প্রাথমিকে নিয়োগ মামলায় সিবিআই তদন্ত, সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ বহাল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে

0
কলকাতা হাইকোর্ট
কলকাতা হাইকোর্ট। প্রতীকী ছবি: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস থেকে

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২৩ লক্ষ। সেখানে বেছে বেছে ২৭৩ জনকে কেন ১ নম্বর দেওয়া হল? এটাকে কি বেনিয়ম বলা যায় না? আগেই রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এ বার ডিভিশন বেঞ্চ।

কলকাতা: প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ডিভিশন বেঞ্চে স্বস্তি পেল না প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। আবেদন মেনে প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতে সিবিআই তদন্তে স্থগিতাদেশ দিল না কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চ। সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদকে একগুচ্ছ নতুন প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়েছে আদালত।

হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আগেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই মতো তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় পর্ষদ। প্রাথমিক টেটে সিবিআই তদন্তে স্থগিতাদেশের আবেদন জানানো হয়। তবে বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে তেমন কোনো নির্দেশ দেওয়া হল না। উলটে আদালতের প্রশ্নবাণে জর্জরিত হয়ে দিশাহীন দেখায় পর্ষদের আইনজীবীদের।

হাইকোর্টের প্রশ্ন

*২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থীর মধ্যে বেছে বেছে ২৭৩ জনকে কেন অতিরিক্ত ১ নম্বর দিল সংসদ?

*প্রশ্নে যদি ভুল থেকে থাকলে কৃতকার্য এবং অকৃতকার্য, সমস্ত প্রার্থীকেই এক নম্বর করে বাড়ানো উচিত ছিল না কি?

*কেন এই বৈষম্য করা হয়েছে?

*কোথাও কি বলা হয়েছিল যাঁরা ওই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তাঁদেরই নম্বর দেওয়া হবে?

*নম্বর যে দেওয়া হচ্ছে তা বিজ্ঞপ্তি আকারে কেন প্রকাশ করল না সংসদ?

*কেন সে কথা জানতে পারলেন না অন্য পরীক্ষার্থীরা? ইত্যাদি।

আদালত সূত্রে খবর, প্রাথমিক ভাবে পর্ষদের আইনজীবীরা জানান, সবাইকে ১ নম্বর করে দিলে কোনো লাভ হতো না। তাই যাঁরা পাশ করেছেন ও প্রশিক্ষিত, তাদেরই ১ নম্বর করে দিয়েছে সংসদ। এ ক্ষেত্রে কোনো অপরাধ হয়েছে বলে সংসদ মনে করে না। তবে বাকি সব প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি পর্ষদের আইনজীবীরা।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন