অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

কলকাতা: মঙ্গলবার জোকা ইএসআই হাসপাতালে স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য নিয়ে আসা হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Arpita Mukherjee)। এসএসসি (SSC) নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার প্রাক্তন মন্ত্রী এ দিন হাসপাতালে ঢোকার সময় তেমন কোনো মন্তব্য না করলেও বিস্ফোরক দাবি করলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত অর্পিতা।

টালিগঞ্জ এবং বেলঘরিয়ায় অর্পিতার দু’টি ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। ধারণা ওই টাকা নিয়োগ দুর্নীতি থেকে পাওয়া। এ দিন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে অর্পিতা বলেন, তাঁর অনুপস্থিতিতে টাকা রাখা হয়েছে।

এ দিন পার্থকে নিয়ে হাসপাতাল চত্বরে ঢোকার পরই অর্পিতাকে নিয়ে ঢোকে ইডি-র অন্য একটি গাড়ি। তাঁকে ইডির উদ্ধার করা টাকা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে অর্পিতা বলেন, টাকা তাঁর নয়। সংক্ষিপ্ত জবাবে তিনি বলেন, “এই টাকা আমার নয়। আমার অনুপস্থিতিতে এবং আমার অজান্তে এই টাকা ঘরে ঢোকানো হয়েছে”।

এর আগে রবিবার জোকা ইএসআই হাসপাতালে ঢোকার সময় বিস্ফোরক মন্তব্য করেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। তাঁর দাবি, “সময় এলেই বুঝবেন…আমার কোনো টাকা নেই”। সাংবাদিকরা তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, উদ্ধার হওয়া টাকা কার? জবাবে পার্থ টানা তিন বার একই উত্তর দিলেন। বললেন, “আমার নয়, আমার নয়, আমার নয়”।

অর্থাৎ, পার্থ এবং অর্পিতা পক্ষান্তরে দাবি করছেন, ওই টাকা দু’জনেরই নয়। তা হলে প্রশ্ন, অর্পিতার ফ্ল্যাটে উদ্ধার হওয়া টাকার পাহাড় আসলে টাকা কার?

এ ব্যাপারে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ইতিমধ্যেই অভিযোগ করেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ভাইপো টাকাটা রাখতে দিয়েছেন। অপা সিন্ডিকেটের মালিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর নির্দেশ দিতেন ভাইপো, কয়লা ভাইপো। পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর অপা ওই টাকার কাস্টডিয়ান বা তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন”।

আরও পড়তে পারেন:

‘গুজরাটি-রাজস্থানি’ বিতর্ক নিয়ে ক্ষমা চাইলেন মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল কোশিয়ারি

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন