Mamata Banerjee

ওয়েবডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের ব্রিগেড সমাবেশে আমন্ত্রণ রক্ষা করে প্রতিনিধি পাঠাচ্ছে  জাতীয় কংগ্রেসে। আগামী শনিবার রাহুল গান্ধীর দূত হিসাবে উপস্থিত থাকছেন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা তথা বর্ষীয়ান নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং রাজ্যসভার সাংসদ অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। তবে মমতার আমন্ত্রণ ছিল একান্ত ভাবে সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুলের উদ্দেশে। ফলে সমাবেশে অংশগ্রহণ করতে না পারার দরুণ আগের দিনই তৃণমূলনেত্রীর উদ্দেশে চিঠি পাঠালেন রাহুল।

রাহুল চিঠিতে মমতার ব্রিগেড সভার সাফল্য কামনা করেছেন। সারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ওই ব্রিগেড সভা যে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারে প্রতি সাধারণ মানুষের প্রতিবাদসভা হিসাবেই প্রতিফলিত হবে, তেমনটা আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। রাহুল লিখেছেন, নরেন্দ্র মোদীর মিথ্যে প্রতিশ্রুতিতে মানুষ বিভ্রান্ত।  প্রতিবাদে মানুষ আজ পথে নেমেছে। দিকভ্রষ্ট মোদী সরকারের উপর দেশবাসী আর ভরসা রাখতে পারছে না। মানুষ নতুন ভারতের স্বপ্ন দেখছে। এমন ভারত যেখানে সবাই এক। মোদী সরকারের মিথ্যার বিরুদ্ধে একজোট হওয়ার সময় এসে গিয়েছে। গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিজেপিকে হঠিয়ে সব বিরোধী দল-ই ঐক্যবদ্ধভাবে ভারত গড়তে চায়।

Loading videos...

একই সঙ্গে আগামী লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে রাহুল লিখেছেন, গণতন্ত্র রক্ষায় আজ একজোট বিরোধীরা। গণতন্ত্র-ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় থাকলে উন্নয়ন হবে। মোদী সরকার এগুলিকেই ধংস করতে চাইছে। বাংলা চিরকালই গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শকে বহন করে নিয়ে চলেছে। আগামী দিনেও তা অটুট থাকবে।

আরও পড়ুন: অতীতের ৪টি ঐতিহাসিক ব্রিগেড সমাবেশ

তবে কেন্দ্রীয় ভাবে কংগ্রেসের তরফে তৃণমূলের সমাবেশকে অভিনন্দন জানানো হলেও প্রদেশ কংগ্রেস কিন্তু দূরত্ব বজায় রাখার পথেই অবিচল রয়েছে। তৃণমূলের কর্মসূচিতে দূত পাঠানো নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র আগেই মন্তব্য করেছেন, “জাতীয় রাজনীতির কারণে খাড়গেকে পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু, রাজ্য কংগ্রেসের তৃণমূল বিরোধিতা আগে যেমন ছিল এখনও তেমনই থাকবে। ব্রিগেডের সভায় আমাদের যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.