বুধবার এক আন্দোলনকারীকে থামাচ্ছে পুলিশ। ছবি: রাজীব বসু

কলকাতা: মহার্ঘ ভাতার (DA)-র দাবিতে বুধবার রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ। ধর্মতলা থেকে মিছিল এগোতেই ধুন্ধমার কাণ্ড। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি এবং সংঘর্ষে ঝরল রক্ত।

[ব্যারিকেড টানাটানি। ছবি: রাজীব বসু]

এ দিন বিধানসভার মূল ফটকের কাছে ডিএ দেওয়ার দাবি তুলে সরব হওয়ার কর্মসূচি ছিল বিক্ষোভকারীদের। তবে ধর্মতলা চত্বরে মিছিল পৌঁছাতেই লোহার ব্যারিকেড দিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটকানোর চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু, বিক্ষোভকারীদের আন্দোলনের ঝাঁঝে মুহূর্তেই ভেঙে যায় ব্যারিকেড। এরপর অ্যালুমিনিয়ামের ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকায় পুলিশ। কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকায়। ধর্মতলায় লেনিন মূর্তির সামনে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় আন্দোলনকারীদের।

[ধস্তাধস্তি। ছবি: রাজীব বসু]

পুলিশের বিরদ্ধে বিক্ষোভকারীদের উপর কিল-চড়-ঘুসি চালানোর অভিযোগও আনা হয়েছে। ঘুষি মেরে কিছু আন্দোলনকারীর মুখ ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। তবে সে অভিযোগ খারিজ করে পুলিশ। উর্দিধারীদের উপরেই হামলা করা হয়েছে বলেই জানায় লালবাজার। জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় ধৃত ৪৪ জন আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ঘাড় ধরে নীচু করে পেটে মুখে গুঁতো মেরেছে পুলিশ। বয়স্কদেরও রেহাই মেলেনি। মারের চোটে মাথাও ফেটেছে। অন্য দিকে, পুলিশের দাবি, হেয়ার স্ট্রিট থানার অ্যাডিশনাল ওসি, একজন মহিলা পুলিশ কনস্টেবল-সহ মোট চারজন পুলিশকর্মী ডিএ আন্দোলনকারীদের হামলায় গুরুতর জখম হয়েছেন।

[৪৪ জনকে আটক করে পুলিশ। ছবি: রাজীব বসু]

উল্লেখ্য, কো-অর্ডিনেশন কমিটির ডাকে এ দিন বিধানসভা অভিযানের ডাক দেওয়া হয়। মূলত বকেয়া ডিএ মেটানোর দাবি নিয়েই এ দিন কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়। মিছিলে পা মেলান রাজ্য সরকারি কর্মীদের বিভিন্ন সংগঠন, শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের সংগঠন এবং বিভিন্ন পুরসভার সরকারি কর্মীদের নানা সংগঠন। বকেয়া ডিএ-এ পাশাপাশি এ দিন বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, শূন্যপদে নিয়োগ এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের স্থায়ী করতে হবে।

আরও পড়ুন: ‘পিছনে বসে কেন, সামনে আসুন’, বিমান বসুকে নিজে চেয়ার এগিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন