Connect with us

দঃ ২৪ পরগনা

সরকারি উদ্যোগে সাপের বিষের প্রতিষেধক তৈরির দাবিতে ডেপুটেশন

কলকাতা: এ রাজ্যে সাপের বিষের প্রতিষেধক বা অ্যান্টি ভেনাম (এভিএস) তৈরির দাবি নিয়ে মঙ্গলবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার সিএমওএইচের কাছে স্মারকলিপি জমা দিল জেলার এপিডিআর শাখা। এ দিন এম আর বাঙুর হাসপাতালে গিয়ে সংগঠনের সদস্যরা রাজ্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় এভিএস তৈরির উদ্যোগের দাবি জানান।

এপিডিআরের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদক আলতাফ আমেদ বলেন, “বিগত কয়েক বছরে বিষধর সাপের কামড়ে মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ শীর্ষে। এটা খুবই উদ্বেগের বিষয়। মূলত ‘বিগ ফোর’ হিসাবে চিহ্নিত চারটি প্রধান সাপ, যেমন কেউটে, গোখরো, কালাচ এবং চন্দ্রবোড়ার কামড়েই মৃত্যুর ঘটনা বেশি ঘটেছে। কিন্তু এ রাজ্যে এভিএস আসে মূলত তামিলনাড়ু থেকে। কিন্তু দু‌ঃখের কথা, চন্দ্রবোড়ার কামড়ে ওই এভিএস ইদানীং কাজে লাগছে না”।

সংগঠনের দাবি, গত কয়েক মাসে বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ, পিজি হাসপাতাল-সহ আরও ১০টি জায়গায় ৩০টির বেশি ক্ষেত্রে ওই এভিএস দিয়ে রোগীদের বাঁচানো যায়নি। দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেই কেন স্মারকলিপি?

আলতাফ জানান, “এই জেলা সর্পপ্রবণ এলাকা। প্রতিবছর এই জেলায় অসংখ্য মানুষকে সাপে কামড়ায়। মারা যান অনেকে। তাই এ ব্যাপারে সদর্থক পদক্ষেপ হিসাবে এই রাজ্যে সাপের বিষ নিয়ে গবেষণা কেন্দ্র এবং এভিএস তৈরির দাবি জানাচ্ছি আমরা। এটা বাস্তবায়িত হলে সাপের কামড়ে মৃত্যুর হার হ্রাসের পাশাপাশি সরকারি ব্যয় অনেকটাই বাঁচানো যাবে”।

[ আরও পড়ুন: ইউনিফর্ম পরে না যাওয়ায় স্কুলে ‘পোশাক খুলে’ শাস্তি ]

এ দিন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সিএমওএইচ কার্যালয়ের অ্যাসিট্যান্ট ইন-চার্জ এস সিংহ এপিডিআরের স্মারক গ্রহণ করেন।

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

দঃ ২৪ পরগনা

বিডিও অফিসে উম্পুনে ক্ষতিপূরণের ফর্ম জমা দিতে গিয়ে কুলতলিতে পদপিষ্ট একাধিক

ভিড়ের চাপে বেশ কয়েকজন মহিলা মাটিতে পড়ে যান। কেউ আবার তাঁদের উপর দিয়েই চলে যান। ফলে মাটিতে পড়ে থাকা মহিলারা আহত হন।

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, কুলতলিত: ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে (Cyclone Amphan) ক্ষতিপূরণের ফর্ম জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে। বৃহস্পতিবার বিডিও অফিসের সামনে হুড়োহুড়িতে সরকারি ভাবে দু’জন মহিলার পদপিষ্ট হওয়ার কথা স্বীকার করা হয়েছে।

বিডিও অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যা গায়েন এবং অসীমা হালদার নামে দুই পদপিষ্ট মহিলাকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তবে আবেদনকারীদের দাবি, আরও বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন।

এ দিন বিডিও অফিসের সামনে আবেদনকারীদের ভিড় ক্রমশ লম্বা হতে শুরু করে। সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে পড়তে শুরু করেন অনেকে। বেলা গড়ালে রোদের তাপে কেউ কেউ অসুস্থ হয়েও পড়েন। ঘটনায় প্রকাশ, তাঁদের মধ্যেই কেউ কেউ আগে নিজের ফর্ম দিতে চান। যা নিয়ে বিতর্ক বাঁধে। শুরু হয়ে যায় হুড়োহুড়ি।

সে সময় ভিড়ের চাপে বেশ কয়েকজন মহিলা মাটিতে পড়ে যান। কেউ আবার তাঁদের উপর দিয়েই চলে যান। ফলে মাটিতে পড়ে থাকা মহিলারা আহত হন। দুই মহিলাকে তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় জামতলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিক্ষোভ আগেও!

গত বুধবার বিকেলে কুলতলির দেউলবাড়ি দেবীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধবপুর গ্রামে ‘উম্পুন দুর্নীতি’র বিরুদ্ধে ক্ষোভ চরমে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁরা ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না। উল্টে গ্রামের বাইরের কিছু লোক ক্ষতিপূরণ পেয়ে যাচ্ছেন।

এক বিক্ষোভকারী বলেন, “উম্পুনে আমাদের ঘর ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু সরকারি ঘোষণা মতো ২০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ পাইনি। প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। পাওয়া যাবে। কিন্তু কবে”?

উম্পুন ক্ষতিপূরণ

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে যাঁরা চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের জন্য ২০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গে কমপক্ষে ১০ লক্ষ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেই ক্ষতিপূরণ পাওয়া নিয়ে অসংখ্য অভিযোগ উঠে আসে। ‘ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য অন্যকে টাকার ভাগ দিতে হচ্ছে’ বলেও মারাত্মক অভিযোগ উঠে আসে।

জুন মাসের মাঝামাঝি মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য ফর্ম কেনার দরকার নেই। টাকা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “অভিযোগ সত্য হিসাবে প্রমাণ হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন”।

Continue Reading

দঃ ২৪ পরগনা

দেশের মধ্যে প্রবীণতম, করোনাকে হেলায় হারালেন ডায়মন্ড হারবারের ৯৯ বছরের বৃদ্ধ

খবরঅনলাইন ডেস্ক: তাঁর শরীরে করোনা ধরা পড়ার পর পরিজনরা তাঁর বেঁচে থাকার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। কারণ করোনার সঙ্গেও বার্ধক্যজনিত আরও অসুস্থতা তো রয়েছে।

কিন্তু সবাইকে কার্যত চমকে দিয়ে করোনাকে হেলায় হারালেন ৯৯ বছরের বৃদ্ধ। কাঁকুড়গাছির বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্ত ওই বৃদ্ধ শ্রীপতি ন্যায়বান সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। রাজ্য তো বটেই, দেশের মধ্যে সব থেকে প্রবীণ ব্যক্তি তিনি, যিনি করোনাকে হারালেন।

ওই বৃদ্ধর দুই ছেলেও করোনায় আক্রান্ত। ৭২ বছর বয়সি বড়ো ছেলে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি রয়েছেন। আরও এক ছেলে মুকুন্দপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

জানা গিয়েছে, বৃদ্ধের এক ছেলের প্রথম কোভিড ধরা পড়ে। নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে গত ১১ জুন রাতে তাঁকে মুকুন্দপুরের বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করানো হয়। করোনা পরীক্ষা হলে তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। দশ দিন পর তাঁর আরও এক ছেলেও করোনায় আক্রান্ত হন।

দুই সন্তান আক্রান্ত হওয়ার মধ্যে গত সপ্তাহে অসুস্থ বোধ করেন বৃদ্ধ। গত ২৪ জুন তাঁর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বৃদ্ধের মৃদু হাইপারটেনশন ছিল। শীর্ণকায় শরীরে অক্সিজেনের মাত্রাও স্বাভাবিকের থেকে কম ছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

এই অবস্থায় বৃদ্ধকে ডায়মন্ড হারবার থেকে কাঁকুড়গাছির বেসরকারি নার্সিংহোমে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় সপ্তাহখানেক চিকিৎসাধীন থাকার পরে অবশেষে তাঁকে ছুটি দেওয়া হয়। করোনাকে হারিয়ে বৃদ্ধ বলেন, ‘‘ভালো আছি। শরীরে এখন কোনো অসুবিধা নেই।’’

করোনা যে মারণ ভাইরাস নয় আর করোনা নিয়ে কারও অতিরিক্ত আতঙ্কিত হওয়ারও যে দরকার নেই, এই বৃদ্ধই সেটা বুঝিয়ে দিলেন।

Continue Reading

কলকাতা

রথযাত্রা না হলেও বনেদিবাড়িতে আরাধনা হল রীতি মেনেই

শুভদীপ রায় চৌধুরী

মঙ্গলবার রথযাত্রার (Ratha Yatra) পুণ্যতিথি। পুরী তো বটেই, পশ্চিমবঙ্গের বহু প্রাচীন জগন্নাথ মন্দিরে (Jagannath Temple) মঙ্গলবার রথের উৎসব পালিত হয়েছে নিষ্ঠার সঙ্গে। করোনাভাইরাসের (coronavirus) কারণে ভক্তসমাগম না হলেও ঐতিহ্য রক্ষার্থে পালিত হল রথযাত্রা। কলকাতায় (Kolkata) ও তার আশেপাশে বহু প্রাচীন রথ রয়েছে, সেখানেও রীতিনীতি মেনে সকাল থেকে মহাপ্রভুর আরাধনা করা হয়েছে।

বারুইপুর রায় চৌধুরী পরিবারের রথযাত্রা

বারুইপুর রায় চৌধুরী বাড়ির রথযাত্রা বঙ্গের খুব প্রাচীন এক রথযাত্রা। এ দিনও নিষ্ঠার সঙ্গে পালিত হল জগন্নাথের রথ। জমিদার রাজবল্লভ রায় চৌধুরীর সময় থেকেই এই রথযাত্রার সূত্রপাত, যা আজও সাড়ম্বরে পালিত হয়ে আসছে।

করোনাভাইরাসের প্রকোপে ভক্তের ভিড় না দেখা গেলেও পুজার আচারঅনুষ্ঠানে, রীতিনীতিতে কোনো ভাটা পড়েনি। রায় চৌধুরীদের রাসমাঠে আষাঢ় মাসে জগন্নাথের রথ হয়। এই পরিবারের রথ নবরত্ন শৈলীতে গঠিত ও প্রায় ২০০ বছরেরও প্রাচীন।

শোভাবাজার দেব পরিবারের রথযাত্রা

কলকাতার বনেদিবাড়ির রথ উৎসবের মধ্যে অন্যতম শোভাবাজার দেববাড়ির রথ। রাজা নবকৃষ্ণ দেবের হাত ধরে এই বাড়িতেই দুর্গাপুজো শুরু হয় ১৭৫৭ সালে আর সোজা রথের দিন বড়োবাড়ির কাঠামোপুজো হয় ও উলটোরথের দিন হয় ছোটোবাড়ির কাঠামোপুজো। পরিবারের সদস্যরা ভক্তি সহকারে শামিল হলেন এই রথযাত্রায়।ছোটোবাড়ির রথযাত্রা আরাম্ভ হয় ১৭৯০ সালে। এই বাড়ির কুলদেবতা শ্রীশ্রীরাধা গোপীনাথ জীউ-এর পরিবর্তে শালগ্রামশিলাকে রথে বসিয়ে টানা হয় রথ।

আরও পড়ুন: মাহেশে রথযাত্রা হল না, ইসকনও থেমে থাকল, তবে পূজা যথাবিহিত

বড়িশার রায় চৌধুরীদের রথযাত্রা

এই বাড়ির রথযাত্রা কলকাতার প্রাচীনতম। সাবর্ণ গোত্রীয় রায় কৃষ্ণদেব মজুমদার চৌধুরী ১৭১৯ সালে শুরু করেন এই রথযাত্রা। আজও অব্যহত রয়েছে সেই ঐতিহ্য। এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে ভক্ত সমাগম না হলেও জগন্নাথ মন্দিরেই পালিত হল সমস্ত আচারঅনুষ্ঠান ও রীতিনীতি।

ঢাকুরিয়ায় মণ্ডল পরিবারের রথযাত্রা

অন্যান্য বনেদিবাড়ির তুলনায় এই বাড়ির রথযাত্রা নবীন। এ বছর ৭৫ বছরে পদার্পণ করল। ঐতিহ্য মেনে মঙ্গলবার পুজো হল মণ্ডলবাড়ির জগন্নাথদেবের। সংক্রমণের প্রভাবে রথ না বেরোলেও রীতিনীতি সমস্তই পালিত হল নিষ্ঠার সঙ্গে।

এই বাড়ির রথযাত্রা শুরু করেছিলেন বিজয় মণ্ডল। তার পর থেকে বংশ পরম্পরায় পালিত হয়ে আসছে এই রথযাত্রা। সকালে মঙ্গলারতি দিয়ে শুরু হয় উৎসব, তার পর মূল পুজো হয়। বলা যেতে পারে আভিজাত্যে আজও অটুট এই বাড়ির রথ।

Continue Reading
Advertisement
বিনোদন7 hours ago

‘সড়ক ২’ পোস্টার: ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে মহেশ ভাট, আলিয়া ভাটের বিরুদ্ধে মামলা

রাজ্য8 hours ago

রেকর্ড সংখ্যক পরীক্ষার দিন আক্রান্তের সংখ্যাতেও নতুন রেকর্ড, রাজ্যে বাড়ল সুস্থতার হারও

দেশ8 hours ago

নতুন নিয়মে খুলছে তাজমহল!

wfh
ঘরদোর9 hours ago

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

দেশ9 hours ago

আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের কাঁপল দিল্লি

শিল্প-বাণিজ্য10 hours ago

কোভিড-১৯ মহামারি ভারতীয়দের সঞ্চয়ের অভ্যেস বদলে দিয়েছে: সমীক্ষা

fat
শরীরস্বাস্থ্য10 hours ago

কোমরের পেছনের মেদ কমান এই ব্যায়ামগুলির সাহায্যে

বিদেশ10 hours ago

নরেন্দ্র মোদীর ‘বিস্তারবাদী’ মন্তব্যের পর চিনের কড়া প্রতিক্রিয়া

নজরে