Connect with us

পশ্চিম বর্ধমান

কাজ করতে গিয়ে মেশিনে আটকে মৃত্যু শ্রমিকের, দুর্গাপুরে মর্মান্তিক ঘটনা

দুর্গাপুর: কাজ করতে গিয়ে মেশিনে আটকে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল এক শ্রমিকের। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের এক কারখানায়।

শুক্রবার রাতে ওই কারখানায় কাজ করার সময় মেশিনে আটকে যান প্রশান্ত বকুলি নামক এক শ্রমিক। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানে। এর পর সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

কারখানার কর্মচারীরা দেহ তাঁর দেহ আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ, ওই কারখানায় মালিকপক্ষের গাফিলতির জন্যই এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।

কর্মচারীদের অভিযোগ, বারবার জানানো সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় কোনো পদক্ষেপ নেয়নি মালিকপক্ষ। যদিও এই ঘটনায় কারখানার মালিকের কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কলকাতার সফরসূচিতে শেষ মুহূর্তে বদল

শনিবার সকাল পর্যন্ত মৃতের দেহ আটকে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন শ্রমিকরা। এর পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছোলে মৃতদহটি ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়ে।

কী ভাবে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে তার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। পাশাপাশি মালিকপক্ষের কোনো গাফিলতি ছিল কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

পশ্চিম বর্ধমান

কোয়ারান্টাইন সেন্টারকে কেন্দ্র করে পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধ, গুরুতর আহত ওসি

আসানসোল: কোয়ারান্টাইন সেন্টারকে কেন্দ্র করে খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে গেল পুলিশ আর জনতার মধ্যে। জনতার রোষের মুখে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন ওসি। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোলের (Asansol) জামুরিয়া থানার চারুলিয়া এলাকায়।

কিছু দিন আগেই ওই এলাকায় একটি কোয়ারান্টাইন সেন্টার খোলা হয়। সেই সেন্টারটিকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ ও গ্রামবাসীর মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।

উল্লেখ্য, আসানসোলের স্থানীয় প্রশাসন, ওই এলাকায় অবস্থিত যুব আবাসকে কোয়ারান্টাইন সেন্টার হিসেবে তৈরি করার পরিকল্পনা করে। মঙ্গলবার সকালে ১৪ জনকে ওই কেন্দ্রে রাখার জন্য নিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। এর জেরে তীব্র আপত্তি জানায় গ্রামবাসীরা।

এই কেন্দ্র থেকে করোনাভাইরাস (Coronavirus) ছড়িয়ে পুরো গ্রামে ছড়িয়ে পড়বে বলে দাবি করতে থাকেন গ্রামবাসীরা। পুলিশকর্মীরা বোঝাতে গেলে প্রথমে বচসা, ও তার পরে উত্তেজিত হয়ে জনতা ইট, রড, পাথর তো বটেই, গুলি-বোমা ছোড়ে বলেও অভিযোগ। এতেই আহত হন জামুরিয়া (Jamuria) থানার ওসি সুব্রত ঘোষ। শুধু তা-ই নয়, পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর চালায় গ্রামের বাসিন্দারা। অশান্তির আঁচ রয়েছে এখনও। ওই এলাকায় প্রচুর পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে’ দেশবাসীকে আশ্বাস দিলেন অমিত শাহ

ভয়ংকর পরিস্থিতির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোন আসানসোল পুরনিগমের মেয়র পারিষদ পূর্ণশশী রায়। ঘটনাস্থলে জখম পুলিশকর্মীদের উদ্ধার করে চিকিত্‍সার ব্যবস্থা করেন তিনি। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।

Continue Reading

পশ্চিম বর্ধমান

রাজ্যের একাধিক জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত, লকডাউনেও বাড়ির বাইরে আতঙ্কিত মানুষজন

খবর অনলাইনডেস্ক: করোনাভাইরাসের (Coronavirus) আতঙ্কের মধ্যেই হানা দিল ভূমিকম্প (Earthquake)। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল।

বুধবার সকাল সাড়ে এগারোটার একটু আগে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে বড়ো এলাকা জুড়ে এই কম্পন অনুভূত হয়। বাঁকুড়া (Bankura), পুরুলিয়ার (Purulia) একাধিক জায়গার পাশাপাশি ভূমিকম্পে দুলে ওঠে দুর্গাপুর (Durgapur), আসানসোলও (Asansol)।

লকডাউনের (Lockdown) জেরে সাধারণ মানুষ এখন ঘরবন্দি। কিন্তু এরই মধ্যে ভূমিকম্প হওয়ায় বাধ্য হয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতে হয় সবাইকে। কিছুক্ষণ পর আতঙ্ক কাটিয়ে আবার ধীরে ধীরে বাড়িতে ঢুকতে শুরু করে মানুষজন।

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (National Centre for Siesmology) জানাচ্ছে, এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল বাঁকুড়ার শালতোড়া (Shaltora)। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.১। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৫ কিমি নীচে অনুভূত হয়েছে এই কম্পন। অর্থাৎ এটিকে মৃদু কম্পনই বলা চলে।

আরও পড়ুন দাউ দাউ করে জ্বলছে শুশুনিয়া পাহাড়

উল্লেখ্য, গত এক বছরে বাঁকুড়া, পুরুলিয়ায় একাধিক বার মৃদু ভূমিকম্প হয়েছে। এমনিতে ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত নয় রাঢ়বঙ্গ। কিন্তু গত এক বছরে এই অঞ্চলের কম্পনের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা।

Continue Reading

পশ্চিম বর্ধমান

৭ দিন ধরে জ্বর কমছিল না, করোনা-আতঙ্কে আত্মঘাতী দুর্গাপুরের ব্যক্তি

Dead Body

দুর্গাপুর: সাত দিন ধরে জ্বর কমছিল না। ফলে করোনাভাইরাস সংক্রামিত হয়েছেন ধরে নিয়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের এক ব্যক্তি। পরিবার সূত্রে খবর, সেই হতাশা কাটিয়ে উঠতে না পেরে শেষমেশ আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি।

ঘটনায় প্রকাশ, দুর্গাপুরের অন্ডালের উখড়ার মাঝপাড়ার ওই বাসিন্দা গত সপ্তাহখানেক ধরেই জ্বরে ভুগছিলেন। কিছুতেই তাঁর জ্বর কমছিল না। কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন ধরে নিয়ে নিজেকে পরিবারের থেকে সরিয়ে নেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি ক্লাবঘরে থাকছিলেন তিনি।

গতকাল রাতে নিজের বাড়ি ফিরে আসেন ওই ব্যক্তি। এর পর সেখানেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন ওই ব্যক্তি। যদিও তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জ্বরে আক্রান্ত হওয়া, না কি অন্য কিছু, সে সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।

তবে পরিবারের দাবি,বেশ কয়েকদিন ধরে টানা জ্বরে ভুগতে থাকায় তিনি মনমরা হয়ে পড়েছিলেন। স্বাভাবিক ভাবেই হতাশাগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলেই অনুমান করা হচ্ছে।

এমনিতে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে ১০ জনের মধ্যে। সারা দেশে সংখ্যাটি সাড়ে ছ’শোরা কাছাকাছি। সংক্রমণ রুখতে সারা দেশে লকডাউন চলছে। অন্য দিকে সংক্রামিতদের চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দিতে কেন্দ্র-রাজ্য উভয়েই একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

আরও পড়ুন: এটিএমে টাকা তোলার সময় করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে এসবিআইয়ের ৭টি টিপস

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। তিনি একাধিক বার সাধারণ মানুষকে আশ্বস্থ করে বলেছেন, জ্বর মানেই করোনা নয়। জ্বর হলে চিকিৎসক অথবা হাসপাতালে যান।

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং