খবর অনলাইন ডেস্ক: শুক্রবার দলত্যাগ করলেন কাঁথি উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক বনশ্রী মাইতি।

এ দিন তৃণমূল সভাপতিকে ইস্তফাপত্র পাঠান বনশ্রী। লিখেছেন, তিনি দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন। একই সঙ্গে ছেড়ে দিচ্ছেন দলের বাকি সমস্ত পদ।

সূত্রের খবর, আগামী শনিবার মেদিনীপুরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জনসভায় বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন কাঁথি উত্তরের বিধায়ক।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ নভেম্বর খেজুরিতে অরাজনৈতিক ব্য়ানারে পদযাত্রা করেন শুভেন্দু অধিকারী। এলাকায় ছোলা-বাতাসা বিতরণ করেন শুভেন্দুর অনুগামীরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বনশ্রী। তার পর থেকেই বনশ্রীর সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করে রাজ্যের শাসক দল।

কয়েক সপ্তাহ আগে রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু সভা করেন কাঁথি দু’নম্বর ব্লকের ধবাবেরিয়া এলাকায়। জানা যায়, সেখানে ডাকা হয়নি বনশ্রীকে। তৃণমূল বিধায়ক সে সময় দাবি করেন, “আমি জনগণের সঙ্গে আছি? বা জনগণ আমাকে কাজে পায় কি না, তার জবাব জনগণ দেবেন। ওঁর ডাকা, না ডাকা দুই সমান”।

পদত্যাগ একের পর এক বিধায়কের

গত বৃহস্পতিবার দল ছেড়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক এবং রাজ্যের প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু। এর পরই দল ছাড়েন পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। শুক্রবার সকালে জানা যায়, বেশ কয়েক দিন ধরেই দলের তীব্র সমালোচনাকারী ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত দল ছাড়তে চেয়ে চিঠি দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

মন্ত্রী-বিধায়ক থেকে শুরু করে পুরপ্রধান, কাউন্সিলার, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য-সহ দলের নিচুতলার পদাধিকারীরাও একে একে তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে। সামনে বিধানসভা ভোট থাকলেও বিষয়টিকে প্রকাশ্যে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “কিছু যায়-আসে না। বড়ো গাছের দু’-চারটে পাতা পড়ে গেলে কিছু হয় না। যে যাচ্ছে যাক”।

আরও পড়তে পারেন: তৃণমূলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেন শুভেন্দু অধিকারী

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন