Connect with us

দঃ ২৪ পরগনা

সোনারপুরে রোজ দেড়শো মহিলার হাতে তৈরি হচ্ছে ৫ হাজার পিপিই

সোনারপুর: লকডাউনের (Lockdown) জেরে থমকে গিয়েছে বড়ো বড়ো শিল্প সংস্থার কাজকর্ম। কিন্তু একই সঙ্গে অনেক নতুন পথও খুলে যাচ্ছে। করোনাভাইরাসের (Coronavirus) দাপাদাপিতে এখন দেশ জুড়ে পিপিই আর স্যানিটাইজারের (Sanitizer) চাহিদা চরমে। সেই চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে উৎপাদনও বাড়ছে। এই উৎপাদন বাড়ছে বলছে মুখে হাসি ফুটছে অনেকের।

এই যেমন সোনারপুরের (Sonarpur) দেড়শো মহিলা। চলতি কঠিন পরিস্থিতিতে নিজেদের কারখানায় প্রায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তৈরি করছেন পিপিই (Personal Protection Equipment)।

লকডাউনে বন্ধ যানচলাচল। অগত্যা, কেউ সাইকেল চালিয়ে কেউ বা হেঁটে পৌঁছে যাচ্ছেন কারখানায়। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলছে পিপিই তৈরির লড়াই। রাজ্য সরকারের দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী টার্গেট, প্রতি দিন প্রায় ৫ হাজার পিপিই পোশাক তৈরি করা।

তবে কাজের মাঝেও কিন্তু করোনা সংক্রমণ এড়াতে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করতে ভোলেননি তাঁরা। যতক্ষণ শিফট থাকছে, মুখে মাস্ক পরেই কাজ করছেন। বারবার স্যানিটাইজার দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করছেন। কারখানায় ঢোকার আগেও মানতে হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি। সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে আসার পর বিশেষ কেমিক্যালে পরিশুদ্ধ হচ্ছেন তাঁরা। নিজেদের মধ্যে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখেই চলছে এই কাজ।

আরও পড়ুন লকডাউনকে বুড়ো আঙুল, কয়েকশো সমর্থককে নিয়ে জন্মদিনে মজলেন কর্নাটকের বিজেপি বিধায়ক

পার্সোনাল প্রোটেকশন ইক্যুইপমেন্ট পোশাক তৈরির কাপড় দেওয়া হচ্ছে রাজ্য সরকারের তরফে। এর পর স্যাম্পেল সাইজ অনুযায়ী কেউ কাপড় কাটছেন, কেউ যাবতীয় সেলাইয়ের কাজ করছেন। কারও উপর আবার দায়িত্ব বর্তেছে পোশাকে ফিনিশিং টাচ দেওয়ার। পা থেকে মাথা পর্যন্ত একটিই অংশ। চেন খুলে পরতে হবে পোশাক।

তৈরি হয়ে যাওয়ার পর সোনারপুর থেকেই এই কাপড় পাড়ি দিচ্ছে স্বাস্থ্যভবনে। সব মিলিয়ে বিপদের দিনে সমাজের পাশে দাঁড়িয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ে যাচ্ছেন এই দেড়শো জনও।

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

দঃ ২৪ পরগনা

বিডিও অফিসে উম্পুনে ক্ষতিপূরণের ফর্ম জমা দিতে গিয়ে কুলতলিতে পদপিষ্ট একাধিক

ভিড়ের চাপে বেশ কয়েকজন মহিলা মাটিতে পড়ে যান। কেউ আবার তাঁদের উপর দিয়েই চলে যান। ফলে মাটিতে পড়ে থাকা মহিলারা আহত হন।

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, কুলতলিত: ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে (Cyclone Amphan) ক্ষতিপূরণের ফর্ম জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে। বৃহস্পতিবার বিডিও অফিসের সামনে হুড়োহুড়িতে সরকারি ভাবে দু’জন মহিলার পদপিষ্ট হওয়ার কথা স্বীকার করা হয়েছে।

বিডিও অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যা গায়েন এবং অসীমা হালদার নামে দুই পদপিষ্ট মহিলাকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তবে আবেদনকারীদের দাবি, আরও বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন।

এ দিন বিডিও অফিসের সামনে আবেদনকারীদের ভিড় ক্রমশ লম্বা হতে শুরু করে। সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে পড়তে শুরু করেন অনেকে। বেলা গড়ালে রোদের তাপে কেউ কেউ অসুস্থ হয়েও পড়েন। ঘটনায় প্রকাশ, তাঁদের মধ্যেই কেউ কেউ আগে নিজের ফর্ম দিতে চান। যা নিয়ে বিতর্ক বাঁধে। শুরু হয়ে যায় হুড়োহুড়ি।

সে সময় ভিড়ের চাপে বেশ কয়েকজন মহিলা মাটিতে পড়ে যান। কেউ আবার তাঁদের উপর দিয়েই চলে যান। ফলে মাটিতে পড়ে থাকা মহিলারা আহত হন। দুই মহিলাকে তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় জামতলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিক্ষোভ আগেও!

গত বুধবার বিকেলে কুলতলির দেউলবাড়ি দেবীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধবপুর গ্রামে ‘উম্পুন দুর্নীতি’র বিরুদ্ধে ক্ষোভ চরমে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁরা ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না। উল্টে গ্রামের বাইরের কিছু লোক ক্ষতিপূরণ পেয়ে যাচ্ছেন।

এক বিক্ষোভকারী বলেন, “উম্পুনে আমাদের ঘর ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু সরকারি ঘোষণা মতো ২০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ পাইনি। প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। পাওয়া যাবে। কিন্তু কবে”?

উম্পুন ক্ষতিপূরণ

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে যাঁরা চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের জন্য ২০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গে কমপক্ষে ১০ লক্ষ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেই ক্ষতিপূরণ পাওয়া নিয়ে অসংখ্য অভিযোগ উঠে আসে। ‘ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য অন্যকে টাকার ভাগ দিতে হচ্ছে’ বলেও মারাত্মক অভিযোগ উঠে আসে।

জুন মাসের মাঝামাঝি মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য ফর্ম কেনার দরকার নেই। টাকা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “অভিযোগ সত্য হিসাবে প্রমাণ হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন”।

Continue Reading

দঃ ২৪ পরগনা

দেশের মধ্যে প্রবীণতম, করোনাকে হেলায় হারালেন ডায়মন্ড হারবারের ৯৯ বছরের বৃদ্ধ

খবরঅনলাইন ডেস্ক: তাঁর শরীরে করোনা ধরা পড়ার পর পরিজনরা তাঁর বেঁচে থাকার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। কারণ করোনার সঙ্গেও বার্ধক্যজনিত আরও অসুস্থতা তো রয়েছে।

কিন্তু সবাইকে কার্যত চমকে দিয়ে করোনাকে হেলায় হারালেন ৯৯ বছরের বৃদ্ধ। কাঁকুড়গাছির বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্ত ওই বৃদ্ধ শ্রীপতি ন্যায়বান সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। রাজ্য তো বটেই, দেশের মধ্যে সব থেকে প্রবীণ ব্যক্তি তিনি, যিনি করোনাকে হারালেন।

ওই বৃদ্ধর দুই ছেলেও করোনায় আক্রান্ত। ৭২ বছর বয়সি বড়ো ছেলে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি রয়েছেন। আরও এক ছেলে মুকুন্দপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

জানা গিয়েছে, বৃদ্ধের এক ছেলের প্রথম কোভিড ধরা পড়ে। নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে গত ১১ জুন রাতে তাঁকে মুকুন্দপুরের বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করানো হয়। করোনা পরীক্ষা হলে তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। দশ দিন পর তাঁর আরও এক ছেলেও করোনায় আক্রান্ত হন।

দুই সন্তান আক্রান্ত হওয়ার মধ্যে গত সপ্তাহে অসুস্থ বোধ করেন বৃদ্ধ। গত ২৪ জুন তাঁর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বৃদ্ধের মৃদু হাইপারটেনশন ছিল। শীর্ণকায় শরীরে অক্সিজেনের মাত্রাও স্বাভাবিকের থেকে কম ছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

এই অবস্থায় বৃদ্ধকে ডায়মন্ড হারবার থেকে কাঁকুড়গাছির বেসরকারি নার্সিংহোমে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় সপ্তাহখানেক চিকিৎসাধীন থাকার পরে অবশেষে তাঁকে ছুটি দেওয়া হয়। করোনাকে হারিয়ে বৃদ্ধ বলেন, ‘‘ভালো আছি। শরীরে এখন কোনো অসুবিধা নেই।’’

করোনা যে মারণ ভাইরাস নয় আর করোনা নিয়ে কারও অতিরিক্ত আতঙ্কিত হওয়ারও যে দরকার নেই, এই বৃদ্ধই সেটা বুঝিয়ে দিলেন।

Continue Reading

কলকাতা

রথযাত্রা না হলেও বনেদিবাড়িতে আরাধনা হল রীতি মেনেই

শুভদীপ রায় চৌধুরী

মঙ্গলবার রথযাত্রার (Ratha Yatra) পুণ্যতিথি। পুরী তো বটেই, পশ্চিমবঙ্গের বহু প্রাচীন জগন্নাথ মন্দিরে (Jagannath Temple) মঙ্গলবার রথের উৎসব পালিত হয়েছে নিষ্ঠার সঙ্গে। করোনাভাইরাসের (coronavirus) কারণে ভক্তসমাগম না হলেও ঐতিহ্য রক্ষার্থে পালিত হল রথযাত্রা। কলকাতায় (Kolkata) ও তার আশেপাশে বহু প্রাচীন রথ রয়েছে, সেখানেও রীতিনীতি মেনে সকাল থেকে মহাপ্রভুর আরাধনা করা হয়েছে।

বারুইপুর রায় চৌধুরী পরিবারের রথযাত্রা

বারুইপুর রায় চৌধুরী বাড়ির রথযাত্রা বঙ্গের খুব প্রাচীন এক রথযাত্রা। এ দিনও নিষ্ঠার সঙ্গে পালিত হল জগন্নাথের রথ। জমিদার রাজবল্লভ রায় চৌধুরীর সময় থেকেই এই রথযাত্রার সূত্রপাত, যা আজও সাড়ম্বরে পালিত হয়ে আসছে।

করোনাভাইরাসের প্রকোপে ভক্তের ভিড় না দেখা গেলেও পুজার আচারঅনুষ্ঠানে, রীতিনীতিতে কোনো ভাটা পড়েনি। রায় চৌধুরীদের রাসমাঠে আষাঢ় মাসে জগন্নাথের রথ হয়। এই পরিবারের রথ নবরত্ন শৈলীতে গঠিত ও প্রায় ২০০ বছরেরও প্রাচীন।

শোভাবাজার দেব পরিবারের রথযাত্রা

কলকাতার বনেদিবাড়ির রথ উৎসবের মধ্যে অন্যতম শোভাবাজার দেববাড়ির রথ। রাজা নবকৃষ্ণ দেবের হাত ধরে এই বাড়িতেই দুর্গাপুজো শুরু হয় ১৭৫৭ সালে আর সোজা রথের দিন বড়োবাড়ির কাঠামোপুজো হয় ও উলটোরথের দিন হয় ছোটোবাড়ির কাঠামোপুজো। পরিবারের সদস্যরা ভক্তি সহকারে শামিল হলেন এই রথযাত্রায়।ছোটোবাড়ির রথযাত্রা আরাম্ভ হয় ১৭৯০ সালে। এই বাড়ির কুলদেবতা শ্রীশ্রীরাধা গোপীনাথ জীউ-এর পরিবর্তে শালগ্রামশিলাকে রথে বসিয়ে টানা হয় রথ।

আরও পড়ুন: মাহেশে রথযাত্রা হল না, ইসকনও থেমে থাকল, তবে পূজা যথাবিহিত

বড়িশার রায় চৌধুরীদের রথযাত্রা

এই বাড়ির রথযাত্রা কলকাতার প্রাচীনতম। সাবর্ণ গোত্রীয় রায় কৃষ্ণদেব মজুমদার চৌধুরী ১৭১৯ সালে শুরু করেন এই রথযাত্রা। আজও অব্যহত রয়েছে সেই ঐতিহ্য। এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে ভক্ত সমাগম না হলেও জগন্নাথ মন্দিরেই পালিত হল সমস্ত আচারঅনুষ্ঠান ও রীতিনীতি।

ঢাকুরিয়ায় মণ্ডল পরিবারের রথযাত্রা

অন্যান্য বনেদিবাড়ির তুলনায় এই বাড়ির রথযাত্রা নবীন। এ বছর ৭৫ বছরে পদার্পণ করল। ঐতিহ্য মেনে মঙ্গলবার পুজো হল মণ্ডলবাড়ির জগন্নাথদেবের। সংক্রমণের প্রভাবে রথ না বেরোলেও রীতিনীতি সমস্তই পালিত হল নিষ্ঠার সঙ্গে।

এই বাড়ির রথযাত্রা শুরু করেছিলেন বিজয় মণ্ডল। তার পর থেকে বংশ পরম্পরায় পালিত হয়ে আসছে এই রথযাত্রা। সকালে মঙ্গলারতি দিয়ে শুরু হয় উৎসব, তার পর মূল পুজো হয়। বলা যেতে পারে আভিজাত্যে আজও অটুট এই বাড়ির রথ।

Continue Reading
Advertisement
দেশ18 mins ago

কোভিড থেকে সুস্থ হলেন এক শতায়ু দিল্লিবাসী, যিনি স্প্যানিশ ফ্লু-এর সাক্ষী

earthquake
দেশ5 hours ago

কেঁপেই চলেছে দেশের মাটি, এ বার ফের কচ্ছে, মিজোরামে

রাজ্য5 hours ago

রাজ্যে এক দিনে আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড! তবে সক্রিয় রোগীর চেয়ে অনেক এগিয়ে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা

দেশ6 hours ago

গাজিয়াবাদের কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত ৭

দেশ7 hours ago

২০২১-এর আগে নয় করোনা ভ্যাকসিন? প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেও সময়সীমা মুছে দিল বিজ্ঞানমন্ত্রক!

দেশ8 hours ago

কোভিড-১৯: ২১টি রাজ্যে সুস্থতার হার জাতীয় হারের তুলনায় বেশি

বিনোদন8 hours ago

করোনা আবহে কী ভাবে হল ‘বিবাহ বার্ষিকী’র শুটিং? দেখে নিন অভিনেত্রী দর্শনা বণিকের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার

দেশ9 hours ago

রাষ্ট্রপতি ভবনে নরেন্দ্র মোদী-রামনাথ কোবিন্দ বৈঠক

দেশ16 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৪৮৫০, সুস্থ ৯৩৮১

কলকাতা2 days ago

কলকাতায় অতিসংক্রমিত ১৬টি অঞ্চলকে পুরোপুরি সিল করে দেওয়ার প্রস্তুতি

দেশ3 days ago

দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড, সুস্থতাতেও রেকর্ড

দেশ3 days ago

‘সবার টিকা লাগবে না, আর পাঁচটা রোগের মতোই চলে যাবে করোনা’, আশ্বাস অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীর

wfh
ঘরদোর2 days ago

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

রাজ্য3 days ago

পশ্চিমবঙ্গে ১৫ রুটে বেসরকারি ট্রেন, ভাড়া বাড়বে কি?

thunderstorm
রাজ্য2 days ago

কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা

রাজ্য2 days ago

করোনা-আক্রান্তের সংখ্যায় কলকাতাকে পেছনে ফেলে দিল হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু

কেনাকাটা

কেনাকাটা10 hours ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা5 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

smartphone smartphone
কেনাকাটা1 week ago

লকডাউনের মধ্যে ফোন খারাপ? রইল ৫ হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের হদিশ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘরে বসে যতটা কাজ সারা যায় ততটাই ভালো। তাই মোবাইল ফোন খারাপ...

কেনাকাটা1 week ago

১০টি ওয়াশেবল মাস্ক দেখে নিন

খবর অনলাইন ডেস্ক : বাইরে বেরোচ্ছেন। মাস্ক অবশ্যই ব্যবহার করুন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে তিন স্তর বিশিষ্ট মাস্ক...

নজরে