Cyclone Yaas: সৈকত সরণি জুড়ে বড়ো বড়ো বোল্ডার, ‘ইয়াস’-এর তাণ্ডবে অন্য রূপ দেখল দিঘা

0

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বুধবার বিকেলে সমুদ্রের জল নেমে যেতেই দিঘার সৈকতের সম্পূর্ণ অন্য একটা ছবি সামনে এল। যে ছবির সঙ্গে এক্কেবারেই পরিচিত নন স্থানীয়রা। দিঘায় জলোচ্ছ্বাস ফি বছর একাধিক বার হয়। গার্ডওয়াল টপকে জল চলে আসে সৈকত সরণিতে। কিন্তু এ বার যা ঘটল, দিঘায় আগে কোনো দিনও ঘটেনি।

দিঘার সৈকত জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বড়ো বড়ো পাথরের খণ্ড। দেখে মনে হচ্ছে, কেউ যেন খেলা করেছে ওই পাথর খণ্ডগুলি নিয়ে। এমন দৃশ্য আক্ষরিক অর্থেই অভূতপূর্ব। সমুদ্রের বাঁধানো পাড়ে থাকা বড়োসড়ো পাথরের খণ্ড আর বোল্ডারগুলিকে কেউ যেন ছুড়ে ফেলেছে গোটা সৈকত জুড়ে।

Loading videos...

ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’-এর প্রভাবে ঝড় সে ভাবে হয়নি দিঘায়। হাওয়ার গতিবেগ সর্বোচ্চ ৮৮ কিলোমিটার উঠেছিল। সে ভাবে বৃষ্টিও হয়নি। কিন্তু ভরা কোটালের জোয়ার, ‘ইয়াস’-এর সঙ্গে মিলে গিয়ে দিঘার সৈকতে কয়েক ঘণ্টা ধরে রীতিমতো তাণ্ডব চালাল। এর জেরে দিঘা শহরের ভেতরে এক হাঁটু জল জমে গিয়েছিল।

এই প্রবল জলোচ্ছ্বাসে দিঘায় পরিকাঠামোগত ভাবে ভালোই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গার্ডওয়ালের অনেকটা অংশ ভেঙে গিয়েছে। বড়ো বড়ো বোল্ডার এসে পড়ায় সৈকত সরণি জায়গায় জায়গায় ভেঙে গিয়েছে। সরণির ধারেই অবস্থিত পার্কও ক্ষতিগ্রস্ত। রাস্তার ধারে চেয়ারের অনেকগুলোই ভেঙে গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সমুদ্রের ধারের দোকানপাটও। সমুদ্রের জল ঢুকে ওল্ড দিঘার উপকূলবর্তী হোটেলগুলিরও প্রভূত ক্ষতি করেছে

সমুদ্রের তাণ্ডবে ভেঙে গিয়েছে মন্দারমণির একটি হোটেল।

‘ইয়াস’-এর তাণ্ডবের চিহ্ন মন্দারমণিতেও। সমুদ্র তীরবর্তী একাধিক হোটেলে এখন ধ্বংসের ছাপ। ভেঙেছে একতলা বিশিষ্ট একাধিক হোটেল। বড়ো হোটেলগুলির নীচতলাতেও ‘ইয়াস’-এর তাণ্ডবের চিহ্ন বর্তমান।

মন্দারমণি হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশান তাদের তরফে এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত তথ্য দিতে না পারলেও, প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, এলাকার প্রায় ৮০টি হোটেল কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হোটেল ব্যাবসায়ীদের আপশোশ, জলের তোড়ে হোটেল ভেঙে পড়ার সময় কিছুই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন Cyclone Yaas: ‘ইয়াস’-এর মৃত্যু হলেও রাজ্য জুড়ে দফায় দফায় বৃষ্টি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.