তালিকায় শুধু ‘নেই-নেই’, ভোটপাখিদের খালি হাতে ফেরাচ্ছে পুরুলিয়ার এই গ্রাম!

0

শুভদীপ চৌধুরী, পুরুলিয়া: গ্রামে নেই পানীয় জল, নেই রাস্তা, হয়নি বিদ্যালয় । এমনকী বৃদ্ধ বিধবাদের পেনশন নেই । বৃষ্টি হলে বেড়ো পাহাড় থেকে গড়িয়ে পড়া জলে রাস্তাঘাটও হয়ে পড়ে বিপদসঙ্কুল, এই অভিযোগ সঙ্গে নিয়েই গ্রামবাসীরা এ বার সরব হয়ে বয়কট করলেন এলাকার ভোট ।

স্বাধীনতার এত বছর পরেও উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত বাঁকুড়া লোকসভার অন্তর্গত রঘুনাথপুর বিধানসভার পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর-১ ব্লকের বেড়ো গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাঁশগড়, কুমারপাড়া, পাইসাপাড়া-সহ একাধিক গ্রাম।

গ্রামবাসীদের দাবি, নেতারা প্রচারের স্বার্থে গ্রামে আসেন, কিন্তু গ্রামের কোনোরকম চাহিদা মেটাননি, তাই ভোট বয়কট করছেন তাঁরা । ভোট বয়কটের ডাক দিয়ে রীতিমতো গ্রাম থেকে খালি হাতেই ফেরাচ্ছেন ভোটপাখিদের ।

গ্রামবাসীদের মধ্যে সন্ধ্যা চৌবে, পুস্প চৌবে , বাবলু চৌবে প্রমুখেরা জানান, “ভোট আসে ভোট যায়, নেতা-মন্ত্রীদের প্রতিশ্রুতি মতো ভোট দিয়ে যাই আমরাও । কিন্তু ভোট পার হয়ে গেলেই সেই সব নেতা-মন্ত্রীরা ফিরেও তাকান না গ্রামের দিকে । তাই সকল গ্রামবাসী আমরা ঠিক করেছি আর ভোট নয় ।

যখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ভোট প্রচারের দেওয়াল লিখনে ব্যস্ত, তখন পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর-১ ব্লকের বেড়ো গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার একাধিক গ্রামের মানুষ প্রতিবাদে সরব হয়ে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছেন । গ্রামে রাস্তা নেই, বিদ্যালয় নেই, বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের পেনশন নেই, শৌচালয় নাই তাই ভোটও নেই ।”

বাসিন্দারা আরও বলেন, “আজ আমরা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত, গ্রামে না আছে নলকূপ, না আছে রাস্তাঘাট আর না আছে অঙ্গনওয়াড়ি । আছে তো শুধু এক চিলতে ভাঙা বাড়ি। আবাস যোজনায় ঘর পাইনি আমরা, এ ছাড়াও বেশ কিছু দাবিতে একাধিক গ্রাম একত্রিত হয়ে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছি ।”

[ আরও পড়ুন: মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের ঘরে ধরনায় বসার আগে যা করলেন মুকুল রায়! ]

তাঁরা জানান, এতে তারা অনড় থাকবেন যত দিন না পর্যন্ত তাঁদের দাবি পূরণ হয় তত দিন তাঁরা ভোট দেবেন না ।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন