জলপাইগুড়ি, নিজস্ব সংবাদদাতা : আসামি ধরতে গিয়ে মার খেল পুলিশ। আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়া হল পুলিশের হাত থেকে। জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ ব্লকের মোহানপাড়ার ঘটনা।   

চার মাস আগে মৃত্যু হয় গৃহবধূ মঞ্জিনা বেগমের। পণের দাবি না মেটায় তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে বধূর পরিবারের তরফে। তাঁর স্বামী তবার হুসেনকে গ্রেফতারও করা হয়। কিন্তু পলাতক ছিলেন মৃতার ভাশুর আব্বাস আলি।

মঙ্গলবার রাতে আব্বাস আলিকে গ্রেফতার করতে গ্রামে যায় রাজগঞ্জ থানার পুলিশ। সেই সময় এলাকার বাসিন্দারা তাঁদের ঘিরে ধরে। লাঠি, রড দিয়ে মারতে শুরু করে পুলিশকে। আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্তের পরিবারের লোকজন। বেগতিক দেখে প্রাণ বাঁচিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে আসেন আহত পুলিশকর্মীরা। স্থানীয় মগরাডাঙ্গি হাসপাতালে চার পুলিশকর্মীকে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়।

এর পর সে রাতেই বিশাল পুলিশবাহিনী ও র‍্যাফ ঘটনাস্থলে যায়। অভিযোগ, সেই সময় গ্রামের বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর চালায় তারা। বাড়িতে ঢুকে মারধর করা হয় মহিলা ও শিশুদের। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাজগঞ্জ থানার ওসি সনাতন সিংহ।

jalpaiguri-1

পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে চার জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। পলাতক বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাসি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন, জলপাইগুড়ির ডিএসপি হেডকোয়ার্টার মানবেন্দ্র দাস। যাকে ধরতে গিয়ে এত কাণ্ড, খোঁজ চলছে তারও।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here