Krishnendu Narayan Chowdhury
ছবি: নিউজ২৪ থেকে

ওয়েবডেস্ক: মালদহ জেলা পরিষদের মেন্টরপদ থেকে অপসারিত হলেন রাজ্যের প্রাক্তনমন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী। যদিও ওই পদ থেকে অপসারণ নয়, তিনি ইস্তফা দিয়েছেন বলেই দাবি করলেন কৃষ্ণেন্দু।

গত বুধবার ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান নীহাররঞ্জন ঘোষের বিরুদ্ধে অনাস্থা নিয়ে এসেছেন ১৫ জন কাউন্সিলার। যার জেরে ২৯টি ওয়ার্ডের ইংরেজবাজার পুরসভায় শাসক দল তৃণমূলের কর্তৃত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন উঠে যায়। একটি মহলের দাবি, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা নিয়ে আসায় কাউন্সিলারদের ‘ইন্ধন’ দেওয়ার অভিযোগেই অপসারণ করা হল কৃষ্ণেন্দুকে।

যদিও অপসারণ তত্ত্বে মান্যতা দেননি কৃষ্ণেন্দু। তিনি দাবি করেন, নিয়োগের সময় যদি অ্যাপোয়েন্টমেন্ট লেটার দেওয়া হয়, তা হলে অপসারণের সময়ও নিশ্চয় সে কোনো চিঠি দেওয়া হবে। কিন্তু এমন কোনো চিঠি তিনি পাননি।

তাঁর কথায়, “১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি হচ্ছে। যা নিয়ে প্রতিবাদ করেও কোনো কাজ হয়নি। সেই কারণেই ওই পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি”। একই সঙ্গে পঞ্চায়েত আইনে এমন কোনো পদের বৈধতা নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।

কয়েক দিন আগেই ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পঞ্চায়েত সচিব এবং জেলাশাসকের দ্বারস্ত হয়েছিলেন কৃষ্ণেন্দু। তিনি ১০০ দিনের প্রকল্পে ইংরেজবাজারে বেআইনি ভাবে পুকুর সংস্কারের কাজের বিরুদ্ধে সরব হন।

[ আরও পড়ুন: সল্টলেকে দিলীপ ঘোষের বাড়ির সামনে হাজির তৃণমূল বিধায়ক ]

উল্লেখ্য, এর আগে ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী। দু’বছর আগে তাঁকে সরিয়ে চেয়ারম্যান করা হয় নীহাররঞ্জন ঘোষকে। মাসখানেক আগে নীহাররঞ্জন ঘোষের সঙ্গে কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীর হাতাহাতির খবর পাওয়া গিয়েছিল। সাফাই অভিযানকে কেন্দ্র করে দুই বর্তমান এবং প্রাক্তন চেয়ারম্যানের মধ্যে পুরসভা চত্তরেই বিবাদ বাঁধে বলে জানা যায়।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন