ রাউন্ড গুলি চালান তিনি।

তাঁর গুলিতে মৃত্যু হয় সিআইএসএফ-এর এএসআই রঞ্জিতকুমার সারেঙ্গির। গুলিবিদ্ধ হন সুবীর ঘোষ নামে সিআইএসএফ-এর অ্যাসিন্ট্যান্ট কমান্ডান্টকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। ঘটনার পরই এলাকায় ছুটে আসে পুলিশ ও বিপর্যয়য় মোকাবিলা বাহিনী। আসেন কলকাতা পুলিশের কমিশনার। ঘিরে ফেলা হয় গোটা এলাকা।

প্রায় দেড় ঘণ্টার অপারেশন শেষে আটক করা হয় হামলাকারীকে। বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে শুরু অপারেশন ‘মোজো’। আততায়ীকে খুঁজে বের করতে শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি। প্রায় দেড় ঘন্টা তল্লাশি অভিযানের পর খোঁজ মেলে অভিযুক্তের। হাতে একে-৪৭ রাইফেল নিয়ে বসে ব্যারাক সংলগ্ন একটি ঘরে। ভেতরে তখন চলছে আত্মসমর্পণের আবেদন জানিয়ে পুলিশের মাইকিং। পুলিশের বিশেষ অভিযান দল তাঁর কাছে যেতেই অভিযুক্ত জওয়ানের কাছ থেকে আসে শর্ত। নিরস্ত্র হয়ে তাঁর কাছে যেতে হবে। প্রায় দেড় ঘণ্টার টানটান উত্তেজনা চলার পর, রাত ৮টা নাগাদ অভিযুক্তকে ধরে ফেলে পুলিশ। পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

আরও পড়তে পারেন:

ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকর, প্রতিপক্ষকে বিপুল ব্যবধানে হারিয়ে জয়

পুলিশের মারে একের পর এক মৃত্য়ুর অভিযোগ, দোষীদের শাস্তির দাবি গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা সমিতির

তৃণমূলের নির্দেশ অমান্য! উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন ২ সাংসদ

মোদী-মমতার বৈঠকের পর দিনই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে চলা নিম্নচাপই এখন ভরসা দক্ষিণবঙ্গের

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন