Connect with us

দঃ ২৪ পরগনা

এক ঘণ্টার মহাগুরুত্বপূর্ণ ব্যবধানই সুন্দরবনকে আরও বড়ো বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচাল

খবর অনলাইনডেস্ক: কলকাতার আবাসনে নিরাপত্তারক্ষীর দায়িত্বে থাকা নিতাই মান্নার মনটা সেই বুধবারের পর থেকেই খারাপ ছিল। সুন্দরবনের গোসাবায় বাড়ি তাঁর। ভয়াল ঘূর্ণিঝড়ের পর যোগাযোগ ব্যবস্থা এক্কেবারে ভেঙে পড়েছে।

গ্রামের কোনো খবর পাচ্ছিলেন না। চিন্তা একটাই, বাঁধটা ঠিকঠাক আছে কি না। গাছ পড়ুক, বাড়ির চাল উড়ুক, তাতে নিতাইবাবুদের কোনো সমস্যা নেই। আবার নতুন করে সব গড়বেন, কিন্তু বাঁধ ভেঙে চাষের জমিতে নোনা জল ঢুকে গেলে, সেটা চাষযোগ্য করতে তিন-চার বছর লেগে যেতে পারে।

রবিবার সন্ধ্যায় নিতাইবাবু গ্রাম থেকে ফোন পেয়েছেন। ফোনের ও পারে থাকা তাঁর আত্মীয়ের সঙ্গে কথা বলেই স্বস্তি। মুখে হাসি ফুটে উঠল তাঁর। বাঁধ ভাঙেনি। নোনা জল ঢোকেনি।

২০০৯-এর আয়লার পর থেকে কোনো ঘূর্ণিঝড় সুন্দরবনের দিকে এলেই চিন্তা বাড়ে সেখানকার মানুষের মধ্যে। বাঁধ ভাঙলে সব শেষ। এ বার ভয়াল ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের দাপটে বাঁধ যে একদমই ভাঙেনি তা নয়, কিন্তু আয়লার সঙ্গে তুলনা করলে তা অনেকটাই কম।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, জোয়ারের সর্বোচ্চ উচ্চতা আর উম্পুনের সর্বোচ্চ দাপটের মধ্যে এক ঘণ্টার একটা মহাগুরুত্বপূর্ণ ব্যবধানই এ বার সুন্দরবনকে অনেকাংশেই রক্ষা করেছে।

তাঁদের বক্তব্য, উম্পুনের দাপটে প্রায় ৯০ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে প্রচুর। কিন্তু ঝড়ের সর্বোচ্চ দাপটের সময়েই জোয়ার সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছোত তা হলে সুন্দরবন যে ভাবে বিধ্বস্ত হত তা ধারণারও বাইরে। হয়তো আয়লার থেকেও বেশি ভয়ংকর হত পরিস্থিতি।

সাগরদ্বীপের এক স্কুলশিক্ষক জয়দেব দাস বলেন, “দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে সাড়ে তিনটে পর্যন্ত প্রবল দাপটের সঙ্গে ঝড় হয়। এর পর এক ঘণ্টা সব কিছু শান্ত হয়ে যায়। তার পর আরও দ্বিগুণ দাপটে ঝড় শুরু হয়। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত সেটা চলতে থাকে।”

অন্য দিকে রাত সাড়ে আটটা নাগাদ জোয়ারের জল সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছোয়। সাগরদ্বীপে ঝড় ততক্ষণে অনেকটাই স্তিমিত হয়ে উত্তর ২৪ পরগণার দিকে চলে গিয়েছে।

কলকাতা বন্দরের এক আধিকারিক জানান, “উম্পুন আর জোয়ারের জেরে সাগরদ্বীপে জলের স্তর রাত ৮:৩৮-এ স্বাভাবিকের থেকে ০.৭ মিটার ওপরে ছিল। কিন্তু ঝড় আর জোয়ার যদি এক সঙ্গে আসত, তা হলে তার ফল যে কী হত, তা ভাবনারও বাইরে।”

ডাউন টু আর্থকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপত সৌগত হাজরা বলেন, “সুন্দরবনের মাটির বাঁধগুলোর গড় উচ্চতা ৫ মিটার। এর মধ্যে বেশির ভাগ বাঁধই কোনো রকম করে ভেঙে যাওয়ার থেকে বেঁচে গিয়েছে।”

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে আয়লা হামলা করেছিল ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টার গতিবেগ নিয়ে। আর এ বার উম্পুন তাণ্ডব চালিয়েছে ১৮৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। তবুও বাঁধ ভাঙার ক্ষেত্রে এ বার সুন্দরবনের ছবিটা আয়লার থেকে ভালো।

আয়লার সময়ে ৯৯০ কিলোমিটারের মতো বাঁধ পুরোপুরি ভেঙে গিয়েছিল। সেচ দফতরের এক আধিকারিক বলেন, “এখনও পর্যন্ত আমার কাছে আসা তথ্য অনুযায়ী ৮৭ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৮ কিলোমিটার বাঁধ পুরোপুরি ভেঙে গিয়েছে। বাকিটা কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত। এর বেশিটাই দক্ষিণ ২৪ পরগণায়। সেখানে ৬ কিলোমিটার বাঁধ পুরোপুরি ভেঙেছে আর ৫৬ কিলোমিটার কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত।”

এক আধিকারিকের কথায়, “বসিরহাট ১, হিঙ্গলগঞ্জ, হাসনাবাদ ২, বাসন্তী, ক্যানিং, কুলতলি, পাথরপ্রতিমা, মিনাখাঁ ব্লকে বাঁধ ভাঙার ঘটনা ঘটেছে।”

কিন্তু এ বারের এই ‘কম ক্ষতির’ পরিসংখ্যানটি শুধুমাত্র রেকর্ড বইয়ের জন্যই। উত্তর আর দক্ষিণ ২৪ পরগণায় ঝড়ের দাপটে যে ভাবে বাড়িঘর ভেঙে পড়েছে, তার কোনো সান্ত্বনা হয় না।

চিন্তা রয়েছে সুন্দরবনের। বুলবুলের পর মাত্র ছ’মাসের মধ্যেই আরও এক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হানা দিল। জলবায়ু পরিবর্তনের আর কী প্রভাব এই অঞ্চলে পড়বে, সেটাই এখন ভাবিয়ে তুলছে এখানকার বাসিন্দা, প্রশাসন আর পরিবেশবিদদের।

দঃ ২৪ পরগনা

বিডিও অফিসে উম্পুনে ক্ষতিপূরণের ফর্ম জমা দিতে গিয়ে কুলতলিতে পদপিষ্ট একাধিক

ভিড়ের চাপে বেশ কয়েকজন মহিলা মাটিতে পড়ে যান। কেউ আবার তাঁদের উপর দিয়েই চলে যান। ফলে মাটিতে পড়ে থাকা মহিলারা আহত হন।

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, কুলতলিত: ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে (Cyclone Amphan) ক্ষতিপূরণের ফর্ম জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে। বৃহস্পতিবার বিডিও অফিসের সামনে হুড়োহুড়িতে সরকারি ভাবে দু’জন মহিলার পদপিষ্ট হওয়ার কথা স্বীকার করা হয়েছে।

বিডিও অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যা গায়েন এবং অসীমা হালদার নামে দুই পদপিষ্ট মহিলাকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তবে আবেদনকারীদের দাবি, আরও বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন।

এ দিন বিডিও অফিসের সামনে আবেদনকারীদের ভিড় ক্রমশ লম্বা হতে শুরু করে। সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে পড়তে শুরু করেন অনেকে। বেলা গড়ালে রোদের তাপে কেউ কেউ অসুস্থ হয়েও পড়েন। ঘটনায় প্রকাশ, তাঁদের মধ্যেই কেউ কেউ আগে নিজের ফর্ম দিতে চান। যা নিয়ে বিতর্ক বাঁধে। শুরু হয়ে যায় হুড়োহুড়ি।

সে সময় ভিড়ের চাপে বেশ কয়েকজন মহিলা মাটিতে পড়ে যান। কেউ আবার তাঁদের উপর দিয়েই চলে যান। ফলে মাটিতে পড়ে থাকা মহিলারা আহত হন। দুই মহিলাকে তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় জামতলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিক্ষোভ আগেও!

গত বুধবার বিকেলে কুলতলির দেউলবাড়ি দেবীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধবপুর গ্রামে ‘উম্পুন দুর্নীতি’র বিরুদ্ধে ক্ষোভ চরমে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁরা ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না। উল্টে গ্রামের বাইরের কিছু লোক ক্ষতিপূরণ পেয়ে যাচ্ছেন।

এক বিক্ষোভকারী বলেন, “উম্পুনে আমাদের ঘর ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু সরকারি ঘোষণা মতো ২০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ পাইনি। প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। পাওয়া যাবে। কিন্তু কবে”?

উম্পুন ক্ষতিপূরণ

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে যাঁরা চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের জন্য ২০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গে কমপক্ষে ১০ লক্ষ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেই ক্ষতিপূরণ পাওয়া নিয়ে অসংখ্য অভিযোগ উঠে আসে। ‘ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য অন্যকে টাকার ভাগ দিতে হচ্ছে’ বলেও মারাত্মক অভিযোগ উঠে আসে।

জুন মাসের মাঝামাঝি মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য ফর্ম কেনার দরকার নেই। টাকা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “অভিযোগ সত্য হিসাবে প্রমাণ হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন”।

Continue Reading

দঃ ২৪ পরগনা

দেশের মধ্যে প্রবীণতম, করোনাকে হেলায় হারালেন ডায়মন্ড হারবারের ৯৯ বছরের বৃদ্ধ

খবরঅনলাইন ডেস্ক: তাঁর শরীরে করোনা ধরা পড়ার পর পরিজনরা তাঁর বেঁচে থাকার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। কারণ করোনার সঙ্গেও বার্ধক্যজনিত আরও অসুস্থতা তো রয়েছে।

কিন্তু সবাইকে কার্যত চমকে দিয়ে করোনাকে হেলায় হারালেন ৯৯ বছরের বৃদ্ধ। কাঁকুড়গাছির বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্ত ওই বৃদ্ধ শ্রীপতি ন্যায়বান সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। রাজ্য তো বটেই, দেশের মধ্যে সব থেকে প্রবীণ ব্যক্তি তিনি, যিনি করোনাকে হারালেন।

ওই বৃদ্ধর দুই ছেলেও করোনায় আক্রান্ত। ৭২ বছর বয়সি বড়ো ছেলে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি রয়েছেন। আরও এক ছেলে মুকুন্দপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

জানা গিয়েছে, বৃদ্ধের এক ছেলের প্রথম কোভিড ধরা পড়ে। নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে গত ১১ জুন রাতে তাঁকে মুকুন্দপুরের বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করানো হয়। করোনা পরীক্ষা হলে তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। দশ দিন পর তাঁর আরও এক ছেলেও করোনায় আক্রান্ত হন।

দুই সন্তান আক্রান্ত হওয়ার মধ্যে গত সপ্তাহে অসুস্থ বোধ করেন বৃদ্ধ। গত ২৪ জুন তাঁর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বৃদ্ধের মৃদু হাইপারটেনশন ছিল। শীর্ণকায় শরীরে অক্সিজেনের মাত্রাও স্বাভাবিকের থেকে কম ছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

এই অবস্থায় বৃদ্ধকে ডায়মন্ড হারবার থেকে কাঁকুড়গাছির বেসরকারি নার্সিংহোমে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় সপ্তাহখানেক চিকিৎসাধীন থাকার পরে অবশেষে তাঁকে ছুটি দেওয়া হয়। করোনাকে হারিয়ে বৃদ্ধ বলেন, ‘‘ভালো আছি। শরীরে এখন কোনো অসুবিধা নেই।’’

করোনা যে মারণ ভাইরাস নয় আর করোনা নিয়ে কারও অতিরিক্ত আতঙ্কিত হওয়ারও যে দরকার নেই, এই বৃদ্ধই সেটা বুঝিয়ে দিলেন।

Continue Reading

কলকাতা

রথযাত্রা না হলেও বনেদিবাড়িতে আরাধনা হল রীতি মেনেই

শুভদীপ রায় চৌধুরী

মঙ্গলবার রথযাত্রার (Ratha Yatra) পুণ্যতিথি। পুরী তো বটেই, পশ্চিমবঙ্গের বহু প্রাচীন জগন্নাথ মন্দিরে (Jagannath Temple) মঙ্গলবার রথের উৎসব পালিত হয়েছে নিষ্ঠার সঙ্গে। করোনাভাইরাসের (coronavirus) কারণে ভক্তসমাগম না হলেও ঐতিহ্য রক্ষার্থে পালিত হল রথযাত্রা। কলকাতায় (Kolkata) ও তার আশেপাশে বহু প্রাচীন রথ রয়েছে, সেখানেও রীতিনীতি মেনে সকাল থেকে মহাপ্রভুর আরাধনা করা হয়েছে।

বারুইপুর রায় চৌধুরী পরিবারের রথযাত্রা

বারুইপুর রায় চৌধুরী বাড়ির রথযাত্রা বঙ্গের খুব প্রাচীন এক রথযাত্রা। এ দিনও নিষ্ঠার সঙ্গে পালিত হল জগন্নাথের রথ। জমিদার রাজবল্লভ রায় চৌধুরীর সময় থেকেই এই রথযাত্রার সূত্রপাত, যা আজও সাড়ম্বরে পালিত হয়ে আসছে।

করোনাভাইরাসের প্রকোপে ভক্তের ভিড় না দেখা গেলেও পুজার আচারঅনুষ্ঠানে, রীতিনীতিতে কোনো ভাটা পড়েনি। রায় চৌধুরীদের রাসমাঠে আষাঢ় মাসে জগন্নাথের রথ হয়। এই পরিবারের রথ নবরত্ন শৈলীতে গঠিত ও প্রায় ২০০ বছরেরও প্রাচীন।

শোভাবাজার দেব পরিবারের রথযাত্রা

কলকাতার বনেদিবাড়ির রথ উৎসবের মধ্যে অন্যতম শোভাবাজার দেববাড়ির রথ। রাজা নবকৃষ্ণ দেবের হাত ধরে এই বাড়িতেই দুর্গাপুজো শুরু হয় ১৭৫৭ সালে আর সোজা রথের দিন বড়োবাড়ির কাঠামোপুজো হয় ও উলটোরথের দিন হয় ছোটোবাড়ির কাঠামোপুজো। পরিবারের সদস্যরা ভক্তি সহকারে শামিল হলেন এই রথযাত্রায়।ছোটোবাড়ির রথযাত্রা আরাম্ভ হয় ১৭৯০ সালে। এই বাড়ির কুলদেবতা শ্রীশ্রীরাধা গোপীনাথ জীউ-এর পরিবর্তে শালগ্রামশিলাকে রথে বসিয়ে টানা হয় রথ।

আরও পড়ুন: মাহেশে রথযাত্রা হল না, ইসকনও থেমে থাকল, তবে পূজা যথাবিহিত

বড়িশার রায় চৌধুরীদের রথযাত্রা

এই বাড়ির রথযাত্রা কলকাতার প্রাচীনতম। সাবর্ণ গোত্রীয় রায় কৃষ্ণদেব মজুমদার চৌধুরী ১৭১৯ সালে শুরু করেন এই রথযাত্রা। আজও অব্যহত রয়েছে সেই ঐতিহ্য। এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে ভক্ত সমাগম না হলেও জগন্নাথ মন্দিরেই পালিত হল সমস্ত আচারঅনুষ্ঠান ও রীতিনীতি।

ঢাকুরিয়ায় মণ্ডল পরিবারের রথযাত্রা

অন্যান্য বনেদিবাড়ির তুলনায় এই বাড়ির রথযাত্রা নবীন। এ বছর ৭৫ বছরে পদার্পণ করল। ঐতিহ্য মেনে মঙ্গলবার পুজো হল মণ্ডলবাড়ির জগন্নাথদেবের। সংক্রমণের প্রভাবে রথ না বেরোলেও রীতিনীতি সমস্তই পালিত হল নিষ্ঠার সঙ্গে।

এই বাড়ির রথযাত্রা শুরু করেছিলেন বিজয় মণ্ডল। তার পর থেকে বংশ পরম্পরায় পালিত হয়ে আসছে এই রথযাত্রা। সকালে মঙ্গলারতি দিয়ে শুরু হয় উৎসব, তার পর মূল পুজো হয়। বলা যেতে পারে আভিজাত্যে আজও অটুট এই বাড়ির রথ।

Continue Reading
Advertisement
রাজ্য6 mins ago

বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা থেকে ফের লকডাউন রাজ্যে

কেনাকাটা54 mins ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

দেশ54 mins ago

নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সিলেবাস কমাল সিবিএসই

দেশ1 hour ago

বাতিল বিমান টিকিটের ‘সম্পূর্ণ টাকা’ কেন ফেরানো হবে না, কেন্দ্রকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের

দেশ1 hour ago

দ্রুত গতিতে বাড়ছে সুস্থতা, ভারতে এক সপ্তাহেই করোনামুক্ত লক্ষাধিক

শিল্প-বাণিজ্য2 hours ago

হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাঙ্কিংয়ে ১০ লক্ষ ব্যবহারকারী সংগ্রহ করল আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক

দেশ2 hours ago

এ বার কোভিডকে জয় করলেন ৯৬ বছরের বৃদ্ধা

বিদেশ2 hours ago

অনলাইনে ক্লাস করা ভিনদেশি পড়ুয়াদের আমেরিকা ছাড়তে হবে, নির্দেশ ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারের

কেনাকাটা

কেনাকাটা54 mins ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা1 day ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা2 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা7 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

নজরে