no rain in bengal
বৃষ্টির অভাবে জলশূন্য দামোদর। দুর্গাপুর ব্যারেজ। ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: ব্যতিক্রম শুধু কলকাতা এবং বাঁকুড়া। এ ছাড়া দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই ক্রমশ বাড়ছে বৃষ্টির ঘাটতি। পরিস্থিতি এ রকম থাকলে সেপ্টেম্বরের শেষে গোটা দক্ষিণবঙ্গই বড়োসড়ো ঘাটতি দিয়ে বর্ষা যাত্রা শেষ করতে পারে।

১ জুন থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আলিপুর আবহাওয়া দফতরের রেকর্ড বলছে, কলকাতা এবং বাঁকুড়ায় বৃষ্টির পরিমাণ স্বাভাবিকের থেকে যথাক্রমে ৪ এবং ২ শতাংশ বেশি। বাকি সব জায়গাতেই ছবিটা বেশ খারাপ। দক্ষিণবঙ্গের সব থেকে খারাপ অবস্থা মুর্শিদাবাদের। সেখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ স্বাভাবিকে থেকে ৪৭ শতাংশ কম। বীরভূম, হাওড়া, হুগলি এবং নদিয়ায় যথাক্রমে ৩২ শতাংশ, ২৯ শতাংশ, ২৮ শতাংশ এবং ২২ শতাংশ কম। ১৪ থেকে ১৮ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা, দুই মেদিনীপুর, দুই বর্ধমান, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামে। তুলনায় ছবিটা কিছুটা ভালো উত্তর ২৪ পরগণায়। সেখানে বৃষ্টির পরিমাণ স্বাভাবিকের থেকে ৩ শতাংশ কম।

আরও পড়ুন দুঃস্থ অসুস্থ শিশুর কল্যাণে রক্তদান শিবিরের আয়োজন

বৃষ্টির ঘাটতির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার পেছনে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপগুলির ওড়িশামুখী হওয়াকে দায়ী করেন বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমার কর্ণধার রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা। এ বছর কলকাতায় জুনে স্বাভাবিকের থেকে অনেক বেশি বৃষ্টি হয়েছিল। সেই কারণেই এখনও বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তি রয়েছে শহরে। অন্য দিকে বাঁকুড়ায় আগস্টের শুরুতে যে সাড়ে তিনশো মিলিমিটারের রেকর্ড বৃষ্টি হয় তার জন্য বৃষ্টি বাড়তি সে জেলাতেও। কিন্তু দক্ষিণবঙ্গের বাকি অঞ্চলে আর বিশেষ বৃষ্টির দেখা নেই।

আগামী কয়েক দিনের পূর্বাভাসও খুব একটা ভালো কিছু নয়। এই মুহূর্তে দক্ষিণবঙ্গের ওপর দিয়ে একটি অক্ষরেখা রয়েছে। তার প্রভাবে বিক্ষিপ্ত ভাবে অল্প সময়ের বৃষ্টির বেশি কিছু আশা করা যাচ্ছে না। এই ঘাটতি দূর করতে পারে একমাত্র বড়ো কোনো নিম্নচাপ। কিন্তু আগামী কয়েক দিন সে রকম কোনো পূর্বাভাসও দেয়নি আবহাওয়া দফতর।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন