খবর অনলাইন ডেস্ক: বাঁকুড়ার ছাতনাতেও হুইলচেয়ারে বসেই সভা করলেন তৃণমূলনেত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

মঙ্গলবার সভার শুরুতেই তিনি বলেন, “আমাকে খুব কষ্ট করেই আসতে হচ্ছে। এখন যদি না আসি, তা হলে বিজেপি, আরএসপির হার্মাদরা বাংলাকে শেষ করে দেবে। তাই আমাকে আসতে হচ্ছে। আমি আঘাত খেতে খেতেই বেঁচে আছি। যত দিন আমি বাঁচব, আঘাত আমার কাছে হেরে যাবে। বাংলা মাকে রক্ষা করার জন্য আমাকে কষ্ট সহ্য করতেই হবে। এই ভোটটা আমার ভোট, মানে আমরা থাকব কি না। দিল্লির ভোট নয়, বিজেপির ভোট নয়।”।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, “পায়ে খুব যন্ত্রণা হচ্ছে, ব্যথা হচ্ছে, কারণ মানুষের পায়ের হাড়ই সবচেয়ে মোটা হাড়। অনেকটা রক্তও জমে রয়েছে”।

বাঁকুড়ার উন্নয়নের কথা তুলে ধরে মমতা বলেন, “বাঁকুড়ার ছেলেমেয়েরা অত্যন্ত মেধাবী। বোর্ডের পরীক্ষায় একেবারে উপরের দিকে তাঁদের নাম থাকে। এখানে বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি আমরা”।

নারী ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে মমতা বলেন, “স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের অভিভাবক মেয়েরা। কারণ, মেয়েরাই ঘরে-বাইরে সব কিছু সামলাচ্ছেন। ফলে পরিবারের অভিভাবক তিনিই। মেয়েরা তাঁদের বাবা-মায়ের চিকিৎসাও এই কার্ডে করাতে পারেন। ১০ লক্ষ স্বনির্ভর গোষ্ঠী হবে। মা-বোনেদের নিজের পায়ে দাঁড়াতে ২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেব আমরা”।

এ দিনের সভা থেকে মমতার বিস্ফোরক অভিযোগ, ‘‘নির্বাচন কমিশনের প্রতি সম্মান জানিয়েই বলছি, দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করছেন। আমার সন্দেহ, তিনিই সব কিছু চালাচ্ছেন। এমন যদি চলতে থাকে, তা হলে দেশটা বিক্রি হয়ে যাবে’’।

আরও পড়তে পারেন: নতুন করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, ভ্যাকসিন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন