উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, বকখালি: বর্ষার শুরুতেই আবার ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটল। তবে জীবিত অবস্থাতেই উদ্ধার করা হল সব মৎস্যজীবীকে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে ডুবে যায় মৎস্যজীবীদের একটি ট্রলার।

শনিবার ভোর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বকখালি থেকে আরও গভীর বঙ্গোপসাগরে। ডুবন্ত ট্রলার থেকে ১৪ জন মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করেন অন্য ট্রলারের মৎস্যজীবীরা। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলারটির নাম ‘এফবি তারামা-৪’। ট্রলার মালিকের নাম পাখিরাম খাটুয়া। বাড়ি পাথরপ্রতিমার ব্রজবল্লভপুর এলাকায়।

মৎস্যজীবী সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার পাথরপ্রতিমার ব্রজবল্লভপুর থেকে ১৪ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য রওনা দেয় ট্রলার ‘এফবি তারামা-৪’। সমুদ্র উত্তাল থাকায় সরকারি ভাবে গভীর সমুদ্রে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল মৎস্য দফতর। কিন্তু এই ট্রলারটি সেই নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে সমুদ্রে পাড়ি দেয়।

বকখালি থেকে আরও ঘন্টা দুয়েক যাওয়ার পর ট্রলারের পাটাতন ফেটে জল ঢুকতে শুরু করে। ট্রলারে থাকা মৎস্যজীবীরা বাঁচার জন্য চিৎকার করতে থাকেন। ওয়ারলেস-এর মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয় নিকটবর্তী ট্রলারগুলির সঙ্গে। পরে অন্য ট্রলারের মৎস্যজীবীরা গিয়ে সমুদ্র থেকে বিপদগ্রস্তদের উদ্ধার করেন। মৎস্যজীবীদের জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও সমুদ্রে ডুবে যেতে থাকে ট্রলারটি। শনিবার অবশ্য ট্রলারটি উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

[মাছ ধরতে গিয়ে ডুবে যায় মৎস্যজীবীদের একটি ট্রলার।]

আবহাওয়ার আগাম পূর্বাভাস জানানোর সত্বেও কেন নিয়ম ভেঙে তাঁরা সমুদ্রে মাছ ধরছিলেন, তা খতিয়ে দেখছে মৎস্য দফতপ। আর এই ঘটনার পরে জীবিত অবস্থায় বেঁচে ফিরলেও ভয়-ভীতি এখনও কাটেনি মৎস্যজীবীদের।

আরও পড়তে পারেন: রোজগারের হাল ফেরাতে টিকাকরণে জোর দিচ্ছেন উত্তরবঙ্গের পর্যটন ব্যবসায়ীরা

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন