ওয়েবডেস্ক: এক জন নিরাপত্তারক্ষী পেতেন বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস। গত শনিবার ছুটিতে ছিলেন বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষী। সেখান থেকেই অনুমান, আততায়ীরা সে বিষয়ে বেশ ভালো করেই জানত। এবং যে সময় বিধায়কের সঙ্গে কোনো নিরাপত্তারক্ষী নেই, সেই সময়টিকেই তারা কাজে লাগিয়েছে।

আরও পড়ুন: তৃণমূল বিধায়ক খুনে ঘুরেফিরে অভিযোগের তির কেন মুকুল রায়ের দিকে?

ঘটনারই পরই হাঁসখালি থানার আইসি-কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। নিরাপত্তারক্ষীর ছুটি আইনমাফিক দেওয়া হয়েছিল কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Satyajit Biswas
সত্যজিৎ বিশ্বাস। ফাইল ছবি

একই সঙ্গে স্থানীয়দের দাবি, ওই দিন অনুষ্ঠান চলাকালীন ১০-১১ বার লোডশেডিং হয়। আততায়ীদের ছক মতোই ওই লোডশেডিং করা হয় বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

নদিয়ায় তৃণমূল বিধায়ক খুনে গ্রেফতার ২

পুলিশ সূত্রে খবর, বিধায়ক খুনের ঘটনায় ৪ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। একই ভাবে আটক করা হয়েছে তিন সন্দেহজনকে। তাদের জেরা করছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে সিআইডি-ও। তাদের নজরেও রয়েছে এক বছর তিরিশের যুবক। ঘটনাস্থল থেকে যাকে ছুটে পালিয়ে যেতে দেখেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ঘটনার পরও যাকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

[ আরও পড়ুন: সরস্বতী পুজোর অনুষ্ঠানে কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ককে গুলি করে খুন ]

উল্লেখ্য, গত শনিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ হাঁসখালি থানার ফুলবাড়ি গ্রামে নিজের বাড়ির সামনেই খুন হন কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস। সরস্বতী পুজোর একটি মণ্ডপ উদ্বোধনের জন্য তিনি বাড়ি থেকে বেরনোর পরেই ঘটে যায় ঘটনা। দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকেই তাঁর কপালে গুলি করে চম্পট দেয়। গুলিবিদ্ধ বিধায়ককে দ্রুত শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

[ আরও পড়ুন: তৃণমূল বিধায়ককে গুলি করে পরিকল্পনামাফিক খুন, যাচ্ছে সিআইডি ]

গত ২০১৫ সালে উপনির্বাচনে জিতে প্রথমবার বিধায়ক হন সত্যজিৎ। একই ভাবে পরের বছর ২০১৬-তেও বিপুল ভোটে পুনর্নির্বাচিত হন তিনি। নদিয়া জেলা যুব তৃণমূল সভাপতির দায়িত্বের পাশাপাশি দলের তরফে নদিয়ায় মতুয়া সংগঠনেরও দায়িত্ব সামলাতেন তিনি।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here