ওয়েবডেস্ক: আমন্ত্রণরক্ষার তাগিদ না কি সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক কৌশল? এক দিকে তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশে রাহুল গান্ধীর দূতপ্রেরণ, অন্য দিকে প্রদেশ কংগ্রেসের তীব্র তৃণমূল-বিরোধিতার জটিল আবর্তে উঠছে এমনই প্রশ্ন।

রাত পোহালেই আগামী শনিবার তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশ। সেখানে দেশের অন্যান্য বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মতোই দূত পাঠিয়ে অংশ নিচ্ছে জাতীয় কংগ্রেস। যদিও এই অংশগ্রহণের মধ্যে রাজ্যরাজনীতির কোনো সংস্পর্শ নেই বলে আগেই দাবি করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। শনিবার তিনি সাংবাদিকদের সামনে বলেন, “আমার নামে লিখে রাখুন। হাইকম্যান্ড যা করছে, সেটা জাতীয় প্রেক্ষিত। যারাই বিজেপির বিরোধিতা করবে, তাঁদের কর্মসূচিতে কংগ্রেসের নৈতিক সমর্থন রয়েছে, সেটাই দেওয়া হয়েছে তৃণমূলকে। প্রদেশের পরিস্থিতি জোটের পরিপন্থী। তাই আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে জারি থাকবে লড়াই”।

দূত পাঠানোর পাশাপাশি এ দিনই দলের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিতে না পারলেও লিখিত বার্তা পাঠিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে। তিনি চিঠিতে কী লিখেছেন জানতে ক্লিক করুন নীচের লিঙ্কে-

ব্রিগেড সমাবেশের আগের দিনই মমতাকে চিঠি রাহুল গান্ধীর!

এ দিন সোমেনবাবু অবশ্য কোনো রাখঢাক না করেই জানিয়ে দেন, “প্রাক নির্বাচনী জোটের কোনও পরিবেশ এখানে নেই। তার সম্ভাবনা দুরূহ । আর আমরা তো কোনও আমন্ত্রণই পাইনি। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্রিগেড সমাবেশে যাওয়ার প্রশ্নই নেই। কংগ্রেস হাইকম্যান্ড জাতীয় রাজনীতি রাজনীতির স্বার্থে দূত পাঠিয়েছে”।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here