বন্ধুত্ব শব্দের মানেটা নানা বয়সে নানা চেহারায় ধরা দেয় আমাদের কাছে। আবার সমাজের নানা শ্রেণির মানুষের কাছে শব্দটা আলাদা আলাদা অর্থ বহন করে। তবু সে সবের সীমানা পেরিয়ে বন্ধু শব্দটা সকলের মনেই তৈরি করে এক ইতিবাচক আবহ। সে জন্যই বোধহয় হিরোসিমায় পরমাণু বোমা ফেলার দিনটাকেই দুনিয়া জুড়ে ফ্রেন্ডশিপ ডে হিসেবে পালন করে ইউনেস্কো।

কিন্তু সে সবই ইতিহাস আর আনুষ্ঠানিকতার কথা। বাস্তবে কেমন, আজকের দিনের বন্ধুত্বের রং-রূপ ?

”স্কুলে পড়াকালীন ফ্রেন্ডশিপ ডে-র এক সপ্তাহ আগে থেকেই ফ্রেন্ডশিপ ব্যান্ড বানানো তড়িঘড়ি শুরু হয়ে যেত। রিবন, পুঁতি জোগাড় করারও একটা আলাদা মজা ছিল। কে কত ভালো ফ্রেন্ডশিপ ব্যান্ড বানাতে পারে, সেটা দেখা হত। আর ফ্রেন্ডশিপ ডে-র দিন দেখা হত, কার হাতে কতগুলো ব্যান্ড রয়েছে। যার হাতে বেশি ব্যান্ড থাকত, ধরে নেওয়া হত তার বন্ধুর সংখ্যা বেশি! কিন্তু যত বড় হতে লাগলাম ব্যান্ডের সংখ্যাও কেমন যেন লিমিটেড হয়ে যেতে লাগল। এটাই হয়তো জীবনের অদ্ভুত এক ম্যাজিক!” বলছিলেন অভিনেত্রী মুমতাজ সরকার। সোমবার কলকাতার পাম রেস্তোরাঁয় সমাজের পিছিয়ে থাকা ছেলেমেয়েদের সঙ্গে প্রি ফ্রেন্ডশিপ ডে উদ্‌যাপন করলেন জাদুকর-তনয়া।  

mumtaj-cinni-1

এ দিন খুদেদের জন্য নিজের হাতে একটি কেক বানিয়ে আনেন মুমতাজ। মুমতাজের দাবি, কেকটি বানাতে দু’দিন সময় লেগেছে তাঁর। নিজের হাতে কেক কেটে এ দিন ছোটদের সঙ্গে জমজমাট সময় কাটালেন মুমতাজ।

কেক কাটার পাশাপাশি এ দিন খুদেদের সঙ্গে লাঞ্চও করেন অভিনেত্রী। আর নিজেদের চেনামুখ-কে চোখের সামনে পেয়ে বেজায় খুশি ছিল ছোটরাও।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here