Connect with us

পূর্ব মেদিনীপুর

সতর্কতা নিয়েই দিঘায় খুলল হোটেল, খোঁজখবর পর্যটকদের

দিঘা: আনলক-১ (Unlock 1) পর্ব শুরু হওয়ার পর থেকে রাজ্যের একাধিক পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়া হচ্ছে। এ বার সেই তালিকায় নাম লেখালো দিঘাও (Digha)।

বৃহস্পতিবার থেকে পর্যটকদের জন্য দিঘায় খুলে দেওয়া হল হোটেল। তবে দিঘা হোটেল মালিক সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত ওল্ড আর নিউ দিঘায় শুধুমাত্র সমুদ্রের ধারের হোটেলগুলি খোলা হয়েছে।

জনবসতি রয়েছে এমন এলাকায় ৩০ জুন পর্যন্ত হোটেল বন্ধই থাকবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকেই বিভিন্ন হোটেলে অনলাইনের মাধ্যমে ঘর বুকিংও শুরু হয়ে গিয়েছে। পর্যটকরা ইতিমধ্যেই খোঁজখবর নিতেও শুরু করেছেন বলে জানানো হয়েছে।

তবে শারীরিক দূরত্ববিধি বজায় রাখার জন্য হোটেলগুলোয় আপাতত ৩০ শতাংশের বেশি পর্যটকদের রাখা যাবে না বলে জানানো হয়েছে। ৩০ শতাংশ কর্মচারী দিয়ে ওই হোটেলগুলিকে পরিচালনা করতে হবে বলেও সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। পর্যটকদের সামনে হোটেলের ঘর জীবাণুমুক্ত করতে হবে বলেও সংগঠনের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে খবর, এ দিকে দিঘায় বেড়াতে আসা সমস্ত পর্যটকের সুরক্ষায় জীবাণুনাশক টানেল তৈরি করতে বলা হয়েছে হোটেল মালিকদের। জুলাই মাস থেকে ওই পদ্ধতি চালু করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হোটেল মালিকেরা।

হোটেল খোলার পর  এ বার দর্শনীয় স্থানগুলিও খোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে দিঘা-শঙ্করপুর ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি সূত্রে জানানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে অমরাবতী পার্ক খোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। এ ছাড়াও দিঘা বিজ্ঞান কেন্দ্র, মেরিন অ্যাকোরিয়াম দ্রুত খোলার চেষ্টা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর।

এ দিকে বৃহস্পতিবার হোটেল খোলার খবর পেয়ে গাড়িতে দিঘায় যাচ্ছিলেন কলকাতার একদল পর্যটক। হেঁড়িয়ার কাছে একটি গরুকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জাতীয় সড়কের ধারে নয়ানজুলিতে উলটে যায় তাঁদের গাড়ি। ভিতরে আটকে পড়ে ছ’ জন পর্যটক। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

পূর্ব মেদিনীপুর

দার্জিলিংয়ের পর এ বার পর্যটকদের জন্য পুরোপুরি খুলে যাচ্ছে দিঘাও

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ১ জুলাই থেকে পর্যটকদের জন্য পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে দার্জিলিং। ওই দিন খুলে যাবে দিঘাও (Digha)। ওল্ড আর নিউ দিঘার সব হোটেল ১ জুলাই খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে হোটেল মালিকদের সংগঠন।

শুধু হোটেল খোলাই নয়, ওই দিন থেকে দিঘায় সমুদ্রস্নানের উপরে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে প্রশাসন। পাশাপাশি অমরাবতী পার্ক, বিজ্ঞান কেন্দ্রগুলির মতো দর্শনীয় স্থানগুলি খোলার নির্দেশ দিয়েছে দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ (ডিএসডিএ)।

তবে উন্মুক্ত জায়গায় পিকনিক করার ওপরে এখনও নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে প্রশাসন।

ওল্ড এবং নিউ দিঘা মিলিয়ে ৬০০টিরও বেশি হোটেল রয়েছে। গত ৮ জুন থেকে রাজ্য সরকারের নির্দেশ মেনে দিঘায় অল্প সংখ্যক হোটেল খোলা হয়েছিল। কিন্তু পর্যটকদের আসার প্রতিবাদ করেছিলেন স্থানীয় মহিলারা। তার পর থেকে দিঘায় টুকটাক কিছু পর্যটক গেলেও কোনো ভাবেই আগের ছন্দে ফিরছিল না সৈকত-নগরী।

এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের (DSDA) প্রশাসনিক ভবনে একটি বৈঠক হয়। সেখানে পর্ষদের মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক সুজন দত্ত সভাপতিত্ব করেন। হোটেল মালিকদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ আধিকারিক এবং স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে।

ওই বৈঠকে স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত অনেক নিয়মকানুন তৈরি হয়। পর্যটকদের হোটেলের ঢোকা এবং বেরোনোর আগে নিয়মিত গাড়ি এবং জিনিসপত্র জীবাণুমুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রত্যেকটি হোটেলে পরিবর্তন পদ্ধতিতে (Rotational Basis) অর্ধেক রুম পর্যটকদের ব্যবহার করতে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে বড়ো বাস ভাড়া করে পর্যটকদের দল এখনই দিঘায় আসতে পারবেন না বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ, পারিবারিক ভ্রমণের ওপরেই আপাতত জোর দেওয়া হচ্ছে দিঘায়। সব মিলিয়ে ১ জুলাই থেকে আবার পর্যটনকে হাতিয়ার করে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে দিঘার অর্থনীতি।

Continue Reading

পূর্ব মেদিনীপুর

উম্পুনের আঁচড় বেশি লাগেনি, ভাগ্যকেই বাহবা দিচ্ছে দিঘা

দিঘা: বুধবারের পর ছবিটা পুরো বদলে যাবে, এমন আশঙ্কাই করেছিলেন দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুরের হোটেল মালিকরা। লকডাউনের (Lockdown) জেরে ব্যাবসা তো লাটে উঠেছেই, এ বার উম্পুন (Cyclone Amphan) তাণ্ডব চালালে যে ঠিকঠাক হতে আবার কত মাস সময় লাগত সেটাই ভেবে পাচ্ছিলেন না তাঁরা।

সবাই ভেবে নিয়েছিলেন যে দেড়শো থেকে ১৮৫ কিমি বেগের ঝড় দিঘা-সহ পূর্ব মেদিনীপুরের সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলকে পুরো শেষ করে দিয়ে বেরিয়ে যাবে। ভেঙে পড়বে সব কিছু। কিন্তু সেটা যে হয়নি, তার জন্য নিজেদের সৌভাগ্যের কথাই বলছেন সবাই।

এই অঞ্চলের গ্রামবাসীরাও কিছুটা স্বস্তিতে। উম্পুনের তাণ্ডব দিঘাতেও চলেছে। কিন্তু সেটা দক্ষিণ ২৪ পরগণার (South 24 Parganas) থেকে কম। এমন কি কলকাতার অবস্থাও এখন দিঘা-মন্দারমণির থেকে খারাপ।

স্থানীয়রা মনে করছেন, শেষ মুহূর্তে উম্পুনের গতিপথে কিছুটা পরিবর্তন হওয়ায় বড়োসড়ো বিপর্যয়ের হাত থেকে বেঁচে গিয়েছে দিঘা।

প্রথমে মনে করা হচ্ছিল, দিঘা দিয়েই উম্পুন স্থলভাগে ঢুকবে। সে ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কম হত দক্ষিণ ২৪ পরগণার। কিন্তু দিঘা দিয়ে না ঢুকে, সে স্থলভাগে ঢুকেছে সাগরদ্বীপ (Sagar Islands), অর্থাৎ পূর্ব মেদিনীপুর আর দক্ষিণ ২৪ পরগণার কার্যত মাঝখান দিয়ে।

এর ফলে দক্ষিণ ২৪ পরগণা লাগোয়া পূর্ব মেদিনীপুরে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সাংঘাতিক। হলদিয়া (Haldia) শহর তছনছ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর প্রায় অক্ষত।

দিঘার এক হোটেল ব্যবসায়ী আসিফ খান বলেন, “বৃহস্পতিবার রাস্তায় বেরিয়ে চারদিন দেখে মনে হল আমাদের কিচ্ছু হয়নি। রাজ্যের বাকি জায়গা থেকে যা ছবি দেখেছি, সেই ছবির সঙ্গে দিঘাকে মেলাতেই পারছিলাম না।”

তিনি যোগ করেন, “আমরা ভেবেছিলাম উম্পুনের পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাব আমরা। কিন্তু আমাদের এই মুহূর্তে পরিস্থিতি যা, তাতে এখনই পর্যটকদের আমরা স্বাগত জানাতে পারি।”

জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর একটি দলকে দিঘায় রাখা হয়েছিল ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী উদ্ধারকাজের জন্য। কিন্তু রাস্তা থেকে কয়েকটি গাছ সরানো ছাড়া দিঘায় তাদের কোনো কাজই করতে হয়নি। ফলে বৃহস্পতিবার তাদের হলদিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যেখানে দুর্দশা আর হাহাকার অনেকটাই বেশি।

এর জন্য নিজেদের ভাগ্যকেই বাহবা দিচ্ছেন দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান তথা স্থানীয় বিধায়ক অখিল গিরি। তিনি বলেন, “হলদিয়ার কি ছবি হয়েছে দেখুন। আমরা ভেবেছিলাম দিঘাতেই ওরকম পরিস্থিতি হবে। উলটে আমরা এখন পর্যটকদের স্বাগত জানাতে তৈরি, কারণ সব রাস্তা খোলা আছে। কিন্তু লকডাউন তো চলছে, সেটাও মাথায় রাখতে হবে।”

Continue Reading

উঃ ২৪ পরগনা

ধেয়ে আসছে উম্পুন, তিন জেলায় চূড়ান্ত প্রস্তুতি

খবর অনলাইনডেস্ক: মাত্র মাস ছয়েক আগেই এসেছিল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ (Cyclone Bulbul)। সেই স্মৃতি কাটিয়ে ওঠার আগেই ফের ঘূর্ণিঝড়ের চোখরাঙানি। এ বার আরও ভয়াবহ। ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের (Cyclone Amphan) মোকাবিলায় চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে রাজ্যের উপকূলবর্তী তিন জেলায় – পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং উত্তর ২৪ পরগণায়।

প্রশাসনের সব থেকে বেশি মাথাব্যাথার কারণ দক্ষিণ ২৪ পরগণা। সুন্দরবন (Sunderbans) এলাকার বিচ্ছিন্ন দ্বীপগুলি থেকে মানুষজনকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়াই এখন চ্যালেঞ্জ।

সোমবার এমনই বিচ্ছিন্ন, ঘোড়ামারা দ্বীপ থেকে বেশ কিছু বাসিন্দাকে সরিয়ে আনা হয়। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ তিনটি খালি ট্রলার নিয়ে পুলিশ ওই দ্বীপে যায়। নদী লাগোয়া চুনপুড়ি, খাঁপাড়া, খাসিমারা, বাগপাড়া, হাটখোলা গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার জন্য বোঝানো হয়।

তবে বেশির ভাগ মানুষই গৃহপালিত পশুপাখি ফেলে যেতে রাজি হননি। প্রশাসন সূত্রের খবর, শেষ পর্যন্ত প্রায় শ’খানেক বাসিন্দাকে ট্রলারে করে সাগরদ্বীপে আনা হয়। আপাতত ঘোড়ামারা ঘাটে পুলিশ ট্রলার মজুত রেখেছে। কেউ সাগরদ্বীপে আশ্রয় নিতে চাইলেই তুলে নিয়ে আসা হবে।

ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে সব থেকে বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে ঘোড়ামারা, মৌসুনী, লোথিয়ান, সাগর প্রভৃতি দ্বীপেই।

বিপর্যয় মোকাবিলায় এ দিন ক্যানিং মহকুমাশাসক বন্দনা পোখরিয়ালের নেতৃত্বে একটি প্রশাসনিক বৈঠক হয়। সেচ, বিদ্যুৎ, জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের আধিকারিকদের পাশাপাশি এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ আধিকারিকরাও।

যে সব নদীবাঁধ দুর্বল রয়েছে, সেগুলি মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সেচ দফতর। ক্যানিং ১ ব্লকের নিকারিঘাটা পঞ্চায়েতের উদ্যোগে ১০০ দিনের কাজের শ্রমিকদের নিয়ে বিপর্যয় মোকাবিলা দল তৈরি করা হয়েছে।

দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে নদী তীরবর্তী এলাকা এবং সুন্দরবনের প্রত্যন্ত গ্রামগুলি থেকে সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। আরও ৬০ হাজার মানুষকে সরানো হবে। বহু মৎস্যজীবীকেও সুন্দরবনের নদী, সমুদ্র থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

সাগর, কাকদ্বীপ, নামখানা, পাথরপ্রতিমা, গোসাবাতে এনডিআরএফ টিমকে নিযুক্ত করা হয়েছে।

উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ, মিনাখাঁ, হাসনাবাদ, সন্দেশখালি এলাকাতেও সোমবার সকাল থেকে ঘূর্ণিঝড় নিয়ে প্রচার শুরু হয়েছে। উপকূলবর্তী যোগেশগঞ্জ, কালীতলা, গোবিন্দকাটি, সাহেবখালি এলাকা থেকে বহু মানুষকে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে তুলে আনা হয়েছে বলে ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন উম্পুন লাইভ: শক্তি কমানোর প্রাথমিক লক্ষণ দেখা গেল ভয়াল ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে

চূড়ান্ত প্রস্তুতি পূর্ব মেদিনীপুরেও (East Medinipur)। প্রশাসন সূ্ত্রের খবর, রবিবার সন্ধ্যায় দিঘায় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এসে পৌঁছেছে। তারা রামনগর-১ ব্লকের পদিমাতে ‘ফ্লাড রেসকিউ সেন্টারে’ রয়েছে। এ ছাড়া, রাজ্য সরকারের সিভিল ডিফেন্সের একটি দল হলদিয়াতেও এসেছে।

জেলা প্রশাসন এবং বিপর্যয় মোকাবিলা ব্যবস্থাপনা দফতর সূত্রের খবর, জেলার জন্য বরাদ্দ ৪০ হাজার ত্রিপল এসেছে। এ ছাড়া বিশেষ ত্রাণ হিসাবে ৩৮৫ মেট্রিক টন চাল পাঠানো হয়েছে। রবিবার রাতেই ত্রাণ কাঁথি, হলদিয়া, এগরা ও তমলুক মহকুমার প্রতি ব্লকে পাঠানো হয়েছে।

প্রশাসন ও বিপর্যয় মোকাবিলা ব্যবস্থা দফতর সূত্রের খবর, দিঘা (Digha) উপকূলবর্তী এলাকায় মৎস্যজীবীদের অস্থায়ী আস্তানা এবং বসতবাড়ি থেকে স্থানান্তর করে সাইক্লোন রেসকিউ সেন্টার ও ফ্লাড শেল্টার সহ সংলগ্ন স্কুলগুলিতে রাখার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 

সব ক্ষেত্রেই শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি মাথায় রাখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে প্রশাসন সূত্রে। প্রশাসনের কাছে চ্যালেঞ্জ একজন মানুষেরও মৃত্যু এড়িয়ে এই ঝড় মোকাবিলা করা।

Continue Reading
Advertisement

নজরে