তপন কান্দু খুনে প্রত্যক্ষদর্শীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, মিলল সুইসাইড নোটও

0

ঝালদা: কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু হত্যার ঘটনায় নয়া মোড়। বুধবার তপনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু নিরঞ্জন বৈষ্ণব ওরফে সেফালের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হল তাঁর বাড়ি থেকে। তপনকে হত্যার সময় তাঁর সঙ্গেই ছিলেন সেফাল। বস্তুত, তিনিই ছিলেন তপন হত্যা মামলার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী।

চাঞ্চল্যকর ভাবে সেফালের দেহের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে তাঁর নামে লেখা একটি সুইসাইড নোটও। সেখানে লেখা রয়েছে, কোনো চাপের মুখে নয়, মানসিক অবসাদ সহ্য করতে না পেরেই স্বেচ্ছায় আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, তপন হত্যার ঘটনার ইতিমধ্যেই সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। এর মধ্যে তপন হত্যায় প্রত্যক্ষদর্শী সেফালকে বেশ কয়েকবার ডেকেও পাঠিয়েছিল পুলিশ। সেফলের দেহের কাছ থেকে পাওয়া সুইসাইড নোটে সে কথা উল্লেখ করে লেখা রয়েছে, “যে দিন থেকে তপনের হত্যা হয় সে দিন থেকে আমি মানসিক অবসাদে ভুগছি। যে দৃশ্যটি দেখেছি, তা মাথা থেকে কোনো রকমে বের হচ্ছে না। ফলে রাতে ঘুম হচ্ছে না… তার উপর পুলিশের বারবার ডাক।” এই সবকিছু মিলিয়েই যে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন সেফাল তা স্পষ্ট করে লেখা রয়েছে ওই সুইসাইড নোটে।

তপনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন নিরঞ্জন। বয়স ৫০-৫২-র মধ্যে। সন্ধ্যায় প্রায়শই বন্ধুর সঙ্গে হাঁটতে বের হতেন। তপন হত্যার দিনও তিনি ঝালদার কাউন্সিলর তপনের সঙ্গেই ছিলেন। তাঁর সামনেই তপনকে হত্যা করা হয়। তবে সেফালের মৃত্যুতে পুরুলিয়ার কংগ্রেস নেতা নেপাল মাহাতো অভিযোগ করেছেন, তপনের মতোই এই ঘটনাটিও পুলিশের অত্যাচারেরই আরেকটি নিদর্শন।

আরও পড়তে পারেন

টেস্টের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে ফের হাজারের ওপরে সংক্রমণ ভারতে, আরও একটু বাড়ল মৃতের সংখ্যা

চাপের মুখে শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার প্রেসিডেন্টের, তবে বাড়ছে রাজনৈতিক সংকট

পুড়ছে পশ্চিমাঞ্চল, কিন্তু তীব্র হাওয়ার জেরে গরমের দাপট অনেক কম কলকাতা ও উপকূলবর্তী অঞ্চলে

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন