bhangar
নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় নির্দেশে ভাঙড়ের কাশীপুর থানার মোড় থেকে শান্তি মিছিলে অংশ নিলেন খাদ্য প্রক্রিয়াকরণমন্ত্রী তথা স্থানীয় বিধায়ক আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা, ভাঙড়- ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আরাবুল ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য কাইজার আহমেদ, ভাঙড়- ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অহিদুল ইসলাম, নান্নু হোসেন, আরাবুল পুত্র হাকিমুল ইসলাম ও  পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ আব্দুর রহিম মোল্লা-সহ দলের প্রথম সারির সমস্ত স্থানীয় নেতা-নেত্রী ।
মিছিল শুরুর মুখে  রেজ্জাক মোল্লাকে ভিড়ের চাপে কার্যত নাস্তানাবুদ হতে হয় । চার কিমি দূরে অনন্তপুরে মোড়ে গিয়ে এই মিছিল শেষ হয় । মিছিল শেষে অনন্তপুরে এক জন সভা করে তৃণমূল কংগ্রেস ।এই সভায় তৃনমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব হাতে হাত রেখে ঐক্যের বার্তা দেন ।  এই জনসভা থেকে মন্ত্রী  রেজ্জাক মোল্লা কার্যত চ্যালেঞ্জের সুরে বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের আগে পাওয়ার গ্রিড চালু হবেই । এর পাশাপাশি অন্যান্য নেতৃত্বও তাঁর সঙ্গে এক বাক্যে বলেন, পাওয়ার গ্রিড চালু করার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
রেজ্জাক  বলেন ,এই মহামিছিলের উদ্দেশ্য ভাঙড়ে শান্তি চাই ,পাওয়ার গ্রিড চালু করতে চাই ,ভাঙড়- ১ ও ২ ব্লকের ছলক্ষ মানুষ প্রতিদিন লো ভোল্টেজ সম্যসা থেকে মুক্তি পাবে। ভাঙড়ে পঞ্চায়েত ভোটের আগে পাওয়ার গ্রিড চালু হবেই। ওদের ক্ষমতা থাকলে দেখাক ,আন্দোলন চলতে দেওয়া হবে না ।
তিনি পাওয়ার গ্রিডের স্ব-পক্ষে আরও বলেন, ‘ফরাক্কাতেও আছে পাওয়ার গ্রিড ,ভাঙড়- ১ ও ২ ব্লকের বিদ্যুৎ আসে নলমুড়ি, থেকে যা ২২ কিমি দূরে । এর জন্যই বিদ্যুৎমন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম নলমুড়ির পরিবহণ ক্ষমতা কম । ভাঙর- ১ ও ২ ব্লকে পাওয়ার স্টেশন স্থাপন করতে হবে । উনি রাজি হয়েছেন । আমরা হ্যারিকেনের আলোয় পড়াশোনা করেছি । এখন বিদ্যুৎ থাকা সত্ত্বেও ছাত্র –ছাত্রীরা পড়তে পারবে না । ছেলেরা কি ঘোড়ার ঘাস কাটবে, তারা চাষি হবে ? বিদ্যুৎ না থাকলে মুড়ি ,তেলের কল চলবে কি করে ।’

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here