স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ‘যেমন খুশি সাজো’য় এনআরসি-সহ সমসাময়িক বিষয়

0
স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।

ওয়েবডেস্ক: স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ‘যেমন খুশি সাজো’ বিভাগে শিশু প্রতিযোগীরা সমাজসচেতনতার পরিচয় দিল। তাদের ইচ্ছামতো সাজার মাধ্যমে উঠে এল নানা সমসাময়িক বিষয় যা দেশ ও সমাজকে আজকাল প্রচণ্ড ভাবে আলোড়িত করছে।

সম্প্রতি গড়িয়া ইস্ট তেঁতুলবেড়িয়া আদর্শ শিশু বিদ্যাপীঠের ৩৮তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হল। নবগ্রাম যুব সংঘের খেলার মাঠে আয়োজিত ওই ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় স্কুলের প্রি-নার্সারি শুরু করে পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়ারা যোগ দেয়।

আরও পড়ুন: আরও কমল কলকাতার তাপমাত্রা, শীতের দাপট অব্যাহত রাজ্যের বাকি জেলাতেও

পড়ুয়াদের অভিভাবক-অভিভাবিকারাও প্রতিযোগিতায় নামেন। সব মিলিয়ে প্রায় আড়াইশো জন ছাত্র-ছাত্রী নানা খেলায় মেতে ওঠে। সকাল ৮টায় প্রতিযোগিতা শুরু হয়, চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

প্রতিযোগিতায় সব রকম প্রথাগত দৌড়ের আয়োজন করা হয়েছিল। যেমন, সাধারণ দৌড়, অঙ্ক-দৌড়, লজেন্স-দৌড়, আলু-দৌড়, কমলা-দৌড় ইত্যাদি। এ ছাড়াও ছিল হাঁড়ি ভাঙা, ‘হিটিং দ্য উইকেট’, ‘পাসিং দ্য বল’, মিউজিক্যাল চেয়ার ইত্যাদি।

তবে নিঃসন্দেহে বলা যায়, সব চেয়ে বেশি নজর কেড়েছে ‘যেমন খুশি সাজো’ প্রতিযোগিতা। গড়িয়ার এই স্কুলটিতে যে সব শিশু পড়াশোনা করে, তাদের অনেকেই আর্থিক ভাবে দুর্বল শ্রেণি থেকে আসা। সমাজের পিছিয়ে থাকা অংশের শিশুদের কাছে শিক্ষার আলো জ্বেলে দিতে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই স্কুল সর্বতো ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেই শিশুরা এবং তাঁদের পরিবারবর্গ ‘যেমন খুশি সাজো’ প্রতিযোগিতায় যে সমাজসচেতনতার পরিচয় দিল তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

শিশু পড়ুয়াদের মেলা।

এই প্রতিযোগিতায় যেমন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে পাওয়া গিয়েছে, তেমনই বার্তা দেওয়া হয়েছে এনআরসি, বৃক্ষরোপণ, মোবাইলের অপকারিতা, প্লাস্টিক-দূষণ ইত্যাদি নিয়ে। শ্রীরামকৃষ্ণ সাজধারী প্রতিযোগী এই প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার পেলেও বাকি প্রতিযোগীদের অভিনব ভাবনা সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ছবি: দেবাশিস চক্রবর্তী

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন