সান্দাকফুতে তুষারপাত

ওয়েবডেস্ক: উত্তর ভারত থেকে বয়ে আসা পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের ফলে ঢুকে পড়া জলীয় বাষ্প। এই দুইয়ের প্রভাবে প্রজাতন্ত্র দিবসের সময়ে ফের তুষারপাত হতে পারে পার্বত্য পশ্চিমবঙ্গ এবং সিকিমে। এমনই ইঙ্গিত দিয়েছে বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমা।

এই মুহূর্তে একটি শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রভাব ফেলছে উত্তর ভারতে। বুধবার পর্যন্ত উত্তরের তিন রাজ্য কাশ্মীরে, হিমাচল এবং উত্তরাখণ্ডে ব্যাপক তুষারপাত ঘটাতে পারে। ইতিমধ্যেই এই রাজ্যে চরম সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে এটি ধীরে ধীরে পূর্বে সরবে। নেপাল হয়ে ঝঞ্ঝাটি এসে পৌঁছবে সিকিম এবং সন্নিহিত উত্তরবঙ্গের ওপরে।

পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এতটা পথ পাড়ি দিয়ে সাধারণ ভাবে দুর্বল হয়ে যায়। কিন্তু এ বার সম্ভবত সেটা হবে না। এর কারণ বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে চলা একটি নিম্নচাপ। এই নিম্নচাপের প্রভাবে ঢুকতে থাকা জলীয় বাষ্প সেই ঝঞ্ঝার শক্তি আরও কিছুটা বাড়িয়ে দেবে। পাশাপাশি জলীয় বাষ্পের জোগান দেবে আরব সাগরও। এর প্রভাবে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে সিকিমে। সান্দাকফু-ফালুট অঞ্চলেও তুষারপাত হতে পারে। তবে দার্জিলিং শহরে এ বার তুষারপাতের সম্ভাবনা কম। কারণ এই মুহূর্তে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেশিই। সোমবার দার্জিলিং-এর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩.৮ ডিগ্রি। ফলে তুষারবৃষ্টি বা শিলাবৃষ্টিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে দার্জিলিংকে।

আরও পড়ুন পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে রাজ্যে ব্যাকফুটে যাবে শীত, আর ফিরবে কি?

গত কয়েকটি বছরের থেকে এ বার সিকিমে অনেকটাই বেশি তুষারপাত হয়েছে। অনেক তাড়াতাড়ি বরফ পড়েছে সান্দাকফুতে। দীর্ঘ এগারো বছর পরে তুষারের দেখা পেয়েছে দার্জিলিং শহর। ফের এক বার তুষারপাতের সম্ভাবনা সাধারণ মানুষের উৎসাহ যে বাড়াবে সেটা বলাই বাহুল্য। পাশাপাশি এই সময়ে উত্তরবঙ্গের সমতলে হালকা বৃষ্টিও হতে পারে।

তাপমাত্রা এখনও দশের নীচে থাকলেও শীতের দাপট আগের থেকে কমেছে উত্তরবঙ্গে। তবে এই বৃষ্টি-তুষারপাতের পালা শেষ হলে ফের জাঁকিয়ে শীত পড়বে সেখানে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here