শান্তিনিকেতন: উত্তুরে হাওয়ার দাপটে পারদ ক্রমশ কমছে গোটা রাজ্যে। দশের নীচে নেমে গিয়েছে শান্তিনিকেতনের তাপমাত্রা। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তা আরও কমার সম্ভাবনা। জম্পেশ শীতকে সঙ্গী করেই রবিবার থেকে শান্তিনিকেতনে শুরু হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা।

পৌষমেলায় দূষণ নিয়ে দীর্ঘ টানাপড়েন চলেছে। এক সময় অতিরিক্ত দূষণের কারণে প্রায় বন্ধ হতে বসেছিল এই মেলা। মেলায় দূষণ কী ভাবে কম করা যায়, তা নিয়ে যেমন উদ্যোগী হয়েছেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ, তেমনই সঙ্গত করছেন ব্যবসায়ীরাও।

পৌষমেলার দূষণ নিয়ে জাতীয় পরিবেশ আদালতে ২০১৫ সালে মামলা করেছিলেন পরিবেশ কর্মী সুভাষ দত্ত। ২০১৬ সালে মেলা হয়ে যায় তিন দিনের। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পরে ২০১৭ সালের ১ নভেম্বর জাতীয় পরিবেশ আদালতের বিচারপতি এসপি ওয়াংদি এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য পিসি মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয় পৌষমেলা হবে ছ’ দিনের। সেই নিয়ম মেনে এ বছরও মেলা হবে ছ’ দিনেরই (২৩ থেকে ২৮ ডিসেম্বর)। দূষণ নিয়ে সতর্কতা অবশ্য একই ভাবে জারি রয়েছে।

মেলায় দূষণের প্রধান উৎস হল যথেচ্ছ জেনারেটর ব্যবহার। জেনারেটর প্রসঙ্গে সুভাষবাবু জানান, দু’ রকম জেনারেটর হয়। এর মধ্যে ‘গ্রিন জেনারেটর’-এ আওয়াজ এবং ধোঁয়া কিছুই থাকে না। অন্যটা হল ‘ব্ল্যাক জেনারেটর’, যার আওয়াজ এবং ধোঁয়া দুটিই বেশি। এ ছাড়া ব্ল্যাক জেনারেটর ব্যবহার করা আইনত অপরাধ। পুলিশ চাইলে ব্যবহারকারীকে গ্রেফতার পর্যন্ত করতে পারে।

মেলা কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, যাঁদের স্টল দেওয়া হয়েছে, তাঁদের সব রকম ভাবেই সতর্ক করা হয়েছে। এর পরও কোনো ভাবে নিয়ম লঙ্ঘন করে কিছু হচ্ছে কি না, সে দিকে নজর রাখবেন তাঁরাও।

ইতিমধ্যেই এই মেলাকে কেন্দ্র করে সেজে উঠছে শান্তিনিকেতন। আসতে শুরু করে দিয়েছেন পর্যটকরা।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন