হাজিরা এড়িয়েছিল ইডি-সিবিআই, ফের তলব স্পিকারের

0

ইডি, সিবিআই-কে ফের বিধানসভায় তলব করলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

কলকাতা:ইডি (ED) এবং সিবিআই (CBI) আধিকারিকদের ফের বিধানসভায় ডেকে পাঠালেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। গত বুধবার তলব করা সত্ত্বেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিল দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ফের তাদের চিঠি পাঠিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় হাজিরার জন্য তলব করা হল।

নারদকাণ্ডে রাজ্যের দুই মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিম এবং বিধায়ক মদন মিত্রের নামে চার্জশিট দেওয়া হয়। তদন্তকারীরা তাঁকে না জানিয়েই এই পদক্ষেপ নিয়েছে দাবি করে তাদের এই নিয়ে দ্বিতীয় বার ডেকে পাঠালেন স্পিকার। আগামী ৪ অক্টোবর হাজিরার জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

গত ১৮ মে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র ও প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে সিবিআই। নারদ মামলায় চার হেভিওয়েটকে ওই গ্রেফতারের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন স্পিকার। বিমানের মত ছিল, বিধানসভার সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিতে হলে স্পিকারের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। এই কারণেই গত ১৩ সেপ্টেম্বর প্রথম বার ইডি ও সিবিআই-কে চিঠি দিয়ে বিধানসভায় হাজিরা দিতে বলেন তিনি।

ইডি-র এক প্রতিনিধি ওই দিন দুপুরে স্পিকারের দফতরে এসে জানিয়ে দিয়ে যান, তাঁরা বিধানসভায় হাজিরা দেবেন না। এর পরই সিবিআই-এর তরফে ই-মেল করে একই কথা জানিয়ে দেওয়া হয়।

সিবিআই-এর তরফে ই-মেল করে বিস্তারিত ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়, নারদকাণ্ডে তদন্তকারী অফিসার, যিনি মন্ত্রী-বিধায়কদের গ্রেফতার করেছিলেন, তিনি বিধানসভায় গিয়ে আজ হাজিরা দেবেন না। কারণ, হাইকোর্টের নির্দেশেই এই তদন্ত চলছে। সমস্ত আইনি নিয়ম মেনেই অফিসাররা কাজ করেছেন। অর্থাৎ, নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে তাঁরা চার্জশিট করেছেন।

এ দিকে দুই সংস্থার কাছ থেকে জবাব পাওয়ার পরই নিজের দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন স্পিকার। তলব এড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বাধীকারভঙ্গের অধীনে পড়ে কি না, সে বিষয়েও আলোচনা হয়। জানা যায়, দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এই পদক্ষেপে বিধানসভার গরিমা ‘ক্ষুণ্ণ’ হয়েছে বলেই মনে করছে সচিবালয়। যে কারণে ইডি ও সিবিআই-কে ফের তলব করলেন স্পিকার।

উল্লেখ্য, চার হেভিওয়েটের বিরুদ্ধে চার্জশিট এবং গ্রেফতারির ঘটনায় তাঁকে অন্ধকারে রাখা হয়েছিল বলে দাবি করে অধ্যক্ষ বলেছিলেন, প্রিভেনশন অব কোরাপশন অ্যাক্ট-এর ১৯(১) ধারায় চার্জশিট দেওয়ার ক্ষেত্রে ইডি ও সিবিআইয়ের অনুমতি নেওয়া উচিত ছিল। সেই জায়গা থেকে ইডি-র চিঠি এবং সিবিআই-এর ই-মেলে দায়সারা গোছের মনোভাব দেখানো হয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

উল্লেখযোগ্য আরও কিছু খবর পড়তে পারেন এখানে:

জল্পনার অবসান! অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় তৃণমূলে যোগ দিলেন ৫ বারের কংগ্রেস বিধায়ক মইনুল হক

৩ কেন্দ্রে ভোটের দিন ছুটি, বেসরকারি কর্মীরাও সবেতন ছুটি পাবেন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

‘কোভিডে কোনো দেশ যা করতে পারেনি, ভারত তা করেছে’, কেন্দ্রের প্রশংসায় সুপ্রিম কোর্ট

পাড়ার ভিতর পানশালা, বাড়ির জানলা দিয়ে দেখা যাচ্ছে কাণ্ডকারখানা, বন্ধের দাবিতে স্থানীয়দের বিক্ষোভ শিলিগুড়িতে

শুধুমাত্র ভবানীপুরেই কেন উপনির্বাচন, প্রশ্ন তুলে কমিশনের হলফনামা চাইল হাইকোর্ট

কোভিডের পরে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা কী ভাবে মোকাবিলা করতে হবে, নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন