খবর অনলাইন ডেস্ক: মঙ্গলবার মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন লক্ষ্মীরতন শুক্ল। পাশাপাশি পদত্যাগ করলেন দলীয় পদ থেকেও। তবে বিধানসভার মেয়াদ সম্পূর্ণ করতে চান বলেও ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন তিনি।

জানা গিয়েছে, রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্ল ইস্তফাপত্র পাঠান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ইস্তফা গ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এখনই বিধায়কপদ ছাড়ছেন না তিনি। প্রাক্তন ক্রিকেটার তৃণমূলের হাওড়া জেলা সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন। ২০২০ সালের জুলাই মাসে লক্ষ্মীরতনকে হাওড়া জেলা সদর তৃণমূলের সভাপতি করা হয়।

সংবাদ মাধ্যমের কাছে লক্ষ্মীরতন বলেন, “আমি মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিচ্ছি। কিন্তু বিধায়কপদ ছাড়ছি না। কারণ, মানুষের ভোটে জিতে বিধায়ক হয়েছি। এখন পুরবোর্ড নেই, তাই বিধায়ক হিসেবেই মানুষের কাজ করব”।

তা হলে কি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন?

এমন প্রশ্নের তেমন কোনো স্পষ্ট উত্তর মেলেনি এখনও। প্রাক্তন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, আপাতত রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চান প্রাক্তন ক্রিকেটার। কিছু দিন তিনি বিশ্রাম নেওয়ার পরই নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানাবেন তিনি।

বিজেপি নেতৃত্ব অবশ্য তাঁর জন্য দরজা খুলে রেখেছেন। অন্যদিকে তৃণমূলের একাংশ লক্ষ্মীকে ধরে রাখতে মরিয়া। হাওড়া জেলায় রাজ্যের শাসক দলের ঘরোয়া কোন্দল বেশ কয়েক মাস ধরেই প্রকট হয়েছে। এক দিকে অরূপ রায় এবং অন্য দিকে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াযুদ্ধ দল ভাঙনেরও ইঙ্গিত দিয়েছে বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল।

প্রতিষ্ঠাদিবসের অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতি

গত ১ জানুয়ারি তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে হাওড়ার কদমতলায় জেলা সদর দফতরের অনুষ্ঠানে রাজ্যের সমবায়মন্ত্রী অরূপ রায় উপস্থিত থাকলেও সেই অনুষ্ঠানে কিন্তু গরহাজির ছিলেন তৃণমূলের সদর সভাপতি লক্ষীরতন শুক্লা এবং দলের কোর্ডিনেটর এবং বনমন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়।

ঘটনাচক্রে তার ৪ দিনের মধ্যেই মন্ত্রিত্ব এবং জেলা সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন লক্ষ্মীরতন। তবে দলের বিরুদ্ধে কখনোই মুখ খুলতে শোনা যায়নি লক্ষ্মীরতনকে। সবপক্ষকে সঙ্গে নিয়েই এলাকার কাজে বরাবর নজর কেড়েছেন। স্বভাবতই আচমকা লক্ষ্মীর এই সিদ্ধান্ত অবাক হয়েছেন অনেকেই।

আরও পড়তে পারেন: হাসপাতাল থেকে বুধবার বাড়ি ফিরবেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন