খবরঅনলাইন ডেস্ক: আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট দেখে রীতিমতো চমকে যেতে হয়। সোমবার সকালে দার্জিলিংয়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই দিনে, একই সময়ে পুরুলিয়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ, সমুদ্রতল থেকে প্রায় ৭ হাজার ফুট উচ্চতার দার্জিলিংয়ের সঙ্গে প্রায় সমুদ্রতলে থাকা পুরুলিয়ার‍ পারদ-পার্থক্য মাত্র ০.৪ ডিগ্রির!

অবশ্য সোমবারই নয়, রবিবারও এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ওই দিন দার্জিলিংয়ের (৪.৮ ডিগ্রি) সঙ্গে পুরুলিয়ার (৫.৮ ডিগ্রি) পারদ-পার্থক্য ছিল মাত্র এক ডিগ্রির।

শুধু পুরুলিয়া আর দার্জিলিং বলেই নয়, বর্তমানে উত্তরবঙ্গের অনেক জায়গার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জায়গার তাপমাত্রা কম। যেমন কাঁথিতে এ দিন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি। কিন্তু কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে তা ছিল ১০ ডিগ্রি। আবার কালিম্পং আর পানাগড়ের তাপমাত্রাও কার্যত এক।

কেন এমন চমক

কিন্তু দার্জিলিংয়ের সঙ্গে পুরুলিয়ার পারদের মাত্র এই সামান্য পার্থক্য যথেষ্ট চমকপ্রদ। তাই প্রশ্ন উঠছে, কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে?

এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমার কর্ণধার রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা বলেন, “রাজ্যের উপকূলবর্তী অঞ্চল এবং সন্নিহিত ওড়িশায় একটি উচ্চচাপ বলয় রয়েছে। সেটি উত্তর ভারত থেকে শীতল উত্তুরে হাওয়া দক্ষিণবঙ্গের দিকে টেনে নিয়ে আসছে। পুরুলিয়া মালভূমি অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ার ফলে কিছুটা উচ্চতা রয়েছে, তাই সেখানেই তাপমাত্রা অনেকটাই কমে গিয়েছে।”

অন্য দিকে উত্তরপূর্ব ভারতে ঘূর্ণাবর্তের ফলে দার্জিলিংয়ে পুবালি হাওয়া বইছে। হাওয়ার দিক পরিবর্তনের ফলে সেখানে ঠান্ডা অনেকটাই কমে গিয়েছে, এমনই জানান রবীন্দ্রবাবু। এর ফলেই দার্জিলিংয়ে আচমকা তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছে।

আগামী দু’-তিন দিন দার্জিলিংয়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তাপমাত্রা যে হেতু খুব একটা নামেনি, তাই এই শৈলশহরে তুষারপাত কোনো ভাবেই হতে পারবে না।

খবরঅনলাইনে আরও পড়তে পারেন

শনিবার নিয়েছিলেন টিকা, রবিবার উত্তরপ্রদেশে মৃত্যু স্বাস্থ্যকর্মীর

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন