দলীয় কার্যালয়ের রূপ ফেরাতে পথে নামলেন মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা।
ইন্দ্রাণী সেন

বাঁকুড়া: ‘বেদখল’ হয়ে যাওয়া দলীয় কার্যালয়কে ‘পুনরুদ্ধার’ করতে মাঠে নামলেন স্বয়ং মন্ত্রী। কার্যালয়ের চাবি খুলে প্রথমে দেওয়ালে আঁকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাদামাখা ছবিটি পরিষ্কার করলেন। তার পর ঝাঁটা হাতে নেমে পড়লেন তিনি। সব কিছু পরিষ্কার করে শেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের প্রতিমন্ত্রী তথা বিষ্ণুপুরের তৃণমূল জেলা সভাপতি শ্যামল সাঁতরা।

এর পরে এলাকার তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নতুন করে দলীয় প্রতীক ও পতাকা লাগিয়ে দলীয় কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে উদ্যোগী হলেন শ্যামলবাবু।

লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে বাঁকুড়া জেলা জুড়ে রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ক্রমশ বাড়তে থাকে। বাঁকুড়া জেলা জুড়ে তৃণমূলের বেশ কিছু কার্যালয় দখল করে বিজেপি। বাদ যায়নি জয়পুরের হেতিয়া গ্রামে দলের কার্যালয়টিও। তবে সরাসরি দখল না করে এই কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বিজেপি, এমনই অভিযোগ তৃণমূলের। তৃণমূলের পতাকা ছিঁড়ে ফেলার পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিতেও কাদা-গোবর লাগিয়ে দেওয়া হয়।

গত রবিবার শ্যামল সাঁতরাকে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার পরেই এলাকায় নিজেদের দলীয় কার্যালয় খোলার উদ্যোগ নেন স্বয়ং শ্যামলবাবু।

আরও পড়ুন এক দিনেই ৪টি পুরসভা হাতছাড়া হল তৃণমূলের!

এ বারের লোকসভা নির্বাচনে বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শ্যামলবাবু বিজেপির সৌমিত্র খাঁয়ের কাছে ৭৮,০৪৭ ভোটে পরাজিত হন। এর পরেই বিজেপি হেতিয়া গ্রামে তাদের দলীয় কার্যালয়ে বেপরোয়া ভাবে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হয়েছে। দলীয় কার্যালয় খোলার পরে এলাকার সমস্ত রাজনৈতিক দলকে রাজনীতি ভুলে এক সঙ্গে পথ চলারও বার্তা দেন শ্যামলবাবু।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here