বৃষ্টির সতর্কবার্তা পৌঁছোয়নি কৃষকদের কাছে, এখনও খোলা মাঠে পড়ে পেকে যাওয়া ধান

0

সিঙ্গি, পূর্ব বর্ধমান: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বৃষ্টিদুর্যোগের ব্যাপারে গত সপ্তাহের শনিবার, অর্থাৎ ২৭ নভেম্বর প্রথম পূর্বাভাস দিয়েছিল খবর অনলাইন। যত অল্পই বৃষ্টি হোক না কেন, এই অসময়ের বৃষ্টির ফলে কৃষকরা বড়ো বিপদের মুখে পড়বেন, সেই ভয়টা পাওয়া গিয়েছিল।

কিন্তু এক সপ্তাহ সময় পাওয়া গেলেও কৃষকদের কাছে সেই সতর্কবার্তা সঠিক ভাবে পৌঁছোয়নি। আর ঠিক সেই কারণেই এখন বিপদের মুখে বাংলার কৃষককুল।

ডিসেম্বরে সাধারণত খুব বেশি বৃষ্টি হয় না। কিন্তু যখনই হয়, তখনই একটা খবর শিরোনাম হয়ে যায়। তা হল পাকা ধান নষ্ট হয়ে যাওয়া। কারণ, নভেম্বরে পেকে যাওয়া ধান কৃষকরা কেটে নিয়ে তা খোলা মাঠেই রেখে দেন রোদে শুকোনোর জন্য। আর ঠিক সেই সময় যখন এই ধরনের বৃষ্টি হাজির হয়, তখন সেই পেকে যাওয়া ধান পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশংকা থেকে যায়।

এ বারের পরিস্থিতি দেখেও ঠিক সেটাই আন্দাজ করা হচ্ছে। পূর্ব বর্ধমানের সিঙ্গি গ্রামের বাসিন্দা সম্রাট বন্দ্যোপাধ্যায় জানাচ্ছেন শনিবার সকালেও খোলা মাঠেই পড়ে রয়েছে পেকে যাওয়া ধান। তাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ এখনও করতে পারেননি কৃষকরা।

এর মূল কারণই হল সতর্কবার্তা ঠিক সময় ঠিক জায়গায় না পৌঁছোনো। আসলে, করোনাভাইরাসের নতুন প্রজাতি ‘ওমিক্রন’ নিয়ে রাজ্যের মানুষ এবং সংবাদমাধ্যমের একাংশ এতটাই গুরুত্ব দিয়েছে, যে আসন্ন এই দুর্যোগের ব্যাপারে সতর্কতাই দেওয়া হয়নি মূল স্রোতের সংবাদমাধ্যমগুলিতে। আর সেটাই ডেকে আনল এই বিপদ।

গোটা পরিস্থিতি নিয়ে সম্রাটবাবুর মন্তব্য, “ভগবানই এখন বাঁচাতে পারেন কৃষকদের।”

আরও পড়তে পারেন:

সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বড়ো পতন দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে, তবে ডিসেম্বরের শুরুতেই বৃষ্টির ভ্রূকুটি

ঘূর্ণিঝড় ‘জওয়াদ’-এর প্রভাবে বৃষ্টি শুরু কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে, বিকেল থেকে দাপট বাড়ার আশংকা

থামল অভিনেত্রী কঙ্গনা রনাউতের গাড়ি, ক্ষমাপ্রার্থনার দাবিতে বিক্ষোভের মুখে পড়ে উলটো সুর অভিনেত্রীর

ওমিক্রনে চলতি টিকা কাজ করে না, এমন কোনো প্রমাণ নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রক

সুন্দরবনের জঙ্গলে শুরু হল হাতে-কলমে বাঘ গণনার পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ শিবির

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.