Connect with us

দঃ ২৪ পরগনা

উম্পুনের এক সপ্তাহ পার, সুন্দরবনে এখনও পানীয় জলের জন্য হাহাকার

খবর অনলাইনডেস্ক: ‘ওয়াটার ওয়াটার এভরিহোয়্যার, নর এনি ড্রপ টু ড্রিংক।’ স্যামুয়েল টেলর কোলরিজের কবিতা, ‘রাইম অব দা এনসিয়েন্ট মেরিনার’-এর সেই বিখ্যাত দু’টি লাইনের কথাই যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে সুন্দরবনের বর্তমান পরিস্থিতি।

চারিদিকে শুধু জল আর জল। অথচ জলের জন্য হাহাকার। এক ফোঁটা পানীয় জল নেই। পানীয় জলের পরিষেবা স্বাভাবিক করার চেষ্টা হলেও, বাস্তবে পরিস্থিতি অসম্ভব খারাপ। ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের (Cyclone Amphan) এক সপ্তাহ হয়ে গেলেও সুন্দরবনের গ্রামে গ্রামে পানীয় জলের সমস্যা এখনও মেটেনি।

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বদ্বীপ (Mangrove Delta) সুন্দরবন বিস্তৃত উত্তর আর দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা জুড়ে। প্রায় ৪৫ লক্ষ মানুষের বাস এই অঞ্চলে।

সুন্দরবনের গ্রামগুলিতে যে পাইপলাইনে পানীয় জল সরবরাহ হয়, ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে তা ক্ষতিগ্রস্ত। এ ছাড়া সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসের কারণে বাঁধ ভেঙেছে। গ্রামে গ্রামে যে মিষ্টি জলের পুকুরগুলো রয়েছে সেগুলিও নোনা জলে প্লাবিত। এ ছাড়া শয়ে শয়ে টিউবওয়েল এখনও জলের তলাতেই রয়েছে।

গোসাবার (Gosaba) রাঙাবেলিয়া গ্রামের বাসিন্দা বছর ৩৬-এর স্বপ্না সর্দার বলেন, “এখান থেকে আধ ঘণ্টা হাঁটলে যে টিউবওয়েলটা রয়েছে ওটাই এখন আমাদের একমাত্র ভরসা। আধ ঘণ্টা হেঁটে যাওয়ার পর সেখানে ৫০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা লাইন দিই। তার পর একটি বালতি আর একটি মাটির কলসি ভরতি করার সুযোগ হয় আমার।”

দক্ষিণ ২৪ পরগণার গোসাবা, নামখানা, পাথরপ্রতিমা, কুলতলি, কাকদ্বীপ ব্লক আর উত্তর ২৪ পরগণার মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, হিঙ্গলগঞ্জ আর হাসনাবাদ ব্লকের হাজার হাজার গ্রাম এখন পুরোপুরি বিধ্বস্ত।

পানীয় জলের যে সমস্যা রয়েছে সেটা মেনে নিয়েছেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা। তিনি বলেন, “প্রায় ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। এর ফলে নোনা জল গ্রামে গ্রামে ঢুকে পুকুর আর টিউবওয়েগুলোকে ভাসিয়ে দিয়েছে। আমরা পানীয় জলের পাউচ সরবরাহ করছি দুর্গতদের।

স্থানীয়দের অবশ্য দাবি, বহু বছর ধরেই গ্রামের টিউবওয়েলগুলি অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। ২০০৯-এর আয়লার পর বেশ কিছু টিউবওয়েল খারাপ হয়ে গিয়েছিল। সেগুলি ঠিক করা হয়নি। এর পর গত বছর ঘূর্ণিঝড় বুলবুলেও (Cyclone Bulbul) আরও অসংখ্য টিউবওয়েল অকেজো হয়ে পড়ে।

কাকদ্বীপের গোবিন্দপুর গ্রামের অন্তরা মাহাত বলেন, “আমাদের গ্রামে তিনটে টিউবওয়েল ছিল। এর মধ্যে এখন মাত্র একটা কাজ করে। স্থানীয় বিধায়কের কাছে বারবার আবেদন করেও কোনো লাভ হয়নি।”

নোনা জল ঢুকে মিষ্টি জলের পুকুরগুলোয় এমন অবস্থা হয়েছে তাতে সেগুলি পুরো পরিষ্কার করতে হবে। এর পর শোধন করে আবার পুনরায় জল ভরতি করা যাবে সেখানে। সেটা করতে যে কত সময় লাগবে, তা কার্যত ভাবনারও বাইরে।

গোসাবার বিডিও এস মিত্র বলেন, “বর্ষার আগেই সোডিয়াম আর পোটাশিয়াম পার্মানগানেট দিয়ে পুকুরগুলোকে শোধন করতে হবে। প্লাবিত গ্রামগুলি থেকে জল বের করার জন্য অসংখ্য পাম্প বসানো হয়েছে।”

তবে সুন্দরবনের বাকি সব দ্বীপের থেকে মাত্র একটা দ্বীপের পরিস্থিতি এক্কেবারেই আলাদা। সেটা সাগরদ্বীপ (Sagardwip)। প্রতি বছর গঙ্গাসাগর মেলার জন্য লাখো ভক্তের সমাগম হয় এখানে। ফলে এই সাগরদ্বীপ এমনিতেই পরিকাঠামোগত ভাবে অনেকটাই এগিয়ে অন্যদের থেকে।

সাগরের বিডিও সুদীপ্ত মণ্ডল বলেন, “গঙ্গাসাগর মেলার সময়ে পুণ্যার্থীদের জন্য পানীয় জলের ব্যবস্থা করতেই হয়। যে সব যন্ত্রের সাহায্যে পানীয় জলের পরিষেবা দেওয়া হয়, সেগুলি সাগরদ্বীপেই থাকে। পাশাপাশি প্রচুর সংখ্যক পানীয় জলের ট্যাংকারও সাগরদ্বীপে রয়েছে। ফলে আমাদের অবস্থা অনেকটাই ভালো।”

শুধু কি পানীয় জলের সমস্যা? নোনা জল মিষ্টি জলের সঙ্গে মিশে যাওয়ার ফলে রুই, কাতলা, পাঙ্গাসজাতীয় মাছের মৃত্যু হয়েছে। উম্পুনের দু’দিন পর মরা মাছ ভাসতে দেখেন গোবিন্দপুরের বাসিন্দারা। সেগুলিকে জল থেকে তুলে আলাদা জায়গায় ফেলে দিতে হয়।

এ দিকে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে যে সুন্দরবনে পানীয় জল পরিষেবার ৭০ শতাংশই স্বাভাবিক করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগণার জেলাশাসক পি উলগানাথন বলেন, “সুন্দরবনের প্রত্যন্ত গ্রামে আমরা জলের পাউচ পাঠাচ্ছি। সেগুলি সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। নৌকায় জলের ট্যাংকারও পাঠানো হচ্ছে। ৭০ শতাংশ পরিষেবা স্বাভাবিক করা হয়েছে। কিন্তু এখন সমস্যা হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ। বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হলে বাকি সমস্যাও মিটে যাবে।”

তবে সব কিছু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে আরও কত দিন সময় লাগবে, সে ব্যাপারে সঠিক করে কিছু বলতে পারেননি জেলাশাসক।

দঃ ২৪ পরগনা

‘গরিবের প্রাপ্য টাকা হজম করে দিচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব’, অভিযোগ শমীক লাহিড়ির

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, জয়নগর: করোনাভাইরাস লকডাউনের মধ্যেও উম্পুন ত্রাণ দুর্নীতি নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেসের মতো বিরোধী দলগুলি। বৃহস্পতিবার তেমনই একটি বিক্ষোভ সমাবেশ এবং প্রতিবাদসভা অনুষ্ঠিত হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে।

এ দিন দুপুরে জয়নগর-১ বিডিও অফিস বহড়ুতে সিপিএমের উদ্যোগে একগুচ্ছ দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং প্রতিবাদসভা হয়। সভার মূল বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দলের জেলা সম্পাদক শমীক লাহিড়ি।

দাবি-দাওয়া

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনকে জাতীয় বিপর্যয় হিসাবে ঘোষণা, উম্পুনে ক্ষতিগ্রস্ত সমস্ত মানুষকে সরকারি সাহায্য, একশো দিনের কাজ, পরিযায়ী শ্রমিকদের একশো দিনের কাজ এবং স্বচ্ছ্ব পদ্ধতিতে ক্ষতিপূরণের দাবি তোলা হয়ে এ দিনের অনুষ্ঠানে।

সিপিএমের অভিযোগ

শমীক লাহিড়ি বলেন, “প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে গরিব মানুষের প্রাপ্য টাকা হজম করে দিচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব । আমরা চাই উম্পুনে ক্ষতিগ্রস্তরা সবাই ক্ষতিপূরণ পাক”।

সিপিএম সদস্য অপূর্ব প্রামানিকের নেতৃত্বে পাঁচ জনের একটি প্রতিনিধি দল জয়নগর-১ ব্লকের যুগ্ম বিডিও বিপ্লব পালের কাছে ডেপুটেশন পেশ করেন। ব্লকের যুগ্ম বিডিও বিপ্লব পাল দাবি গুলি বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান সিপিএম নেতৃত্ব।

দুর্নীতিরোধে মুখ্যমন্ত্রী

প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক বার বলেছেন, দলমত নির্বিশেষে ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে হবে। এ নিয়ে কোনো দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। ত্রাণ নিয়ে কোনো নেতা দুর্নীতি করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি স্তরের অসংখ্য তৃণমূল নেতাকে শোকজ করা হয়। এ বিষয়ে দলীয় পর্যায়েও তদন্ত চলছে বলে জানা গিয়েছে।

বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি অবশ্য শাসক দলের এহেন পদক্ষেপে ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’-এর ইঙ্গিত দেখছেন। তাদের বক্তব্য, দুর্নীতি যে হচ্ছেই, সেটা স্বীকার করে নিচ্ছে শাসক দল।

Continue Reading

দঃ ২৪ পরগনা

বিডিও অফিসে উম্পুনে ক্ষতিপূরণের ফর্ম জমা দিতে গিয়ে কুলতলিতে পদপিষ্ট একাধিক

ভিড়ের চাপে বেশ কয়েকজন মহিলা মাটিতে পড়ে যান। কেউ আবার তাঁদের উপর দিয়েই চলে যান। ফলে মাটিতে পড়ে থাকা মহিলারা আহত হন।

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, কুলতলিত: ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে (Cyclone Amphan) ক্ষতিপূরণের ফর্ম জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে। বৃহস্পতিবার বিডিও অফিসের সামনে হুড়োহুড়িতে সরকারি ভাবে দু’জন মহিলার পদপিষ্ট হওয়ার কথা স্বীকার করা হয়েছে।

বিডিও অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যা গায়েন এবং অসীমা হালদার নামে দুই পদপিষ্ট মহিলাকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তবে আবেদনকারীদের দাবি, আরও বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন।

এ দিন বিডিও অফিসের সামনে আবেদনকারীদের ভিড় ক্রমশ লম্বা হতে শুরু করে। সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে পড়তে শুরু করেন অনেকে। বেলা গড়ালে রোদের তাপে কেউ কেউ অসুস্থ হয়েও পড়েন। ঘটনায় প্রকাশ, তাঁদের মধ্যেই কেউ কেউ আগে নিজের ফর্ম দিতে চান। যা নিয়ে বিতর্ক বাঁধে। শুরু হয়ে যায় হুড়োহুড়ি।

সে সময় ভিড়ের চাপে বেশ কয়েকজন মহিলা মাটিতে পড়ে যান। কেউ আবার তাঁদের উপর দিয়েই চলে যান। ফলে মাটিতে পড়ে থাকা মহিলারা আহত হন। দুই মহিলাকে তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় জামতলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিক্ষোভ আগেও!

গত বুধবার বিকেলে কুলতলির দেউলবাড়ি দেবীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধবপুর গ্রামে ‘উম্পুন দুর্নীতি’র বিরুদ্ধে ক্ষোভ চরমে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁরা ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না। উল্টে গ্রামের বাইরের কিছু লোক ক্ষতিপূরণ পেয়ে যাচ্ছেন।

এক বিক্ষোভকারী বলেন, “উম্পুনে আমাদের ঘর ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু সরকারি ঘোষণা মতো ২০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ পাইনি। প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। পাওয়া যাবে। কিন্তু কবে”?

উম্পুন ক্ষতিপূরণ

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে যাঁরা চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের জন্য ২০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গে কমপক্ষে ১০ লক্ষ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেই ক্ষতিপূরণ পাওয়া নিয়ে অসংখ্য অভিযোগ উঠে আসে। ‘ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য অন্যকে টাকার ভাগ দিতে হচ্ছে’ বলেও মারাত্মক অভিযোগ উঠে আসে।

জুন মাসের মাঝামাঝি মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য ফর্ম কেনার দরকার নেই। টাকা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “অভিযোগ সত্য হিসাবে প্রমাণ হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন”।

Continue Reading

দঃ ২৪ পরগনা

দেশের মধ্যে প্রবীণতম, করোনাকে হেলায় হারালেন ডায়মন্ড হারবারের ৯৯ বছরের বৃদ্ধ

খবরঅনলাইন ডেস্ক: তাঁর শরীরে করোনা ধরা পড়ার পর পরিজনরা তাঁর বেঁচে থাকার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। কারণ করোনার সঙ্গেও বার্ধক্যজনিত আরও অসুস্থতা তো রয়েছে।

কিন্তু সবাইকে কার্যত চমকে দিয়ে করোনাকে হেলায় হারালেন ৯৯ বছরের বৃদ্ধ। কাঁকুড়গাছির বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্ত ওই বৃদ্ধ শ্রীপতি ন্যায়বান সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। রাজ্য তো বটেই, দেশের মধ্যে সব থেকে প্রবীণ ব্যক্তি তিনি, যিনি করোনাকে হারালেন।

ওই বৃদ্ধর দুই ছেলেও করোনায় আক্রান্ত। ৭২ বছর বয়সি বড়ো ছেলে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি রয়েছেন। আরও এক ছেলে মুকুন্দপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

জানা গিয়েছে, বৃদ্ধের এক ছেলের প্রথম কোভিড ধরা পড়ে। নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে গত ১১ জুন রাতে তাঁকে মুকুন্দপুরের বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করানো হয়। করোনা পরীক্ষা হলে তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। দশ দিন পর তাঁর আরও এক ছেলেও করোনায় আক্রান্ত হন।

দুই সন্তান আক্রান্ত হওয়ার মধ্যে গত সপ্তাহে অসুস্থ বোধ করেন বৃদ্ধ। গত ২৪ জুন তাঁর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বৃদ্ধের মৃদু হাইপারটেনশন ছিল। শীর্ণকায় শরীরে অক্সিজেনের মাত্রাও স্বাভাবিকের থেকে কম ছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

এই অবস্থায় বৃদ্ধকে ডায়মন্ড হারবার থেকে কাঁকুড়গাছির বেসরকারি নার্সিংহোমে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় সপ্তাহখানেক চিকিৎসাধীন থাকার পরে অবশেষে তাঁকে ছুটি দেওয়া হয়। করোনাকে হারিয়ে বৃদ্ধ বলেন, ‘‘ভালো আছি। শরীরে এখন কোনো অসুবিধা নেই।’’

করোনা যে মারণ ভাইরাস নয় আর করোনা নিয়ে কারও অতিরিক্ত আতঙ্কিত হওয়ারও যে দরকার নেই, এই বৃদ্ধই সেটা বুঝিয়ে দিলেন।

Continue Reading
Advertisement
দেশ7 mins ago

সংকটে রাজস্থানের কংগ্রেস সরকার! জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার পথে সচিন পায়লট?

দেশ34 mins ago

জয়া বচ্চন, ঐশ্বর্য রাই বচ্চন করোনা নেগেটিভ

ক্রিকেট2 hours ago

প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার চেতন চৌহান করোনা পজিটিভ

দেশ2 hours ago

অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’কে কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা করল স্থানীয় পুরপ্রশাসন

রবিবারের পড়া3 hours ago

রবিবারের পড়া: মাহেশের জগন্নাথ মন্দির ও নয়নচাঁদ মল্লিক

দেশ3 hours ago

দৈনিক আক্রান্তে রেকর্ড, সুস্থতার হারেও ধারাবাহিক বৃদ্ধি

রবিবারের খবর অনলাইন3 hours ago

প্রকাশিত হল খবরঅনলাইন-এর সাপ্তাহিক পিডিএফ সংস্করণ

দেশ4 hours ago

ব্যাঙ্কে চাকরি মেলেনি, নিজের বাড়িতে এসবিআইয়ের ভুয়ো শাখা বানিয়ে গ্রেফতার যুবক

কেনাকাটা

কেনাকাটা3 days ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা5 days ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা6 days ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা7 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

নজরে