Connect with us

দঃ ২৪ পরগনা

সবুজের দেওয়াল ধ্বংস হয় বুলবুলে, ‘ফাঁকা মাঠ’ পেয়েই উপকূলে তাণ্ডব উম্পুনের

খবর অনলাইনডেস্ক: গত বছর নভেম্বরে দক্ষিণ ২৪ পরগণার উপকূলেই আছড়ে পড়েছিল অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় বুলবুল (Cyclone Bulbul)। সেই ঝড়ের দাপটে উপকূলের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে প্রচুর গাছ পড়ে যায়। ম্যানগ্রোভ (Mangrove) অরণ্যেরও অল্পস্বল্প ক্ষয়ক্ষতি হয়। ওই ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে কার্যত ‘রক্ষীহীন’ হয়ে পড়া উপকূলে এ বার মনের সাধে তাণ্ডব চালিয়েছে চরম অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় উম্পুন (Cyclone Amphan)।

সুন্দরবন অঞ্চল বাদ দিয়েও দক্ষিণ ২৪ পরগণার উপকূলীয় অঞ্চলে যে সবুজ প্রাচীর ছিল, তাই বিভিন্ন ঝড়ের হাত থেকে এই সব অঞ্চলকে বাঁচাত। এই বুলবুলে সেই প্রাচীরের অনেকটাই ক্ষতি হয় আর সেই কারণেই এ বার অনেকটাই ফাঁকা মাঠ পেয়ে তাণ্ডব চালায় উম্পুন।

প্রশাসনিক আধিকারিকদের বক্তব্য, নামখানা, মৌসুনী আর জি-প্লটের পরিস্থিতি এখন সব থেকে খারাপ। দক্ষিণ ২৪ পরগণায় অন্তত এক লক্ষ বাড়ি এবং বিদ্যুতের ৫০ হাজার খুঁটি ভেঙে পড়েছে বলে জানাচ্ছে প্রশাসন। তবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য এখনও তাদের কাছে এসে পৌঁছোয়নি বলে দাবি করা হচ্ছে।

মৌসুনী দ্বীপের (Mousuni Island) এক বাসিন্দা বলেন, “বুলবুল আমাদের বেশি ক্ষতি করতে পারেনি, কারণ তখন প্রচুর গাছ ছিল এই দ্বীপে। কিন্তু বুলবুলের কারণে সেই গাছগুলির মারাত্মক ক্ষতি হয়। যার কারণে উম্পুনের রাস্তা এ বার অনেকটাই পরিষ্কার ছিল। ফলে এখানে এ বার আমাদের অসংখ্য বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।”

রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের চেয়ারম্যান কল্যাণ রুদ্র বলেন, “মৌসুনী, লোথিয়ান আর জি-প্লটের মতো সমুদ্রমুখী দ্বীপগুলোর দক্ষিণ প্রান্তে সবুজ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে গত বছরের বুলবুলের জন্য। ফলে এ বার উম্পুনের থেকে দ্বীপগুলিকে রক্ষা করার মতো সবুজের কোনো দেওয়ালই ছিল না।”

তবে এরই মধ্যে সুন্দরবনকে (Sunderban) কেন্দ্র করে কিছুটা স্বস্তির খবর। দুপুর আড়াইটেয় যখন ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ছে, তখনই ভাটা পড়ে যায়। যার কারণে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস হলেও বাঁধ ভাঙার ঘটনা তুলনামূলক কমই।

গত বছর দক্ষিণ ২৪ পরগণার সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে ২৫ লক্ষ গাছ পোঁতার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। সেই মতো কাজও শুরু হয়। কিন্তু বুলবুলে সেই সব ধ্বংস হয়ে যায় কারণ গাছগুলির বেড়ে ওঠার জন্য অন্তত কয়েকটা বছর সময় তো দিতেই হয়। এ বার সেই লক্ষ্যমাত্রা আরও কিছুটা বাড়িয়ে অন্তত ৫০ লক্ষ গাছ পোঁতার পরিকল্পনা করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক পি উলগানাথন।

দক্ষিণ ২৪ পরগণার সমাজসেবী জ্যোতিন্দ্রনারায়ণ লাহিড়ী বলেন, “বুলবুলে সবুজ ধ্বংস হয়েছিল বলেই উম্পুনে ক্ষয়ক্ষতি এ বার মারাত্মক। উপকূল অঞ্চলে একটাও বাড়ি এমন নেই, যার উম্পুনে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।”

বন দফতরের আধিকারিকরা মনে করছেন, এ বার আম, তাল আর খেজুরগাছ পোঁতার ওপরেই বেশি নজর দেওয়া উচিত। কারণ, এই সব গাছের শিকড় অনেক গভীর। ফলে প্রবল ঘূর্ণিঝড়েও তাদের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম। সমুদ্র-তীরবর্তী হওয়ার ফলে ঘূর্ণিঝড় তো হবেই, কিন্তু শিকড় গভীর থাকা গাছ যদি লাগানো হয়, তা হলে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের আঁচ থেকে অনেকটাই বাঁচানো যাবে এই সব এলাকাকে।

দঃ ২৪ পরগনা

বিডিও অফিসে উম্পুনে ক্ষতিপূরণের ফর্ম জমা দিতে গিয়ে কুলতলিতে পদপিষ্ট একাধিক

ভিড়ের চাপে বেশ কয়েকজন মহিলা মাটিতে পড়ে যান। কেউ আবার তাঁদের উপর দিয়েই চলে যান। ফলে মাটিতে পড়ে থাকা মহিলারা আহত হন।

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, কুলতলিত: ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে (Cyclone Amphan) ক্ষতিপূরণের ফর্ম জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে। বৃহস্পতিবার বিডিও অফিসের সামনে হুড়োহুড়িতে সরকারি ভাবে দু’জন মহিলার পদপিষ্ট হওয়ার কথা স্বীকার করা হয়েছে।

বিডিও অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যা গায়েন এবং অসীমা হালদার নামে দুই পদপিষ্ট মহিলাকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তবে আবেদনকারীদের দাবি, আরও বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন।

এ দিন বিডিও অফিসের সামনে আবেদনকারীদের ভিড় ক্রমশ লম্বা হতে শুরু করে। সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে পড়তে শুরু করেন অনেকে। বেলা গড়ালে রোদের তাপে কেউ কেউ অসুস্থ হয়েও পড়েন। ঘটনায় প্রকাশ, তাঁদের মধ্যেই কেউ কেউ আগে নিজের ফর্ম দিতে চান। যা নিয়ে বিতর্ক বাঁধে। শুরু হয়ে যায় হুড়োহুড়ি।

সে সময় ভিড়ের চাপে বেশ কয়েকজন মহিলা মাটিতে পড়ে যান। কেউ আবার তাঁদের উপর দিয়েই চলে যান। ফলে মাটিতে পড়ে থাকা মহিলারা আহত হন। দুই মহিলাকে তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় জামতলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিক্ষোভ আগেও!

গত বুধবার বিকেলে কুলতলির দেউলবাড়ি দেবীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধবপুর গ্রামে ‘উম্পুন দুর্নীতি’র বিরুদ্ধে ক্ষোভ চরমে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁরা ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না। উল্টে গ্রামের বাইরের কিছু লোক ক্ষতিপূরণ পেয়ে যাচ্ছেন।

এক বিক্ষোভকারী বলেন, “উম্পুনে আমাদের ঘর ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু সরকারি ঘোষণা মতো ২০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ পাইনি। প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। পাওয়া যাবে। কিন্তু কবে”?

উম্পুন ক্ষতিপূরণ

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে যাঁরা চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের জন্য ২০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গে কমপক্ষে ১০ লক্ষ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেই ক্ষতিপূরণ পাওয়া নিয়ে অসংখ্য অভিযোগ উঠে আসে। ‘ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য অন্যকে টাকার ভাগ দিতে হচ্ছে’ বলেও মারাত্মক অভিযোগ উঠে আসে।

জুন মাসের মাঝামাঝি মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য ফর্ম কেনার দরকার নেই। টাকা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “অভিযোগ সত্য হিসাবে প্রমাণ হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন”।

Continue Reading

দঃ ২৪ পরগনা

দেশের মধ্যে প্রবীণতম, করোনাকে হেলায় হারালেন ডায়মন্ড হারবারের ৯৯ বছরের বৃদ্ধ

খবরঅনলাইন ডেস্ক: তাঁর শরীরে করোনা ধরা পড়ার পর পরিজনরা তাঁর বেঁচে থাকার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। কারণ করোনার সঙ্গেও বার্ধক্যজনিত আরও অসুস্থতা তো রয়েছে।

কিন্তু সবাইকে কার্যত চমকে দিয়ে করোনাকে হেলায় হারালেন ৯৯ বছরের বৃদ্ধ। কাঁকুড়গাছির বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্ত ওই বৃদ্ধ শ্রীপতি ন্যায়বান সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। রাজ্য তো বটেই, দেশের মধ্যে সব থেকে প্রবীণ ব্যক্তি তিনি, যিনি করোনাকে হারালেন।

ওই বৃদ্ধর দুই ছেলেও করোনায় আক্রান্ত। ৭২ বছর বয়সি বড়ো ছেলে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি রয়েছেন। আরও এক ছেলে মুকুন্দপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

জানা গিয়েছে, বৃদ্ধের এক ছেলের প্রথম কোভিড ধরা পড়ে। নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে গত ১১ জুন রাতে তাঁকে মুকুন্দপুরের বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করানো হয়। করোনা পরীক্ষা হলে তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। দশ দিন পর তাঁর আরও এক ছেলেও করোনায় আক্রান্ত হন।

দুই সন্তান আক্রান্ত হওয়ার মধ্যে গত সপ্তাহে অসুস্থ বোধ করেন বৃদ্ধ। গত ২৪ জুন তাঁর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বৃদ্ধের মৃদু হাইপারটেনশন ছিল। শীর্ণকায় শরীরে অক্সিজেনের মাত্রাও স্বাভাবিকের থেকে কম ছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

এই অবস্থায় বৃদ্ধকে ডায়মন্ড হারবার থেকে কাঁকুড়গাছির বেসরকারি নার্সিংহোমে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় সপ্তাহখানেক চিকিৎসাধীন থাকার পরে অবশেষে তাঁকে ছুটি দেওয়া হয়। করোনাকে হারিয়ে বৃদ্ধ বলেন, ‘‘ভালো আছি। শরীরে এখন কোনো অসুবিধা নেই।’’

করোনা যে মারণ ভাইরাস নয় আর করোনা নিয়ে কারও অতিরিক্ত আতঙ্কিত হওয়ারও যে দরকার নেই, এই বৃদ্ধই সেটা বুঝিয়ে দিলেন।

Continue Reading

কলকাতা

রথযাত্রা না হলেও বনেদিবাড়িতে আরাধনা হল রীতি মেনেই

শুভদীপ রায় চৌধুরী

মঙ্গলবার রথযাত্রার (Ratha Yatra) পুণ্যতিথি। পুরী তো বটেই, পশ্চিমবঙ্গের বহু প্রাচীন জগন্নাথ মন্দিরে (Jagannath Temple) মঙ্গলবার রথের উৎসব পালিত হয়েছে নিষ্ঠার সঙ্গে। করোনাভাইরাসের (coronavirus) কারণে ভক্তসমাগম না হলেও ঐতিহ্য রক্ষার্থে পালিত হল রথযাত্রা। কলকাতায় (Kolkata) ও তার আশেপাশে বহু প্রাচীন রথ রয়েছে, সেখানেও রীতিনীতি মেনে সকাল থেকে মহাপ্রভুর আরাধনা করা হয়েছে।

বারুইপুর রায় চৌধুরী পরিবারের রথযাত্রা

বারুইপুর রায় চৌধুরী বাড়ির রথযাত্রা বঙ্গের খুব প্রাচীন এক রথযাত্রা। এ দিনও নিষ্ঠার সঙ্গে পালিত হল জগন্নাথের রথ। জমিদার রাজবল্লভ রায় চৌধুরীর সময় থেকেই এই রথযাত্রার সূত্রপাত, যা আজও সাড়ম্বরে পালিত হয়ে আসছে।

করোনাভাইরাসের প্রকোপে ভক্তের ভিড় না দেখা গেলেও পুজার আচারঅনুষ্ঠানে, রীতিনীতিতে কোনো ভাটা পড়েনি। রায় চৌধুরীদের রাসমাঠে আষাঢ় মাসে জগন্নাথের রথ হয়। এই পরিবারের রথ নবরত্ন শৈলীতে গঠিত ও প্রায় ২০০ বছরেরও প্রাচীন।

শোভাবাজার দেব পরিবারের রথযাত্রা

কলকাতার বনেদিবাড়ির রথ উৎসবের মধ্যে অন্যতম শোভাবাজার দেববাড়ির রথ। রাজা নবকৃষ্ণ দেবের হাত ধরে এই বাড়িতেই দুর্গাপুজো শুরু হয় ১৭৫৭ সালে আর সোজা রথের দিন বড়োবাড়ির কাঠামোপুজো হয় ও উলটোরথের দিন হয় ছোটোবাড়ির কাঠামোপুজো। পরিবারের সদস্যরা ভক্তি সহকারে শামিল হলেন এই রথযাত্রায়।ছোটোবাড়ির রথযাত্রা আরাম্ভ হয় ১৭৯০ সালে। এই বাড়ির কুলদেবতা শ্রীশ্রীরাধা গোপীনাথ জীউ-এর পরিবর্তে শালগ্রামশিলাকে রথে বসিয়ে টানা হয় রথ।

আরও পড়ুন: মাহেশে রথযাত্রা হল না, ইসকনও থেমে থাকল, তবে পূজা যথাবিহিত

বড়িশার রায় চৌধুরীদের রথযাত্রা

এই বাড়ির রথযাত্রা কলকাতার প্রাচীনতম। সাবর্ণ গোত্রীয় রায় কৃষ্ণদেব মজুমদার চৌধুরী ১৭১৯ সালে শুরু করেন এই রথযাত্রা। আজও অব্যহত রয়েছে সেই ঐতিহ্য। এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে ভক্ত সমাগম না হলেও জগন্নাথ মন্দিরেই পালিত হল সমস্ত আচারঅনুষ্ঠান ও রীতিনীতি।

ঢাকুরিয়ায় মণ্ডল পরিবারের রথযাত্রা

অন্যান্য বনেদিবাড়ির তুলনায় এই বাড়ির রথযাত্রা নবীন। এ বছর ৭৫ বছরে পদার্পণ করল। ঐতিহ্য মেনে মঙ্গলবার পুজো হল মণ্ডলবাড়ির জগন্নাথদেবের। সংক্রমণের প্রভাবে রথ না বেরোলেও রীতিনীতি সমস্তই পালিত হল নিষ্ঠার সঙ্গে।

এই বাড়ির রথযাত্রা শুরু করেছিলেন বিজয় মণ্ডল। তার পর থেকে বংশ পরম্পরায় পালিত হয়ে আসছে এই রথযাত্রা। সকালে মঙ্গলারতি দিয়ে শুরু হয় উৎসব, তার পর মূল পুজো হয়। বলা যেতে পারে আভিজাত্যে আজও অটুট এই বাড়ির রথ।

Continue Reading
Advertisement
শিল্প-বাণিজ্য1 min ago

হোয়াটসঅ্যাপে ব্যাঙ্কিংয়ে ১০ লক্ষ ব্যবহারকারী সংগ্রহ করল আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক

দেশ7 mins ago

এ বার কোভিডকে জয় করলেন ৯৬ বছরের বৃদ্ধা

বিদেশ33 mins ago

অনলাইনে ক্লাস করা ভিনদেশি পড়ুয়াদের আমেরিকা ছাড়তে হবে, নির্দেশ ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারের

দেশ1 hour ago

বিতর্ক বাঁধলেও ‘পতঞ্জলির করোনা ওষুধ’ অনলাইনে খোঁজের তালিকার শীর্ষস্থানে

অনুষ্ঠান2 hours ago

৮০-র পরেও নতুন অভিজ্ঞতার ‘শ্যামা’য় তিনি অভিভূত, বললেন সত্তরোর্ধ্ব নৃত্যশিল্পী পলি গুহ

drama
অনুষ্ঠান2 hours ago

শ্যামা ও বজ্রসেন চরিত্রের ফ্ল্যাশব্যাক, সম্পূর্ণ নতুন ভাবনা ‘শ্যামা’ নৃত্যনাট্যে

দেশ3 hours ago

অত্যাবশ্যক পণ্য তালিকা থেকে বাতিল মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার

বিদেশ3 hours ago

ভারতের পর আমেরিকায় চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ হওয়ার পথে

কেনাকাটা

কেনাকাটা23 hours ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা2 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা7 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

smartphone smartphone
কেনাকাটা1 week ago

লকডাউনের মধ্যে ফোন খারাপ? রইল ৫ হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের হদিশ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘরে বসে যতটা কাজ সারা যায় ততটাই ভালো। তাই মোবাইল ফোন খারাপ...

নজরে