ত্রাণ বিতরণ।

নিজস্ব প্রতিনিধি: পূর্ণিমার রাতে ইয়াস ঘুর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে নিদারুণ দুর্দশায় পড়েছেন বাংলার উপকূলবর্তী এলাকার মানুষজন। কলকাতা শহরে ইয়াসের তেমন কোনো প্রভাব না পড়লেও উপকূলবর্তী এলাকার বেশিটাই জলমগ্ন।

তাঁদের পাশে দাঁড়াতে ছুটে যাচ্ছেন বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা। পৌঁছে দিচ্ছেন নানা প্রয়োজনীয় সামগ্রী। গত ৬ জুন পশ্চিম বেহালার পরুই অগ্রদূত সংঘের সদস্যরাও পৌঁছে গেলেন ত্রাণ দিতে। কথা হল সংঘের সদস্য প্রণব দাসের সঙ্গে। তিনি তাঁদের ত্রাণকাজ নিয়ে বিস্তারিত জানালেন খবর অনলাইনকে।

Loading videos...
বাঁধেই বাস।

প্রণববাবু জানালেন, তাঁদের সংগঠন পরুই অগ্রদূত সংঘ পৌঁছে গিয়েছিল ইয়াস ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবনের কুমিরমারি গ্রামে। সেখানে প্রায় ৭০০ জন মানুষের হাতে তাঁরা তুলে দিয়েছেন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি। সংঘের তরফে ১৬-১৭ জন সদস্য পৌঁছে গিয়েছিলেন কুমিরমারিতে। তাঁরা চাল, ডাল, আলু, তেল, দুধ, পানীয় জল ইত্যাদি জিনিস পৌঁছে দিয়েছেন দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের কাছে। ৬০০ জনের হাতে সরাসরি তুলে দেওয়া হয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী আর বাকি ১০০ জনের সামগ্রী দেওয়া হয়েছে কুমিরমারি গ্রাম পঞ্চায়েতকে।

কুমিরমারি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে জানা গেল, এই গ্রামে প্রায় ২২০০০ মানুষ বসবাস করেন। তাঁদের মধ্যে পাঁচ-ছ’ হাজার মানুষ মোটামুটি রয়েছেন। বাকি মানুষের বেহাল দশা। এঁদের বাড়িঘর ভেসে গেছে, তাঁরা খুঁজে বেড়াচ্ছেন মাথা গোঁজার ঠাঁই, ঘুরে বেড়াচ্ছেন খাবারের সন্ধানে।    

ত্রাণ নেওয়ার লাইন।

গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান আরও জানালেন, পঞ্চায়েতের তরফে একটি কমিউনিটি কিচেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেখানে প্রায় কয়েক হাজার মানুষ প্রতি দিন বিনা পয়সায় খেতে পারছেন।

পরুই অগ্রদূত সংঘ যাতে দুর্গত মানুষদের হাতে তাদের ত্রাণসামগ্রী ঠিকঠাক তুলে দিতে পারেন, সেই ব্যাপারটি নজরদারি করার জন্য কুমিরমারি গ্রাম পঞ্চায়েত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল।

আরও পড়ুন: গোসাবায় আর্তের সেবায় এগিয়ে এলেন কচুয়া লোকনাথ মিশনের সদস্যরা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.