rain

কলকাতা: মঙ্গলবার মহালয়া। পিতৃপক্ষের শেষ দিন। পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণের দিন। ভোরে, সকালে তর্পণের সময় বৃষ্টি না হওয়ারই সম্ভাবনা, যদিও পুজো শুরু হওয়ার আগেই ফের বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়্বেছে দক্ষিণবঙ্গে। রবিবার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জোর বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস আগামী কয়েক দিন এ রকম বৃষ্টি চলবে।

ভিয়েতনামে আছড়ে পড়া টাইফুন ডোকসুরের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সেই সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের ওপরেও একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। এই দুইয়ের প্রভাবে পালটে গিয়েছে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া। শনিবার পর্যন্ত ছড়ি ঘুরিয়েছে সূর্য, সেই সঙ্গে ছিল মাত্রাছাড়া আর্দ্রতা। রবিবার দুপুরের পর থেকে বৃষ্টি শুরু হয় দক্ষিণবঙ্গে।

বৃষ্টির দাপট সব থেকে বেশি ছিল পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে। সেখানে ১৫৮ মিমি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। বীরভূমের সদর সিউড়িতে বৃষ্টি হয়েছে ১১০ মিমি। এ ছাড়াও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টি হয়েছে বর্ধমান, মেদিনীপুর, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়াতেও। ঘূর্ণাবর্তের ফলে দক্ষিণবঙ্গে জলীয় বাষ্প ঢুকছে, তার প্রভাবেই এই বৃষ্টি বলে জানান বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমার কর্ণধার রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা।

তবে মহালয়ার দিন সকালে তর্পণের সময় বৃষ্টি না হওয়ারই সম্ভাবনা দেখছেন তিনি। তাঁর কথায়, “মঙ্গলবার সকালে মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব একটা নেই। আবহাওয়া ঠান্ডা ঠান্ডা থাকবে। ঘণ্টায় আট কিলোমিটার বেগের ফুরফুরে হাওয়াও থাকবে।” তবে বেলা বাড়ার পর ফের এক দফা বৃষ্টির সতর্কতা শুনিয়েছেন তিনি।

আপাতত এ রকম কমবেশি বৃষ্টি চলবে দু’তিন দিন। সপ্তাহের শেষ থেকেই বৃষ্টি কমে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। রবীন্দ্রবাবুর আশা, পুজোর শুরুটা ভালো আবহাওয়াতেই হবে, তবে নবমী থেকে ফের একটা নিম্নচাপ দক্ষিণবঙ্গে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন