landslide in darjeeling

ওয়েবডেস্ক: বর্ষাকালে পাহাড়ে গেলে সাবধান! যে কোনো মুহূর্তে ধসের কবলে পড়তে পারেন আপনি। এমনই জানা যাচ্ছে জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার করা একটি সমীক্ষা থেকে। দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলার সতেরো শতাংশ অঞ্চলকেই অতি ধসপ্রবণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে তারা।

ভারতের ১৮টা রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চলে সমীক্ষা চালিয়ে এই তালিকা তৈরি করেছে জিএসআই। ধসপ্রবণ এলাকার নিরিখে তিনটে ভাগ তৈরি করেছে তারা। অতি ধসপ্রবণ, মাঝারি ধসপ্রবণ এবং কম ধসপ্রবণ। এর মধ্যে দার্জিলিং-কালিম্পঙের সতেরো শতাংশ এলাকাকে অতি-ধসপ্রবণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার পাশাপাশি ৪০ শতাংশ অঞ্চলকে মাঝারি ধসপ্রবণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ, এই দুই জেলার মোট ৫৭ শতাংশ অঞ্চল ধসপ্রবণ। মাত্র ৪৩ শতাংশ অঞ্চল কম ধসপ্রবণ।

দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং ছাড়াও পর্যটকদের কাছে পরিচিত কিছু অঞ্চলকেও অতি ধসপ্রবণ অঞ্চলের তালিকায় ফেলেছে জিএসআই। সেগুলি হল তিনধারিয়া, গিদ্দাপাহাড়, পাগলাঝোরা, লিম্বুধারিয়া, সৌরেনি, দারাগাও এবং কালিঝোরা। প্রতিবেশী সিকিমের অধিকাংশ অঞ্চলকেও ধসপ্রবণ অঞ্চলের তালিকায় রেখেছে জিএসআই।

ধসপ্রবণ এলাকা নিয়ে একটি মানচিত্রও তৈরি করছে জিএসআই। কিছু দিনের মধ্যেই সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে সেই মানচিত্র এসে যাবে বলে জানিয়েছেন এই সমীক্ষার যুক্ত থাকা জিএসআইয়ের বিজ্ঞানী পঙ্কজ জয়সওয়াল। তিনি বলেন, “দার্জিলিং কালিম্পঙের যে অঞ্চলগুলিকে অতি ধসপ্রবণের তালিকায় রাখা হয়েছে, সেখানেই ৭০ শতাংশ ধসের ঘটনা ঘটেছে।”

ধসপ্রবণ অঞ্চলের মানচিত্র হাতে পেলে পাহাড়ের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে বলে মনে করেন এই বিজ্ঞানী।