Mamata banerjee

দার্জিলিং: আট মাস বাদে দার্জিলিংয়ের সভামঞ্চ থেকে নাম করেই সিকিমের উদ্দেশে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় – অনেক পরিশ্রমে সন্ত্রাস-বিধ্বস্ত পাহাড়ে শান্তি ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে তাঁর সরকার। কেউ যদি নিজের স্বার্থে সেই শান্তিতে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করে, তা হলে রাজ্য সরকার বরদাস্ত করবে না। সিকিম পাহাড়ে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। কারণ পাহাড় অশান্ত হয়ে উঠলে সিকিমের লাভ। অনেক বাইরের দেশ চায় দার্জিলিংয়ে অশান্তি হোক। কিন্তু দার্জিলিং পশ্চিমবঙ্গের অংশ।

জিটিএর কাজে সরকার হস্তক্ষেপ করবে না জানিয়ে তিনি বলেন, “রাজ্য সরকারের কাছে আপনারা দাবি-দাওয়া পেশ করতেই পারেন। সবাই মিলে এক সঙ্গে কাজ করলে তবেই উন্নয়ন হবে। এখানকার মূল শিল্প পর্যটন। পাহাড়ের মানুষ গুলি নয়, ভাত চায়। পাহাড়ে গুলি চললে তো পর্য়টন বন্ধ হয়ে যাবে। পাহাড়ের মানুষের জীবিকা চলবে কী করে?”

মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারি সুকনা, রোহিণী, কার্শিয়াং হয়ে দার্জিলিং পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার তিনি একটি সভায় যোগ দিয়ে বলেন, “দার্জিলিং-সহ গোটা পাহাড়ের উন্নয়নে সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। পাহাড়ের উন্নয়ন হলে আমি তার ভাগ নিতে আসব না। এ ব্যাপারে রাজ্য সরকার সব রকমের ব্যবস্থা নিয়েছে।”

মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়ে পৌঁছোনো ইস্তক তাঁকে দফায় দফায় সংবর্ধনা দেওয়া চলছে। তিনি যখন বিভিন্ন সভাস্থলে যাচ্ছেন তখন পথের দু’ধারে অসংখ্য মানুষের আগ্রহী উপস্থিতি থাকছে চোখে পড়ার মতোই। এই ছবিটা যে তাঁর আগের দার্জিলিং সফরের তুলনায় অনেকটাই স্পষ্ট তা খুব ভালো ভাবেই অনুভব করতে পারছেন তিনি। গোর্খা জনমুক্তি নেতা বিমল গুরুংয়ের অস্তিত্ব যে পাহাড়ের মানুষ প্রায় মুছেই ফেলেছে, তা সম্ভবত পরিষ্কার হয়ে গেল মুখ্যমন্ত্রীর এই পাহাড়-সফরে। বুধবার একটি ক্রীড়া সংগঠনের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ছেলেদের হাতে বাইক এবং মেয়েদের জন্য স্কুটি তুলে দেন।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন