30 C
Kolkata
Friday, June 18, 2021

নেই জাত-ধর্মের ভেদাভেদ, বর্ধমানে শিবমন্দির নির্মাণ করে বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রদীপ রহমান

আরও পড়ুন

প্রতিনিধি, পূর্ব বর্ধমান: অনেকেরই মনের ইচছাগুলো পূরণ না হয়ে শুধুমাত্র মনের মধ্যেই থেকে যায়। আবার এর ব্যতিক্রমীও রয়েছেন অনেকে। যেমন তাঁদেরই মধ্যে এক জন পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার প্রদীপ রহমান।

জাত, ধর্মের ভেদাভেদ না করে ভিন্ন ধর্মের মানুষ হয়েও প্রদীপ রহমান কয়েকবছর আগেই ভেবে ছিলেন, ভাতছালা বাঁকারমাঠ নবোদয়পল্লিতে একটা শিবমন্দির থাকলে ভাল হতো।

Loading videos...
- Advertisement -

কতকটা দুইয়ে-দুইয়ে চারের মতোই ওই এলাকার মহিলারাও এক দিন প্রদীপবাবুকে বলেন, তাঁদেরও মনের ইচছা যে এই ভাতচালা বাঁকারমাঠে যদি একটা শিবমন্দির হতো, তা হলে এলাকার মহিলাদের শিবের মাথায় জল ঢালতে আর দূরে যেতে হয় না। শ্রাবণ মাসে, শিবরাত্রিতে ও নীলের ঘরে বাতি দেওয়াতে মেয়েদের অসুবিধা ঘুচত। প্রদীপবাবু বলেন, “সেই কথা শুনে আমিও ভাবলাম, তাই তো আমিও তো এ রকমই ভেবেছিলাম”।

তিনি অন্য ধর্মের মানুষ হয়েও ধর্মের ভেদাভেদ করেননি। স্বামী বিবেকানন্দ ও লালন ফকিরের ‘মানব সেবাই পরম ধর্ম’ আদর্শ অনুসরণ করে ভাতচালা বাঁকারমাঠে বাবা ত্রিলোকেশ্বর নামে একটি শিবমন্দির তৈরি করে এলাকার মা-বোনেদের মনের ইচছা পূরণ করে আশীর্বাদ পেলেন প্রদীপ।

তবে প্রদীপবাবু বলেন, “সব মানুষের সব রকম সাহায্য আর স্বয়ং শিব ভোলা মহেশ্বর মহাদেবের যদি আশীর্বাদ না পেতাম, আমি এই শিবমন্দির নির্মাণ করতেই পারতাম না”।

এখন বাবা ত্রিলোকেশ্বর শিব প্রতিদিন পূজিত হচ্ছেন ওই এলাকার পুরোহিত পার্থপ্রতিম রায় মহাশয়ের হাতে। এলাকার মানুষের একটাই কথা, প্রদীপ রহমান উদার মনের মানুষ বলেই শিবমন্দির তৈরি করে আজ সকলের আশীর্বাদ পাচ্ছেন।

আরও পড়তে পারেন: Religious Places in Bengal: বারুইপুরের শিবানীপীঠ

- Advertisement -

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

- Advertisement -

আপডেট

পড়তে পারেন