rahul gavdhi, mamata banerjee, sonia gandhi

ওয়েবডেস্ক: জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার পরেও সনিয়া গান্ধী যে আগামী সাধারণ নির্বাচনে দলের রণকৌশল রচনায় মুখ্য ভূমিকা নিতে চলেছেন তা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের দিনই তিনি নয়াদিল্লিতে আগামী বৃহস্পতিবার একটি সরকার-বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির বৈঠক আহ্বান করেছেন। যেখানে সম্ভাব্য উপস্থিতির তালিকায় জুড়ে গিয়েছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। গত বৃহস্পতিবার খোলসা করে না বললেও তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়ানের মন্তব্যে তার মৃদু আভাস পাওয়া গিয়েছে।

কংগ্রেসের ডাকে আগামী লোকসভা ভোটকে সামনে রেখে দেশের সরকার-বিরোধী রাজনৈতিক দলের সংঘবদ্ধ হওয়ার বিষয়ে মমতার ভূমিকা যে নেহাত কম নয়, তা মানছেন রাজনীতির কারবারিরা। কিন্তু কংগ্রেসের প্রচারের মধ্যমণি রাহুল গান্ধীকে নিয়ে তাঁর ‘বিরূপ’ মতামত আগেই জানা গিয়েছে। ফলে তৃণমূলের রাজনৈতিক পরিকল্পনা ঠিক কোন দিকে এগোবে, তার কিছুটা ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে সনিয়ার ডাকা নয়াদিল্লির ওই বৈঠকের পরই। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূলের এক শ্রেণির কর্মী-সমর্থকরা এখন থেকেই ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছেন!

গত বৃহস্পতিবার রাজ্যের একটি লোকসভা এবং একটি বিধানসভা উপনির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়। অন্য দিকে রাজস্থানেরও দু’টি লোকসভা এবং একটি বিধানসভা উপনির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হয়েছে একই দিনে। দুই রাজ্য মিলিয়ে মোট পাঁচটি আসনে উপনির্বাচনের ফলাফলে দেখা দিয়েছে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপির ভাঁড়ার শূন্য।

ফলাফল ঘোষণার পর স্বয়ং সনিয়া ফোন করে মমতাকে শুভেচ্ছা জানান। এই ঘটনায় যথেষ্ট উজ্জীবিত তৃণমূল সমর্থকরা। তার উপর সনিয়ার ফোনের পরিপ্রেক্ষিতে মমতার ‘বিজেপির বিরুদ্ধে ওয়ান ইজটু ওয়ান লড়াই’-এর বক্তব্যও তাঁদের ধারণাকে আরও দৃঢ় করে তুলেছে। জানা গিয়েছে, ওই দিনই সন্ধ্যায় উলুবেড়িয়া লোকসভার শ্যামপুর বিধানসভায় একটি মিছিলে কিছু সমর্থক ‘রাহুল গান্ধী জিন্দাবাদ’ স্লোগান তুলতে শুরু করেন।

অবশ্য ঘটনাটিকে অস্বীকার করা হয়েছে স্থানীয় তৃণমূলের পক্ষ থেকে। বলা হয়েছে, কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে আসা কিছু সমর্থক ভুল করে বলে ফেলতে পারেন। দলনেত্রী কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা না করা পর্যন্ত কংগ্রেস নিয়ে কোনো মন্তব্য করা হবে না।

আরও পড়ুন: বিরোধী জোটের নেতা হিসেবে রাহুলকে অপছন্দ মমতার, তাহলে কাকে পছন্দ?

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন