protest rally at metro channel
মেট্রো চ্যানেলে প্রতিবাদ বিক্ষোভ। নিজস্ব চিত্র।

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘ভবিষ্যতের ভূত’ প্রদর্শন পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত সিনেমা হলে হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে রবিবার অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিলেন চলচ্চিত্র ও নাট্যজগতের কর্মীরা। ওই সিনেমার কলাকুশলীরা ছাড়াও ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ওই অবস্থান বিক্ষোভে শামিল হন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ।

সেখানে উপস্থিত অনীক দত্ত বলেন, “কেন ছবিটা বিভিন্ন হল থেকে তুলে নেওয়া হল, হলগুলিতে এই ছবি আবার দেখানো হবে কিনা, তা আমরা জানতে চাই। প্রযোজকরা বিভিন্ন জায়গায় বিষয়টা জানিয়েছেন। সৌমিত্রদা খুব স্ট্রং একটা চিঠি লিখেছেন। মুম্বই থেকে লাল (সুমন মুখোপাধ্যায়) মেল করেছে। বহু শিল্পী, দর্শক পাশে আছেন। এখানে আমরা ছবির সঙ্গে যাঁরা আছি, তাঁরা ছাড়াও আজ অনেকে এসেছেন। সকলেরই এক প্রশ্ন।”

আরও পড়ুন আচমকা প্রদৰ্শন বন্ধ, সরিয়ে নেওয়া হল সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ভবিষ্যতের ভূত’

এ দিনের প্রতিবাদ-বিক্ষোভে শামিল হন তরুণ মজুমদার, কৌশিক সেন, সুমন্ত মুখোপাধ্যায়, সংগীত পরিচালক দেবজ্যোতি মিশ্র, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যসচিব অর্ধেন্দু সেন, অম্বিকেশ মহাপাত্র প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা হয়ে গেল, রাজ্যের সব সিনেমা হল থেকে ‘ভবিষ্যতের ভূত’ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। কিন্তু কেন বা কার নির্দেশে এই ছবির প্রদর্শন বন্ধ করে দেওয়া হল, এই ছবি ফের হলে ফিরবে কিনা – এ সব প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছেন না খোদ পরিচালক। কোনো কোনো হল কর্তৃপক্ষ বলছেন ‘টেকনিক্যাল ফল্ট’। কেউ কেউ বলছেন ‘হায়ার অথরিটির নির্দেশ’।

রবিবারও অনীক-সহ ‘ভবিষ্যতের ভূত’-এর বেশ কয়েক জন অভিনেতা সাউথ সিটিতে গিয়ে জানতে চান, কেন ছবি তুলে নেওয়া হল? কর্তৃপক্ষের জবাব, ‘হায়ার অথরিটির নির্দেশ’। কিন্তু এই ‘হায়ার অথরিটি’ কে জানতে চাওয়া হলে সেই প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া হয়। এমনকি ওই নির্দেশের কোনো লিখিত প্রমাণও দেখাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাওয়া কোনো সিনেমার প্রদর্শন কারও লিখিত নির্দেশ ছাড়াই কি বন্ধ করে দেওয়া যেতে পারে? এই আইনি প্রশ্নও এ বার উঠছে বিভিন্ন মহলে।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন