police-attacked by BJP Worker

খড়গপুর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভায় যাওয়ার পথে খড়গপুরে পুলিশকর্মীদের পেটানোর অভিযোগ উঠল বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে। ঘটনায় খড়গপুর গ্রামীণ থানার ওসি-সহ আট জন জখম হন।

বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, পুলিশ ইচ্ছাকৃত ভাবে তাদের গাড়ি আটকে দিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রচুর পরিমাণে বাস, ট্রাক, ম্যাটাডোর ও অন্যান্য ছোটো গাড়ি মোদীর সভার উদ্দেশে রওনা হওয়ায় খড়গপুর শহরে ব্যাপক যানজট হয়। সেই কারণেই খড়গপুরের চৌরঙ্গি মোড়ে যান নিয়ন্ত্রণ করছিল পুলিশ। গাড়িগুলি আটকে ধীরে ধীরে ছাড়া হচ্ছিল। কিন্তু এক সময় গাড়ি পুরোপুরি ছাড়াই বন্ধ করে দেয় পুলিশ। ফলে আটকে পড়ে বিজেপি কর্মীদের অন্তত আট-দশটি বাস। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর বেলা একটা নাগাদ অধৈর্য হয়ে পড়েন বিজেপি সমর্থকরা।

এই ক্ষোভই গিয়ে পড়ে পুলিশের উপর। শুরু হয় পুলিশকর্মীদের মারধর। বাঁশ, লাঠিসোটা দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় খড়গপুর গ্রামীণ থানার ওসি বিশ্বরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ আট পুলিশকর্মীকে। কার্যত রাস্তায় ফেলে পেটানো হয় তাঁদের। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবশ্য সবাইকেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিজেপির অভিযোগ, শাসক দলের মদতে পুলিশ ইচ্ছাকৃত ভাবেই দলীয় কর্মী-সমর্থকদের আটকে দিয়েছে। যদিও পুলিশের দাবি, মোদীর সভার জন্য বহু গাড়ি ঢুকে পড়ায় মেদিনীপুর শহর কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল। আরও গাড়ি ছাড়া হলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারত। সেই কারণেই গাড়ি ছাড়া হয়নি। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানিয়েছেন, মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্তদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

police-attacked by BJP Worker

এ দিকে মেদিনীপুরের জনসভা থেকে তৃণমূল সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যাপক তোপ দাগেন মোদী। তাঁর বক্তব্যের বেশিটাই জুড়ে ছিল এ দিন সিন্ডিকেটরাজ প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “দিনমজুর থেকে সাধারণ কৃষক সবার রোজগারের টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সিন্ডিকেট। ইট-বালি-সিমেন্ট কোথা থেকে নেবেন তা-ও ঠিক করে দিচ্ছে সিন্ডিকেট।” ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের প্রসঙ্গ তুলে এনে মোদী বলেন, আর কয়েক মাসের মধ্যেই বাংলা থেকে তৃণমূলকে উৎখাত করে ছাড়বেন তিনি।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন