son

ওয়েবডেস্ক: গত মঙ্গলবারের সেই ধিকৃত ঘটনার ভিডিও সারা দিন ধরেই ঘুরছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা চোখ এড়ায়নি পুলিশেরও। কারণ, কলকাতা পুলিশের ফেসবুক পেজেও উঠে আসে সেই নির্মম ঘটনার দৃশ্য। ফেসবুকে একটার পর একটা অ্যাকাউন্টে শেয়ার হয়েছে সেই ভিডিও। কেউ কেউ চলমান নারকীয় দৃশ্য দেখে ভিডিও ছাড়াই পোস্ট করেছেন নিজের মন্তব্য। তবে যিনি প্রথম ওই ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন, তাঁর কাছ থেকে সেই মানবরূপী ‘দানবের’ গ্রেফতারের খবর শুনে নেটিজেনরা এখন কিছুটা হলেও আশ্বস্ত হতে পারছেন।

সকাল থেকেই ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল, পক্ককেশের পিতার উপর এক নধর ‘পুত্র’-এর বলপ্রয়োগের দৃশ্য। ভিডিও থেকেই বোঝা যায়, ওই নবতিপর বৃদ্ধকে কেউ বিজয়ায় মিষ্টি খেতে দিয়েছিল। তিনি সেই মিষ্টি তিনি স্ত্রীকে এনে খাইয়েছিলেন। যা দেখে ফেলে ছেলে প্রদীপ। মায়ের সুগার বেড়ে যাবে এই অজুহাতে নির্মম ভাবে মারতে থাকে বাবাকে। যখন প্রদীপ তার বাবাকে মারছে, তখন মাঝেমধ্যেই দেখা যাচ্ছে তার স্ত্রীকে। আশ্চর্যের বিষয়, স্বামী যখন বৃদ্ধ শ্বশুরকে বেদম চড়-থাপ্পড় লাগাচ্ছে, তখন তিনি কেমন উদাসীন। কোনো প্রতিবাদ নেই তাঁর মুখেও।

জানা যায়, ওই বৃদ্ধ অশোকনগর বিল্ডিংমোড়ের কাঠগোলায় বসবাসকারী মানিকলাল সরকার। পেশায় এলাকার হাতুড়ে ডাক্তার। তাঁর স্ত্রীর বয়স ৮২ বছর। তিনি ডায়াবেটিসের রোগী। মিষ্টি খাওয়া বারণ। মানিকলালবাবু কোনো প্রতিবেশীর দেওয়া মিষ্টি স্ত্রীকে লুকিয়ে খেতে দেওয়াতেই রেগে হিতাহিত জ্ঞান হারানো প্রদীপের এই আচরণে নেটদুনিয়ায় চলতে থাকে ক্ষোভের বহির্প্রকাশ। গালাগালির বহর হয়তো প্রদীপের কানে পৌঁছতে নাও পারে, তবে পুলিশ নিজের মতোই ব্যবস্থা নিয়েছে।

জানা গিয়েছে, প্রদীপ তার বাবাকে এর আগেও বহুবার মেরেছে। যে কারণে এক প্রতিবেশী লুকিয়ে ওই ঘটনা মোবাইল-বন্দি করেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here